প্রমোশনের দাবিতে রাজউক কলেজের সামনে মানববন্ধন

প্রমোশনের দাবিতে রাজউক কলেজের সামনে মানববন্ধন
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের সামনে টিসি নয়, প্রমোশনের দাবিতে মানববন্ধন করেছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভিভাবকবৃন্দ। উত্তরা ৬ নম্বর সেক্টরের কলেজটির মূল ফটকের সামনে সোমবার (১২ জানুয়ারি) এ মানববন্ধন করেন অভিভাবকরা। দুপুর পর্যন্ত চলে মানববন্ধন।
মানববন্ধনটি 'নট টিসি, ওয়ান্ট প্রমোশন' ব্যানারে করা হয়। মানবন্ধনে অংশ নেওয়া অভিভাবকরা জানান, কলেজটির ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের যারা এক বিষয়ে ৩৩ থেকে ৩৯ নম্বর পেয়ে অকৃতকার্য হয়েছে তাদেরকে একই শ্রেণীতে বহাল রাখা হয়েছে। আবার যারা একই নম্বর পেয়ে একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে, তাদের অভিভাবকদের অন্য বিদ্যালয়ে পাঠদানের জন্য টিসি বা ট্রান্সফার সার্টিফিকেট নেওয়ার জন্য নোটিশ করা হয়েছে।
মানববন্ধনে অংশে নেওয়া অভিভাবকবৃন্দদের ব্যানারে থাকা দাবিগুলো হল- 'অন্যায় সিদ্ধান্ত মানি না', 'ভুল সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে হবে', 'একটি বছর মানে একটি জীবন', 'কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোন আপোষ নয়', ' মেধাবী ও অমেধাবী সকল শিক্ষার্থীদের নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে', এবং 'শিক্ষার্থীদের অকৃতকার্য হওয়ায় রাজউক কলেজ কর্তৃপক্ষের নিতে হবে'।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া অভিভাবকরা বলেন, 'সারা বাংলাদেশে ৩৩ নম্বরে পাশ। অথচ রাজউকে ৪০ নম্বরে পাশ। এটা সেনাবাহিনীর আইন, এটা সিভিল প্রশাসনের কোন আইন না। এটা কোন সিআরপিসি না, পিসি না, পিআরবি না। রাজউক কলেজ একাই আইন তৈরি করে। যা বৈষম্য বিরোধী।'
অভিভাবকরা আরও বলেন, আমরা জীবন মান নিয়ে বেঁচে থাকতে চাই। আমরা কোন আত্মহুতির পথ বেছে নিতে চাই না। তাই শিক্ষা সচিব, শিক্ষা উপদেষ্টা এবং প্রধান উপদেষ্টা প্রতি আমাদের আহ্বান- আমাদের নায্য দাবি মেনে নেওয়া হোক।'
মানববন্ধনকে ঘিরে কোন ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ঘটনাস্থলে থানা পুলিশ উপস্থিত ছিল।

