সকালের যে অভ্যাসগুলো আমাদের দ্রুত বুড়িয়ে দেয়

সকালের যে অভ্যাসগুলো আমাদের দ্রুত বুড়িয়ে দেয়
সিটিজেন-ডেস্ক

সময় তার নিয়মেই এগোয়। এই সময়ের স্রোতে বয়স বাড়বে এটাই স্বাভাবিক। তবে বয়সের সঙ্গে সঙ্গে চেহারায় যে পরিবর্তন আসে, তা মেনে নেওয়া সবার পক্ষে সহজ হয় না। তাই শরীর ও ত্বকের সজীবতা ধরে রাখতে আমরা নানা যত্ন নেই। অথচ দিনের শুরুতেই কিছু ছোট ভুল অভ্যাস অজান্তেই আমাদের দ্রুত বার্ধক্যের দিকে ঠেলে দেয়।
চিকিৎসক ও জীবনযাপন বিশেষজ্ঞদের মতে, সকালের রুটিন ঠিক না থাকলে তার প্রভাব পড়ে হরমোন, ত্বক ও মানসিক স্বাস্থ্যে। ফল হিসেবে বয়সের তুলনায় চেহারায় ক্লান্তি ও বয়স্ক ভাব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। জেনে নেওয়া যাক, এমনই কয়েকটি অভ্যাসের কথা।
নাস্তা বাদ দেওয়ার অভ্যাস
সকালে সময়ের অভাবে অনেকেই নাস্তা এড়িয়ে যান, কেউ কেউ আবার দেরিতে খাওয়াকে অভ্যাসে পরিণত করেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকলে শরীরে স্ট্রেস হরমোন কার্টিজলের মাত্রা বেড়ে যায়। একই সঙ্গে ধীর হয়ে পড়ে হজমক্ষমতা। এর প্রভাব পড়ে ত্বকে— নিস্তেজ ভাব, শুষ্কতা ও বয়সের ছাপ দ্রুত স্পষ্ট হতে থাকে।
ঘুম ভেঙেই ফোনে চোখ রাখা
ঘুম ভাঙার পরপরই ফোনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা খবর দেখার অভ্যাস আজকাল খুব পরিচিত। কিন্তু এই অভ্যাস মানসিক প্রশান্তির জন্য মোটেও ভালো নয়। ফোনের নীল আলো এবং নানা নেতিবাচক তথ্য মস্তিষ্কে বাড়তি চাপ তৈরি করে। ফলে সকাল শুরু হয় অস্থিরতা দিয়ে, যার ছাপ পড়ে মুখে ও চোখের নিচে।
খালি পেটে কফি পান
অনেকের কাছে কফি ছাড়া সকালই শুরু হয় না। তবে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে কফি খাওয়া শরীরের জন্য ক্ষতিকর। এতে অ্যাসিডিটি বাড়ে, হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। দীর্ঘদিন এই অভ্যাস চললে ত্বক ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে পড়ে, কুঁচকানো ভাবও দ্রুত দেখা দেয়।
দেরিতে ঘুম থেকে ওঠা, রোদ এড়িয়ে চলা
যাঁরা দেরিতে ঘুম থেকে ওঠেন, তাঁরা ভোরের নরম রোদ থেকে বঞ্চিত হন। অথচ সূর্যের আলো শরীরের জন্য খুবই জরুরি। ভোরের রোদ ভিটামিন ডি তৈরিতে সাহায্য করে এবং ত্বকের স্বাভাবিক সজীবতা ধরে রাখতে ভূমিকা রাখে। নিয়মিত রোদ না পেলে শরীরে ক্লান্তি বাড়ে, চেহারায়ও বয়সের ছাপ পড়ে তাড়াতাড়ি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়স থামানো না গেলেও জীবনযাপনের অভ্যাস বদলে তার ছাপ অনেকটাই ধীর করা যায়। দিনের শুরুটা যদি সচেতনভাবে করা যায়, তাহলে শরীর ও ত্বক দুটিই দীর্ঘদিন সুস্থ ও সতেজ রাখা সম্ভব।

