বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে বের হয়ে গেল যুক্তরাষ্ট্র

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে বের হয়ে গেল যুক্তরাষ্ট্র
সিটিজেন-ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বের হয়ে গেছে। ট্রাম্প প্রশাসন গতকাল বৃহস্পতিবার সংস্থাটি থেকে বের হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার ঘোষণা দেয়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ডব্লিউএইচও থেকে বের হয়ে আসার বিষয়ে প্রক্রিয়া শুরুর বিষয়ে এক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করার পর এক বছরের মাথায় এই সিদ্ধান্ত এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগ (এইচএইচএস) এবং পররাষ্ট্র দপ্তর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগ এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, ডব্লিউএইচও তাদের মূল লক্ষ্য থেকে সরে গেছে। সংস্থাটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের সুরক্ষা বিষয়ক স্বার্থবিরোধী কাজ করেছে।
ওই কর্মকর্তা আরও বলেছেন, কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় ডব্লিউএইচওর ভূমিকা সমালোচিত হয়েছে। ডব্লিউএইচও কোভিড-১৯-কে বৈশ্বিক স্বাস্থ্য ঝুঁকি হিসেবে ঘোষণা করতে দেরি করেছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ডব্লিউএইচওতে চীন ও অন্য দেশগুলোর তুলনায় বেশি অনুদান দিয়েছে। ডব্লিউওএচওর ইতিহাসে কখনো কোনো মার্কিন নাগরিক ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক হননি নি।
জাতিসংঘের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো দেশ ডব্লিউএইচও ছাড়ার এক বছর আগে কর্তৃপক্ষকে জানাতে বাধ্য। ট্রাম্প গত বছর নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করলে যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি ডব্লিউএইচওকে জানিয়েছিল।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪–২৫ সময়কালের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ঘোষিত ২৭ কোটি ডলারের বেশি অনুদান বকেয়া আছে।
এইচএইচএসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, ট্রাম্প প্রশাসন মনে করে ডব্লিউএইচওর সংবিধান অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র আইনগতভাবে এই অর্থ পরিশোধে বাধ্য নয়।
তবে ডব্লিউএইচও থেকে যুক্তরাষ্টের সরে যাওয়ার বিষয়টির সমালোচনা করে জনস্বসাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, বিষয়টি দেশ এবং বিদেশে যখন বড়ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিবে তধন যুক্তরাষ্ট্রকে তা মোকাবিলার ক্ষেত্রে অসুবিধায় ফেলবে।
এইচএইচএসের এক কর্মকর্তা বলেছেন, ৬৩টি দেশে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগের দুই হাজারের বেশি কর্মী রয়েছে। শতাধিক দেশের সঙ্গে তাদের দ্বিপক্ষীয় চুক্তি রয়েছে।
ডব্লিউএইচওর এক মুখপাত্র বলেছেন, ডব্লিউএইচও থেকে ক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহারের বিষয়টি নিয়ে ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকে সংস্থার নির্বাহী বোর্ডের সভায় আলোচনা হবে। পরিচালনা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তথ্যসূত্র: এবিসি নিউজ

যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বের হয়ে গেছে। ট্রাম্প প্রশাসন গতকাল বৃহস্পতিবার সংস্থাটি থেকে বের হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার ঘোষণা দেয়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ডব্লিউএইচও থেকে বের হয়ে আসার বিষয়ে প্রক্রিয়া শুরুর বিষয়ে এক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করার পর এক বছরের মাথায় এই সিদ্ধান্ত এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগ (এইচএইচএস) এবং পররাষ্ট্র দপ্তর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগ এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, ডব্লিউএইচও তাদের মূল লক্ষ্য থেকে সরে গেছে। সংস্থাটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের সুরক্ষা বিষয়ক স্বার্থবিরোধী কাজ করেছে।
ওই কর্মকর্তা আরও বলেছেন, কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় ডব্লিউএইচওর ভূমিকা সমালোচিত হয়েছে। ডব্লিউএইচও কোভিড-১৯-কে বৈশ্বিক স্বাস্থ্য ঝুঁকি হিসেবে ঘোষণা করতে দেরি করেছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ডব্লিউএইচওতে চীন ও অন্য দেশগুলোর তুলনায় বেশি অনুদান দিয়েছে। ডব্লিউওএচওর ইতিহাসে কখনো কোনো মার্কিন নাগরিক ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক হননি নি।
জাতিসংঘের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো দেশ ডব্লিউএইচও ছাড়ার এক বছর আগে কর্তৃপক্ষকে জানাতে বাধ্য। ট্রাম্প গত বছর নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করলে যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি ডব্লিউএইচওকে জানিয়েছিল।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪–২৫ সময়কালের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ঘোষিত ২৭ কোটি ডলারের বেশি অনুদান বকেয়া আছে।
এইচএইচএসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, ট্রাম্প প্রশাসন মনে করে ডব্লিউএইচওর সংবিধান অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র আইনগতভাবে এই অর্থ পরিশোধে বাধ্য নয়।
তবে ডব্লিউএইচও থেকে যুক্তরাষ্টের সরে যাওয়ার বিষয়টির সমালোচনা করে জনস্বসাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, বিষয়টি দেশ এবং বিদেশে যখন বড়ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিবে তধন যুক্তরাষ্ট্রকে তা মোকাবিলার ক্ষেত্রে অসুবিধায় ফেলবে।
এইচএইচএসের এক কর্মকর্তা বলেছেন, ৬৩টি দেশে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগের দুই হাজারের বেশি কর্মী রয়েছে। শতাধিক দেশের সঙ্গে তাদের দ্বিপক্ষীয় চুক্তি রয়েছে।
ডব্লিউএইচওর এক মুখপাত্র বলেছেন, ডব্লিউএইচও থেকে ক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহারের বিষয়টি নিয়ে ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকে সংস্থার নির্বাহী বোর্ডের সভায় আলোচনা হবে। পরিচালনা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তথ্যসূত্র: এবিসি নিউজ

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে বের হয়ে গেল যুক্তরাষ্ট্র
সিটিজেন-ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বের হয়ে গেছে। ট্রাম্প প্রশাসন গতকাল বৃহস্পতিবার সংস্থাটি থেকে বের হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার ঘোষণা দেয়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ডব্লিউএইচও থেকে বের হয়ে আসার বিষয়ে প্রক্রিয়া শুরুর বিষয়ে এক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করার পর এক বছরের মাথায় এই সিদ্ধান্ত এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগ (এইচএইচএস) এবং পররাষ্ট্র দপ্তর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগ এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, ডব্লিউএইচও তাদের মূল লক্ষ্য থেকে সরে গেছে। সংস্থাটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের সুরক্ষা বিষয়ক স্বার্থবিরোধী কাজ করেছে।
ওই কর্মকর্তা আরও বলেছেন, কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় ডব্লিউএইচওর ভূমিকা সমালোচিত হয়েছে। ডব্লিউএইচও কোভিড-১৯-কে বৈশ্বিক স্বাস্থ্য ঝুঁকি হিসেবে ঘোষণা করতে দেরি করেছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ডব্লিউএইচওতে চীন ও অন্য দেশগুলোর তুলনায় বেশি অনুদান দিয়েছে। ডব্লিউওএচওর ইতিহাসে কখনো কোনো মার্কিন নাগরিক ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক হননি নি।
জাতিসংঘের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো দেশ ডব্লিউএইচও ছাড়ার এক বছর আগে কর্তৃপক্ষকে জানাতে বাধ্য। ট্রাম্প গত বছর নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করলে যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি ডব্লিউএইচওকে জানিয়েছিল।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪–২৫ সময়কালের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ঘোষিত ২৭ কোটি ডলারের বেশি অনুদান বকেয়া আছে।
এইচএইচএসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, ট্রাম্প প্রশাসন মনে করে ডব্লিউএইচওর সংবিধান অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র আইনগতভাবে এই অর্থ পরিশোধে বাধ্য নয়।
তবে ডব্লিউএইচও থেকে যুক্তরাষ্টের সরে যাওয়ার বিষয়টির সমালোচনা করে জনস্বসাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, বিষয়টি দেশ এবং বিদেশে যখন বড়ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিবে তধন যুক্তরাষ্ট্রকে তা মোকাবিলার ক্ষেত্রে অসুবিধায় ফেলবে।
এইচএইচএসের এক কর্মকর্তা বলেছেন, ৬৩টি দেশে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগের দুই হাজারের বেশি কর্মী রয়েছে। শতাধিক দেশের সঙ্গে তাদের দ্বিপক্ষীয় চুক্তি রয়েছে।
ডব্লিউএইচওর এক মুখপাত্র বলেছেন, ডব্লিউএইচও থেকে ক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহারের বিষয়টি নিয়ে ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকে সংস্থার নির্বাহী বোর্ডের সভায় আলোচনা হবে। পরিচালনা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তথ্যসূত্র: এবিসি নিউজ




