জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৭ মণ্ডপে সরস্বতী পূজা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৭ মণ্ডপে সরস্বতী পূজা
জবি প্রতিনিধি

বিদ্যা ও সংগীতের দেবী সরস্বতীর আরাধনায় আজ (শুক্রবার) উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাস। সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ৩৭টি মণ্ডপে সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল থেকেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উৎসবের আমেজ চোখে পড়েছে। বিভিন্ন মণ্ডপে ঢুকতেই কানে ভেসে আসছে শঙ্খধ্বনি ও মন্ত্রোচ্চারণ। শিক্ষার্থীরা দল বেঁধে পুষ্পাঞ্জলি দিচ্ছেন। প্রতিটি মণ্ডপে দর্শনার্থীদের উপস্থিতি দেখা গেছে। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পয়েন্টে প্রক্টরিয়াল টিম ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে দেখা যায়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঁঠালতলা, শান্ত চত্বর, শহীদ সাজিদ একাডেমিক ভবনের নিচতলা, বিজ্ঞান অনুষদ ও কলা ভবনের সামনে স্থাপিত মণ্ডপগুলোতে ভিড় লক্ষ্য করা যায়। সাদা-হলুদ পোশাকে সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অন্য ধর্মের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও চোখে পড়েছে। অনেকে বন্ধুবান্ধব ও শিক্ষকদের সঙ্গে ছবি তুলছেন। আলপনা, রঙিন আলো, ফুল ও কাপড়ে সাজানো মণ্ডপগুলোতে ভিন্ন ভিন্ন নকশা ও ভাবনার প্রতিফলন দেখা যায়। কোথাও কাঠ ও খড়ের ফ্রেম, কোথাও ককশিটের স্টেজ সব মিলিয়ে প্রতিটি মণ্ডপই আলাদা রূপে ফুটে উঠেছে।

সমাজকর্ম বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী অনামিকা দাস বলেন, ‘প্রতিবছরের মতো এবারও বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাওয়া বরাদ্দের মধ্যেই মণ্ডপ তৈরির চেষ্টা করছি। তবে এত কম বাজেটে মণ্ডপ করা কষ্টসাধ্য। তাই শিক্ষার্থীদের থেকে চাঁদা তুলতে হয়েছে।’
জকসুর সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলিম আরিফ বলেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সরস্বতী পূজা শুধু একটি ধর্মীয় আয়োজন নয়, এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জকসু থেকে এবার সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদককে মূল দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তাকে সার্বিক সহায়তায় আমরা রয়েছি। আমরা চাই, সবার সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে সরস্বতী পূজা উদযাপিত হোক।’
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল জানান, ‘এ বছর ৩৬টি বিভাগ, দুটি ইনস্টিটিউট এবং একমাত্র ছাত্রী হল নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরীরাণী হলে সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ইসলামিক স্টাডিজ এবং ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ থেকে কোনো আবেদন না পাওয়ায় সেখানে পূজার আয়োজন হচ্ছে না।’
এদিকে সীমিত বাজেটে পূজার আয়োজন করতে গিয়ে চাপে পড়ছেন শিক্ষার্থীরা। জানা গেছে, গত বছর প্রতি মণ্ডপে ৫ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকলেও এ বছর তা বাড়িয়ে ৬ হাজার টাকা করা হয়েছে। তবে বর্তমান বাজারদরে খরচ মেটাতে অনেক বিভাগকেই শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে আয়োজন সম্পন্ন করতে হচ্ছে।
নিরাপত্তা বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক বলেন, ‘বরাবরের মতো এবারও সরস্বতী পূজা সর্বোচ্চ নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পালিত হবে। পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল বডি সার্বক্ষণিক তদারকি করবে। ক্যাম্পাসের ভেতর ও বাইরে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে এই উৎসব শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে বলে প্রশাসন আশাবাদী।’

বিদ্যা ও সংগীতের দেবী সরস্বতীর আরাধনায় আজ (শুক্রবার) উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাস। সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ৩৭টি মণ্ডপে সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল থেকেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উৎসবের আমেজ চোখে পড়েছে। বিভিন্ন মণ্ডপে ঢুকতেই কানে ভেসে আসছে শঙ্খধ্বনি ও মন্ত্রোচ্চারণ। শিক্ষার্থীরা দল বেঁধে পুষ্পাঞ্জলি দিচ্ছেন। প্রতিটি মণ্ডপে দর্শনার্থীদের উপস্থিতি দেখা গেছে। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পয়েন্টে প্রক্টরিয়াল টিম ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে দেখা যায়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঁঠালতলা, শান্ত চত্বর, শহীদ সাজিদ একাডেমিক ভবনের নিচতলা, বিজ্ঞান অনুষদ ও কলা ভবনের সামনে স্থাপিত মণ্ডপগুলোতে ভিড় লক্ষ্য করা যায়। সাদা-হলুদ পোশাকে সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অন্য ধর্মের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও চোখে পড়েছে। অনেকে বন্ধুবান্ধব ও শিক্ষকদের সঙ্গে ছবি তুলছেন। আলপনা, রঙিন আলো, ফুল ও কাপড়ে সাজানো মণ্ডপগুলোতে ভিন্ন ভিন্ন নকশা ও ভাবনার প্রতিফলন দেখা যায়। কোথাও কাঠ ও খড়ের ফ্রেম, কোথাও ককশিটের স্টেজ সব মিলিয়ে প্রতিটি মণ্ডপই আলাদা রূপে ফুটে উঠেছে।

