ইরানে বিক্ষোভ, নিহত বেড়ে ৬২

ইরানে বিক্ষোভ, নিহত বেড়ে ৬২
সিটিজেন-ডেস্ক

দ্রব্যমূল্যের লাগামছাড়া ঊর্ধ্বগতি ও গভীর অর্থনৈতিক সংকটের প্রতিবাদে ইরানজুড়ে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভে নিহত ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬২ জনে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে অন্তত ৪৮ জন বিক্ষোভকারী এবং ১৪ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ) জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ২ হাজার ২৭৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নরওয়েভিভিত্তিক সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটস (আইএইচআরএনজিও) জানিয়েছে, তারা অন্তত ৫১ জন বিক্ষোভকারীর নিহত হওয়ার তথ্য পেয়েছে, যাদের মধ্যে ৯টি শিশু রয়েছে। এদিকে বিবিসি ফারসি ২২ জন নিহত ব্যক্তির পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করেছে।
গত ২৮ ডিসেম্বর রাজধানী তেহরানে শুরু হওয়া এই আন্দোলন এখন দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। ইরানি রিয়ালের ভয়াবহ দরপতন, নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ও অসহনীয় জীবনযাত্রার ব্যয় মানুষকে রাস্তায় নামিয়েছে। বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভকারীরা রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ভবন, ব্যাংক, মেট্রো স্টেশন, বাস, ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলে আগুন দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে এবং ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, ফলে প্রকৃত চিত্র পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর হিসাবে, বিক্ষোভের ১৩তম দিনে শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ইরানের ৩১টি প্রদেশের সবগুলোতে বিক্ষোভ হয়েছে। রাজধানীসহ শতাধিক শহরে আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন শিক্ষার্থী, তরুণ ও নারীরা।
বিক্ষোভের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি আবারও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান ‘বড় বিপদের’ মুখে রয়েছে এবং প্রয়োজনে তিনি সামরিক হামলার নির্দেশ দিতে পারেন। হোয়াইট হাউসে তিনি বলেন, ‘মানুষ এমন কিছু শহর দখল করছে, যা কয়েক সপ্তাহ আগেও কল্পনা করা যায়নি।’
অন্যদিকে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি অভিযোগ করেছেন, বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্পের পক্ষে কাজ করছে। সরকারপক্ষ থেকেও বিভিন্ন স্থানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দ্রব্যমূল্যের লাগামছাড়া ঊর্ধ্বগতি ও গভীর অর্থনৈতিক সংকটের প্রতিবাদে ইরানজুড়ে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভে নিহত ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬২ জনে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে অন্তত ৪৮ জন বিক্ষোভকারী এবং ১৪ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ) জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ২ হাজার ২৭৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নরওয়েভিভিত্তিক সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটস (আইএইচআরএনজিও) জানিয়েছে, তারা অন্তত ৫১ জন বিক্ষোভকারীর নিহত হওয়ার তথ্য পেয়েছে, যাদের মধ্যে ৯টি শিশু রয়েছে। এদিকে বিবিসি ফারসি ২২ জন নিহত ব্যক্তির পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করেছে।
গত ২৮ ডিসেম্বর রাজধানী তেহরানে শুরু হওয়া এই আন্দোলন এখন দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। ইরানি রিয়ালের ভয়াবহ দরপতন, নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ও অসহনীয় জীবনযাত্রার ব্যয় মানুষকে রাস্তায় নামিয়েছে। বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভকারীরা রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ভবন, ব্যাংক, মেট্রো স্টেশন, বাস, ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলে আগুন দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে এবং ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, ফলে প্রকৃত চিত্র পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর হিসাবে, বিক্ষোভের ১৩তম দিনে শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ইরানের ৩১টি প্রদেশের সবগুলোতে বিক্ষোভ হয়েছে। রাজধানীসহ শতাধিক শহরে আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন শিক্ষার্থী, তরুণ ও নারীরা।
বিক্ষোভের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি আবারও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান ‘বড় বিপদের’ মুখে রয়েছে এবং প্রয়োজনে তিনি সামরিক হামলার নির্দেশ দিতে পারেন। হোয়াইট হাউসে তিনি বলেন, ‘মানুষ এমন কিছু শহর দখল করছে, যা কয়েক সপ্তাহ আগেও কল্পনা করা যায়নি।’
অন্যদিকে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি অভিযোগ করেছেন, বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্পের পক্ষে কাজ করছে। সরকারপক্ষ থেকেও বিভিন্ন স্থানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ইরানে বিক্ষোভ, নিহত বেড়ে ৬২
সিটিজেন-ডেস্ক

দ্রব্যমূল্যের লাগামছাড়া ঊর্ধ্বগতি ও গভীর অর্থনৈতিক সংকটের প্রতিবাদে ইরানজুড়ে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভে নিহত ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬২ জনে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে অন্তত ৪৮ জন বিক্ষোভকারী এবং ১৪ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ) জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ২ হাজার ২৭৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নরওয়েভিভিত্তিক সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটস (আইএইচআরএনজিও) জানিয়েছে, তারা অন্তত ৫১ জন বিক্ষোভকারীর নিহত হওয়ার তথ্য পেয়েছে, যাদের মধ্যে ৯টি শিশু রয়েছে। এদিকে বিবিসি ফারসি ২২ জন নিহত ব্যক্তির পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করেছে।
গত ২৮ ডিসেম্বর রাজধানী তেহরানে শুরু হওয়া এই আন্দোলন এখন দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। ইরানি রিয়ালের ভয়াবহ দরপতন, নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ও অসহনীয় জীবনযাত্রার ব্যয় মানুষকে রাস্তায় নামিয়েছে। বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভকারীরা রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ভবন, ব্যাংক, মেট্রো স্টেশন, বাস, ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলে আগুন দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে এবং ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, ফলে প্রকৃত চিত্র পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর হিসাবে, বিক্ষোভের ১৩তম দিনে শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ইরানের ৩১টি প্রদেশের সবগুলোতে বিক্ষোভ হয়েছে। রাজধানীসহ শতাধিক শহরে আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন শিক্ষার্থী, তরুণ ও নারীরা।
বিক্ষোভের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি আবারও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান ‘বড় বিপদের’ মুখে রয়েছে এবং প্রয়োজনে তিনি সামরিক হামলার নির্দেশ দিতে পারেন। হোয়াইট হাউসে তিনি বলেন, ‘মানুষ এমন কিছু শহর দখল করছে, যা কয়েক সপ্তাহ আগেও কল্পনা করা যায়নি।’
অন্যদিকে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি অভিযোগ করেছেন, বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্পের পক্ষে কাজ করছে। সরকারপক্ষ থেকেও বিভিন্ন স্থানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।