সময় তার নিয়মেই এগোয়। এই সময়ের স্রোতে বয়স বাড়বে এটাই স্বাভাবিক। তবে বয়সের সঙ্গে সঙ্গে চেহারায় যে পরিবর্তন আসে, তা মেনে নেওয়া সবার পক্ষে সহজ হয় না। তাই শরীর ও ত্বকের সজীবতা ধরে রাখতে আমরা নানা যত্ন নেই। অথচ দিনের শুরুতেই কিছু ছোট ভুল অভ্যাস অজান্তেই আমাদের দ্রুত বার্ধক্যের দিকে ঠেলে দেয়।
চিকিৎসক ও জীবনযাপন বিশেষজ্ঞদের মতে, সকালের রুটিন ঠিক না থাকলে তার প্রভাব পড়ে হরমোন, ত্বক ও মানসিক স্বাস্থ্যে। ফল হিসেবে বয়সের তুলনায় চেহারায় ক্লান্তি ও বয়স্ক ভাব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। জেনে নেওয়া যাক, এমনই কয়েকটি অভ্যাসের কথা।
নাস্তা বাদ দেওয়ার অভ্যাস
সকালে সময়ের অভাবে অনেকেই নাস্তা এড়িয়ে যান, কেউ কেউ আবার দেরিতে খাওয়াকে অভ্যাসে পরিণত করেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকলে শরীরে স্ট্রেস হরমোন কার্টিজলের মাত্রা বেড়ে যায়। একই সঙ্গে ধীর হয়ে পড়ে হজমক্ষমতা। এর প্রভাব পড়ে ত্বকে— নিস্তেজ ভাব, শুষ্কতা ও বয়সের ছাপ দ্রুত স্পষ্ট হতে থাকে।
ঘুম ভেঙেই ফোনে চোখ রাখা
ঘুম ভাঙার পরপরই ফোনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা খবর দেখার অভ্যাস আজকাল খুব পরিচিত। কিন্তু এই অভ্যাস মানসিক প্রশান্তির জন্য মোটেও ভালো নয়। ফোনের নীল আলো এবং নানা নেতিবাচক তথ্য মস্তিষ্কে বাড়তি চাপ তৈরি করে। ফলে সকাল শুরু হয় অস্থিরতা দিয়ে, যার ছাপ পড়ে মুখে ও চোখের নিচে।
খালি পেটে কফি পান
অনেকের কাছে কফি ছাড়া সকালই শুরু হয় না। তবে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে কফি খাওয়া শরীরের জন্য ক্ষতিকর। এতে অ্যাসিডিটি বাড়ে, হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। দীর্ঘদিন এই অভ্যাস চললে ত্বক ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে পড়ে, কুঁচকানো ভাবও দ্রুত দেখা দেয়।
দেরিতে ঘুম থেকে ওঠা, রোদ এড়িয়ে চলা
যাঁরা দেরিতে ঘুম থেকে ওঠেন, তাঁরা ভোরের নরম রোদ থেকে বঞ্চিত হন। অথচ সূর্যের আলো শরীরের জন্য খুবই জরুরি। ভোরের রোদ ভিটামিন ডি তৈরিতে সাহায্য করে এবং ত্বকের স্বাভাবিক সজীবতা ধরে রাখতে ভূমিকা রাখে। নিয়মিত রোদ না পেলে শরীরে ক্লান্তি বাড়ে, চেহারায়ও বয়সের ছাপ পড়ে তাড়াতাড়ি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়স থামানো না গেলেও জীবনযাপনের অভ্যাস বদলে তার ছাপ অনেকটাই ধীর করা যায়। দিনের শুরুটা যদি সচেতনভাবে করা যায়, তাহলে শরীর ও ত্বক দুটিই দীর্ঘদিন সুস্থ ও সতেজ রাখা সম্ভব।

