প্রাক্তনকে ভুলতে পারছেন না, জানুন করণীয়

প্রাক্তনকে ভুলতে পারছেন না, জানুন করণীয়
সিটিজেন-ডেস্ক

একটি সম্পর্ক যখন শেষ হয়ে যায় তখন অনেকেই মনে করেন সবকিছু সহজেই পেছনে ফেলে এগিয়ে যাওয়া যাবে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। সম্পর্ক ভাঙার পরও প্রাক্তনের স্মৃতি, কথা কিংবা অভ্যাস বারবার মনে পড়ে—এটাই স্বাভাবিক। তবুও দীর্ঘদিন ধরে এই অনুভূতিতে আটকে থাকলে মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে।
তবে কিছু বিষয় মেনে চললে প্রাক্তনকে সহজেই ভুলে থাকা সম্ভব।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রথমেই মেনে নিতে হবে যে সম্পর্কটি শেষ। অস্বীকার না করে বাস্তবতাকে গ্রহণ করাই সুস্থ হয়ে ওঠার প্রথম ধাপ।
এরপর নিজেকে সময় দিন—হঠাৎ করে সব ভুলে যাওয়ার চাপ নেবেন না। কষ্ট, রাগ বা হতাশা— যে অনুভূতিই আসুক, তা প্রকাশ করতে দিন নিজেকে।
প্রাক্তনের সঙ্গে যোগাযোগ সীমিত করাও জরুরি। বারবার খোঁজ নেওয়া বা সামাজিকমাধ্যমে নজর রাখা মানসিক জটিলতা বাড়ায়। প্রয়োজনে কিছুদিন সামাজিকমাধ্যম থেকে দূরে থাকুন। প্রবাদে আছে, ‘আউট অব সাইট, আউট অব মাইন্ড’।
পাশাপাশি নিজের দৈনন্দিন রুটিনে পরিবর্তন আনুন। নতুন শখ, বই পড়া, শরীরচর্চা বা ভ্রমণ মনকে অন্যদিকে ব্যস্ত রাখতে সাহায্য করে। দরকার হলে একাই ঘুরতে যান, যেখানে গেলে আপনার ভালো লাগবে এরকম জায়গাগুলোর তালিকা করে নিন। ‘ডু সামথিং নিউ (নতুন কিছু করো)’ কথাটি হোক আপনার নতুন ট্যাগলাইন।
বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো অত্যন্ত কার্যকর। নিজের অনুভূতি বিশ্বাসযোগ্য কারও সঙ্গে ভাগ করলে মন হালকা হয়। তবে যারা অতীত নিয়ে বারবার বিষাক্ত মন্তব্য করে তাদের সঙ্গে দূরত্ব রাখা জরুরি।
নিজের জীবনের ছোট ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করুন, ছোট ছোট জয়ের আনন্দ উপভোগ করুন।
যদি এরপরও মনে হয় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাচ্ছে, হতাশা কমছে না, তবে দ্রুত মনোরোগ বিশেষজ্ঞের সহায়তা নিন।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিজেকে দোষারোপ না করা। প্রতিটি সম্পর্কই কিছু শেখায়। সেই অভিজ্ঞতাকে গ্রহণ করে নিজের যত্ন নিলে ধীরে ধীরে অতীতের ভার হালকা হবে, আর সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথও সহজ হবে।