সমাজকর্ম বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী অনামিকা দাস বলেন, ‘প্রতিবছরের মতো এবারও বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাওয়া বরাদ্দের মধ্যেই মণ্ডপ তৈরির চেষ্টা করছি। তবে এত কম বাজেটে মণ্ডপ করা কষ্টসাধ্য। তাই শিক্ষার্থীদের থেকে চাঁদা তুলতে হয়েছে।’
জকসুর সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলিম আরিফ বলেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সরস্বতী পূজা শুধু একটি ধর্মীয় আয়োজন নয়, এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জকসু থেকে এবার সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদককে মূল দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তাকে সার্বিক সহায়তায় আমরা রয়েছি। আমরা চাই, সবার সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে সরস্বতী পূজা উদযাপিত হোক।’
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল জানান, ‘এ বছর ৩৬টি বিভাগ, দুটি ইনস্টিটিউট এবং একমাত্র ছাত্রী হল নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরীরাণী হলে সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ইসলামিক স্টাডিজ এবং ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ থেকে কোনো আবেদন না পাওয়ায় সেখানে পূজার আয়োজন হচ্ছে না।’
এদিকে সীমিত বাজেটে পূজার আয়োজন করতে গিয়ে চাপে পড়ছেন শিক্ষার্থীরা। জানা গেছে, গত বছর প্রতি মণ্ডপে ৫ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকলেও এ বছর তা বাড়িয়ে ৬ হাজার টাকা করা হয়েছে। তবে বর্তমান বাজারদরে খরচ মেটাতে অনেক বিভাগকেই শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে আয়োজন সম্পন্ন করতে হচ্ছে।
নিরাপত্তা বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক বলেন, ‘বরাবরের মতো এবারও সরস্বতী পূজা সর্বোচ্চ নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পালিত হবে। পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল বডি সার্বক্ষণিক তদারকি করবে। ক্যাম্পাসের ভেতর ও বাইরে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে এই উৎসব শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে বলে প্রশাসন আশাবাদী।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৭ মণ্ডপে সরস্বতী পূজা
জবি প্রতিনিধি

বিদ্যা ও সংগীতের দেবী সরস্বতীর আরাধনায় আজ (শুক্রবার) উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাস। সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ৩৭টি মণ্ডপে সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল থেকেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উৎসবের আমেজ চোখে পড়েছে। বিভিন্ন মণ্ডপে ঢুকতেই কানে ভেসে আসছে শঙ্খধ্বনি ও মন্ত্রোচ্চারণ। শিক্ষার্থীরা দল বেঁধে পুষ্পাঞ্জলি দিচ্ছেন। প্রতিটি মণ্ডপে দর্শনার্থীদের উপস্থিতি দেখা গেছে। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পয়েন্টে প্রক্টরিয়াল টিম ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে দেখা যায়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঁঠালতলা, শান্ত চত্বর, শহীদ সাজিদ একাডেমিক ভবনের নিচতলা, বিজ্ঞান অনুষদ ও কলা ভবনের সামনে স্থাপিত মণ্ডপগুলোতে ভিড় লক্ষ্য করা যায়। সাদা-হলুদ পোশাকে সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অন্য ধর্মের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও চোখে পড়েছে। অনেকে বন্ধুবান্ধব ও শিক্ষকদের সঙ্গে ছবি তুলছেন। আলপনা, রঙিন আলো, ফুল ও কাপড়ে সাজানো মণ্ডপগুলোতে ভিন্ন ভিন্ন নকশা ও ভাবনার প্রতিফলন দেখা যায়। কোথাও কাঠ ও খড়ের ফ্রেম, কোথাও ককশিটের স্টেজ সব মিলিয়ে প্রতিটি মণ্ডপই আলাদা রূপে ফুটে উঠেছে।

সমাজকর্ম বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী অনামিকা দাস বলেন, ‘প্রতিবছরের মতো এবারও বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাওয়া বরাদ্দের মধ্যেই মণ্ডপ তৈরির চেষ্টা করছি। তবে এত কম বাজেটে মণ্ডপ করা কষ্টসাধ্য। তাই শিক্ষার্থীদের থেকে চাঁদা তুলতে হয়েছে।’
জকসুর সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলিম আরিফ বলেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সরস্বতী পূজা শুধু একটি ধর্মীয় আয়োজন নয়, এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জকসু থেকে এবার সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদককে মূল দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তাকে সার্বিক সহায়তায় আমরা রয়েছি। আমরা চাই, সবার সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে সরস্বতী পূজা উদযাপিত হোক।’
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল জানান, ‘এ বছর ৩৬টি বিভাগ, দুটি ইনস্টিটিউট এবং একমাত্র ছাত্রী হল নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরীরাণী হলে সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ইসলামিক স্টাডিজ এবং ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ থেকে কোনো আবেদন না পাওয়ায় সেখানে পূজার আয়োজন হচ্ছে না।’
এদিকে সীমিত বাজেটে পূজার আয়োজন করতে গিয়ে চাপে পড়ছেন শিক্ষার্থীরা। জানা গেছে, গত বছর প্রতি মণ্ডপে ৫ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকলেও এ বছর তা বাড়িয়ে ৬ হাজার টাকা করা হয়েছে। তবে বর্তমান বাজারদরে খরচ মেটাতে অনেক বিভাগকেই শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে আয়োজন সম্পন্ন করতে হচ্ছে।
নিরাপত্তা বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক বলেন, ‘বরাবরের মতো এবারও সরস্বতী পূজা সর্বোচ্চ নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পালিত হবে। পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল বডি সার্বক্ষণিক তদারকি করবে। ক্যাম্পাসের ভেতর ও বাইরে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে এই উৎসব শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে বলে প্রশাসন আশাবাদী।’