সকালের যে অভ্যাসগুলো আমাদের দ্রুত বুড়িয়ে দেয়
সিটিজেন-ডেস্ক

সময় তার নিয়মেই এগোয়। এই সময়ের স্রোতে বয়স বাড়বে এটাই স্বাভাবিক। তবে বয়সের সঙ্গে সঙ্গে চেহারায় যে পরিবর্তন আসে, তা মেনে নেওয়া সবার পক্ষে সহজ হয় না। তাই শরীর ও ত্বকের সজীবতা ধরে রাখতে আমরা নানা যত্ন নেই। অথচ দিনের শুরুতেই কিছু ছোট ভুল অভ্যাস অজান্তেই আমাদের দ্রুত বার্ধক্যের দিকে ঠেলে দেয়।
চিকিৎসক ও জীবনযাপন বিশেষজ্ঞদের মতে, সকালের রুটিন ঠিক না থাকলে তার প্রভাব পড়ে হরমোন, ত্বক ও মানসিক স্বাস্থ্যে। ফল হিসেবে বয়সের তুলনায় চেহারায় ক্লান্তি ও বয়স্ক ভাব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। জেনে নেওয়া যাক, এমনই কয়েকটি অভ্যাসের কথা।
নাস্তা বাদ দেওয়ার অভ্যাস
সকালে সময়ের অভাবে অনেকেই নাস্তা এড়িয়ে যান, কেউ কেউ আবার দেরিতে খাওয়াকে অভ্যাসে পরিণত করেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকলে শরীরে স্ট্রেস হরমোন কার্টিজলের মাত্রা বেড়ে যায়। একই সঙ্গে ধীর হয়ে পড়ে হজমক্ষমতা। এর প্রভাব পড়ে ত্বকে— নিস্তেজ ভাব, শুষ্কতা ও বয়সের ছাপ দ্রুত স্পষ্ট হতে থাকে।
ঘুম ভেঙেই ফোনে চোখ রাখা
ঘুম ভাঙার পরপরই ফোনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা খবর দেখার অভ্যাস আজকাল খুব পরিচিত। কিন্তু এই অভ্যাস মানসিক প্রশান্তির জন্য মোটেও ভালো নয়। ফোনের নীল আলো এবং নানা নেতিবাচক তথ্য মস্তিষ্কে বাড়তি চাপ তৈরি করে। ফলে সকাল শুরু হয় অস্থিরতা দিয়ে, যার ছাপ পড়ে মুখে ও চোখের নিচে।
খালি পেটে কফি পান
অনেকের কাছে কফি ছাড়া সকালই শুরু হয় না। তবে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে কফি খাওয়া শরীরের জন্য ক্ষতিকর। এতে অ্যাসিডিটি বাড়ে, হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। দীর্ঘদিন এই অভ্যাস চললে ত্বক ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে পড়ে, কুঁচকানো ভাবও দ্রুত দেখা দেয়।
দেরিতে ঘুম থেকে ওঠা, রোদ এড়িয়ে চলা
যাঁরা দেরিতে ঘুম থেকে ওঠেন, তাঁরা ভোরের নরম রোদ থেকে বঞ্চিত হন। অথচ সূর্যের আলো শরীরের জন্য খুবই জরুরি। ভোরের রোদ ভিটামিন ডি তৈরিতে সাহায্য করে এবং ত্বকের স্বাভাবিক সজীবতা ধরে রাখতে ভূমিকা রাখে। নিয়মিত রোদ না পেলে শরীরে ক্লান্তি বাড়ে, চেহারায়ও বয়সের ছাপ পড়ে তাড়াতাড়ি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়স থামানো না গেলেও জীবনযাপনের অভ্যাস বদলে তার ছাপ অনেকটাই ধীর করা যায়। দিনের শুরুটা যদি সচেতনভাবে করা যায়, তাহলে শরীর ও ত্বক দুটিই দীর্ঘদিন সুস্থ ও সতেজ রাখা সম্ভব।