একটি সম্পর্ক যখন শেষ হয়ে যায় তখন অনেকেই মনে করেন সবকিছু সহজেই পেছনে ফেলে এগিয়ে যাওয়া যাবে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। সম্পর্ক ভাঙার পরও প্রাক্তনের স্মৃতি, কথা কিংবা অভ্যাস বারবার মনে পড়ে—এটাই স্বাভাবিক। তবুও দীর্ঘদিন ধরে এই অনুভূতিতে আটকে থাকলে মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে।
তবে কিছু বিষয় মেনে চললে প্রাক্তনকে সহজেই ভুলে থাকা সম্ভব।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রথমেই মেনে নিতে হবে যে সম্পর্কটি শেষ। অস্বীকার না করে বাস্তবতাকে গ্রহণ করাই সুস্থ হয়ে ওঠার প্রথম ধাপ।
এরপর নিজেকে সময় দিন—হঠাৎ করে সব ভুলে যাওয়ার চাপ নেবেন না। কষ্ট, রাগ বা হতাশা— যে অনুভূতিই আসুক, তা প্রকাশ করতে দিন নিজেকে।
প্রাক্তনের সঙ্গে যোগাযোগ সীমিত করাও জরুরি। বারবার খোঁজ নেওয়া বা সামাজিকমাধ্যমে নজর রাখা মানসিক জটিলতা বাড়ায়। প্রয়োজনে কিছুদিন সামাজিকমাধ্যম থেকে দূরে থাকুন। প্রবাদে আছে, ‘আউট অব সাইট, আউট অব মাইন্ড’।
পাশাপাশি নিজের দৈনন্দিন রুটিনে পরিবর্তন আনুন। নতুন শখ, বই পড়া, শরীরচর্চা বা ভ্রমণ মনকে অন্যদিকে ব্যস্ত রাখতে সাহায্য করে। দরকার হলে একাই ঘুরতে যান, যেখানে গেলে আপনার ভালো লাগবে এরকম জায়গাগুলোর তালিকা করে নিন। ‘ডু সামথিং নিউ (নতুন কিছু করো)’ কথাটি হোক আপনার নতুন ট্যাগলাইন।
বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো অত্যন্ত কার্যকর। নিজের অনুভূতি বিশ্বাসযোগ্য কারও সঙ্গে ভাগ করলে মন হালকা হয়। তবে যারা অতীত নিয়ে বারবার বিষাক্ত মন্তব্য করে তাদের সঙ্গে দূরত্ব রাখা জরুরি।
নিজের জীবনের ছোট ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করুন, ছোট ছোট জয়ের আনন্দ উপভোগ করুন।
যদি এরপরও মনে হয় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাচ্ছে, হতাশা কমছে না, তবে দ্রুত মনোরোগ বিশেষজ্ঞের সহায়তা নিন।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিজেকে দোষারোপ না করা। প্রতিটি সম্পর্কই কিছু শেখায়। সেই অভিজ্ঞতাকে গ্রহণ করে নিজের যত্ন নিলে ধীরে ধীরে অতীতের ভার হালকা হবে, আর সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথও সহজ হবে।

প্রাক্তনকে ভুলতে পারছেন না, জানুন করণীয়
সিটিজেন-ডেস্ক

একটি সম্পর্ক যখন শেষ হয়ে যায় তখন অনেকেই মনে করেন সবকিছু সহজেই পেছনে ফেলে এগিয়ে যাওয়া যাবে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। সম্পর্ক ভাঙার পরও প্রাক্তনের স্মৃতি, কথা কিংবা অভ্যাস বারবার মনে পড়ে—এটাই স্বাভাবিক। তবুও দীর্ঘদিন ধরে এই অনুভূতিতে আটকে থাকলে মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে।
তবে কিছু বিষয় মেনে চললে প্রাক্তনকে সহজেই ভুলে থাকা সম্ভব।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রথমেই মেনে নিতে হবে যে সম্পর্কটি শেষ। অস্বীকার না করে বাস্তবতাকে গ্রহণ করাই সুস্থ হয়ে ওঠার প্রথম ধাপ।
এরপর নিজেকে সময় দিন—হঠাৎ করে সব ভুলে যাওয়ার চাপ নেবেন না। কষ্ট, রাগ বা হতাশা— যে অনুভূতিই আসুক, তা প্রকাশ করতে দিন নিজেকে।
প্রাক্তনের সঙ্গে যোগাযোগ সীমিত করাও জরুরি। বারবার খোঁজ নেওয়া বা সামাজিকমাধ্যমে নজর রাখা মানসিক জটিলতা বাড়ায়। প্রয়োজনে কিছুদিন সামাজিকমাধ্যম থেকে দূরে থাকুন। প্রবাদে আছে, ‘আউট অব সাইট, আউট অব মাইন্ড’।
পাশাপাশি নিজের দৈনন্দিন রুটিনে পরিবর্তন আনুন। নতুন শখ, বই পড়া, শরীরচর্চা বা ভ্রমণ মনকে অন্যদিকে ব্যস্ত রাখতে সাহায্য করে। দরকার হলে একাই ঘুরতে যান, যেখানে গেলে আপনার ভালো লাগবে এরকম জায়গাগুলোর তালিকা করে নিন। ‘ডু সামথিং নিউ (নতুন কিছু করো)’ কথাটি হোক আপনার নতুন ট্যাগলাইন।
বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো অত্যন্ত কার্যকর। নিজের অনুভূতি বিশ্বাসযোগ্য কারও সঙ্গে ভাগ করলে মন হালকা হয়। তবে যারা অতীত নিয়ে বারবার বিষাক্ত মন্তব্য করে তাদের সঙ্গে দূরত্ব রাখা জরুরি।
নিজের জীবনের ছোট ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করুন, ছোট ছোট জয়ের আনন্দ উপভোগ করুন।
যদি এরপরও মনে হয় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাচ্ছে, হতাশা কমছে না, তবে দ্রুত মনোরোগ বিশেষজ্ঞের সহায়তা নিন।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিজেকে দোষারোপ না করা। প্রতিটি সম্পর্কই কিছু শেখায়। সেই অভিজ্ঞতাকে গ্রহণ করে নিজের যত্ন নিলে ধীরে ধীরে অতীতের ভার হালকা হবে, আর সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথও সহজ হবে।