রাজধানীর রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের সামনে টিসি নয়, প্রমোশনের দাবিতে মানববন্ধন করেছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভিভাবকবৃন্দ। উত্তরা ৬ নম্বর সেক্টরের কলেজটির মূল ফটকের সামনে সোমবার (১২ জানুয়ারি) এ মানববন্ধন করেন অভিভাবকরা। দুপুর পর্যন্ত চলে মানববন্ধন।
মানববন্ধনটি 'নট টিসি, ওয়ান্ট প্রমোশন' ব্যানারে করা হয়। মানবন্ধনে অংশ নেওয়া অভিভাবকরা জানান, কলেজটির ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের যারা এক বিষয়ে ৩৩ থেকে ৩৯ নম্বর পেয়ে অকৃতকার্য হয়েছে তাদেরকে একই শ্রেণীতে বহাল রাখা হয়েছে। আবার যারা একই নম্বর পেয়ে একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে, তাদের অভিভাবকদের অন্য বিদ্যালয়ে পাঠদানের জন্য টিসি বা ট্রান্সফার সার্টিফিকেট নেওয়ার জন্য নোটিশ করা হয়েছে।
মানববন্ধনে অংশে নেওয়া অভিভাবকবৃন্দদের ব্যানারে থাকা দাবিগুলো হল- 'অন্যায় সিদ্ধান্ত মানি না', 'ভুল সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে হবে', 'একটি বছর মানে একটি জীবন', 'কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোন আপোষ নয়', ' মেধাবী ও অমেধাবী সকল শিক্ষার্থীদের নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে', এবং 'শিক্ষার্থীদের অকৃতকার্য হওয়ায় রাজউক কলেজ কর্তৃপক্ষের নিতে হবে'।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া অভিভাবকরা বলেন, 'সারা বাংলাদেশে ৩৩ নম্বরে পাশ। অথচ রাজউকে ৪০ নম্বরে পাশ। এটা সেনাবাহিনীর আইন, এটা সিভিল প্রশাসনের কোন আইন না। এটা কোন সিআরপিসি না, পিসি না, পিআরবি না। রাজউক কলেজ একাই আইন তৈরি করে। যা বৈষম্য বিরোধী।'
অভিভাবকরা আরও বলেন, আমরা জীবন মান নিয়ে বেঁচে থাকতে চাই। আমরা কোন আত্মহুতির পথ বেছে নিতে চাই না। তাই শিক্ষা সচিব, শিক্ষা উপদেষ্টা এবং প্রধান উপদেষ্টা প্রতি আমাদের আহ্বান- আমাদের নায্য দাবি মেনে নেওয়া হোক।'
মানববন্ধনকে ঘিরে কোন ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ঘটনাস্থলে থানা পুলিশ উপস্থিত ছিল।

প্রমোশনের দাবিতে রাজউক কলেজের সামনে মানববন্ধন
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের সামনে টিসি নয়, প্রমোশনের দাবিতে মানববন্ধন করেছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভিভাবকবৃন্দ। উত্তরা ৬ নম্বর সেক্টরের কলেজটির মূল ফটকের সামনে সোমবার (১২ জানুয়ারি) এ মানববন্ধন করেন অভিভাবকরা। দুপুর পর্যন্ত চলে মানববন্ধন।
মানববন্ধনটি 'নট টিসি, ওয়ান্ট প্রমোশন' ব্যানারে করা হয়। মানবন্ধনে অংশ নেওয়া অভিভাবকরা জানান, কলেজটির ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের যারা এক বিষয়ে ৩৩ থেকে ৩৯ নম্বর পেয়ে অকৃতকার্য হয়েছে তাদেরকে একই শ্রেণীতে বহাল রাখা হয়েছে। আবার যারা একই নম্বর পেয়ে একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে, তাদের অভিভাবকদের অন্য বিদ্যালয়ে পাঠদানের জন্য টিসি বা ট্রান্সফার সার্টিফিকেট নেওয়ার জন্য নোটিশ করা হয়েছে।
মানববন্ধনে অংশে নেওয়া অভিভাবকবৃন্দদের ব্যানারে থাকা দাবিগুলো হল- 'অন্যায় সিদ্ধান্ত মানি না', 'ভুল সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে হবে', 'একটি বছর মানে একটি জীবন', 'কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোন আপোষ নয়', ' মেধাবী ও অমেধাবী সকল শিক্ষার্থীদের নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে', এবং 'শিক্ষার্থীদের অকৃতকার্য হওয়ায় রাজউক কলেজ কর্তৃপক্ষের নিতে হবে'।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া অভিভাবকরা বলেন, 'সারা বাংলাদেশে ৩৩ নম্বরে পাশ। অথচ রাজউকে ৪০ নম্বরে পাশ। এটা সেনাবাহিনীর আইন, এটা সিভিল প্রশাসনের কোন আইন না। এটা কোন সিআরপিসি না, পিসি না, পিআরবি না। রাজউক কলেজ একাই আইন তৈরি করে। যা বৈষম্য বিরোধী।'
অভিভাবকরা আরও বলেন, আমরা জীবন মান নিয়ে বেঁচে থাকতে চাই। আমরা কোন আত্মহুতির পথ বেছে নিতে চাই না। তাই শিক্ষা সচিব, শিক্ষা উপদেষ্টা এবং প্রধান উপদেষ্টা প্রতি আমাদের আহ্বান- আমাদের নায্য দাবি মেনে নেওয়া হোক।'
মানববন্ধনকে ঘিরে কোন ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ঘটনাস্থলে থানা পুলিশ উপস্থিত ছিল।




