গ্রন্থকেন্দ্রের আফসানা বেগমকে অব্যাহতি, নতুন পরিচালক সাখাওয়াত টিপু

গ্রন্থকেন্দ্রের আফসানা বেগমকে অব্যাহতি, নতুন পরিচালক সাখাওয়াত টিপু
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক পদ থেকে আফসানা বেগমকে কোনো ধরনের ‘কারণ ব্যাখ্যা’ না করেই অব্যাহতি দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। তার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন কবি ও প্রবন্ধকার এ এইচ এম সাখাওয়াত উল্লাহ। তিনি সাখাওয়াত টিপু নামে পরিচিত।
মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পৃথক প্রজ্ঞাপনে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
একটি প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখের প্রজ্ঞাপনমূলে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র-এর পরিচালক পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগকৃত আফসানা বেগম-এর নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করা হলো।
সরকার যখন এই প্রজ্ঞাপন জারি করেছে, তখন আফসানা বেগম তার সহকর্মীদের সঙ্গে চার দিনের একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় কক্সবাজারে অবস্থান করছিলেন।
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পান আফসানা বেগম। তখন এই নিয়োগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, অন্যান্য প্রতিষ্ঠান-সংগঠনের সঙ্গে কর্মসম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে এই নিয়োগ দেওয়া হলো। নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দিয়ে নির্ধারিত হবে। তার মেয়াদ হবে দুই বছর।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে আফসানা বেগম গণমাধ্যমকে জানান, ২৫ জন সহকর্মীকে নিয়ে তিনি একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এসেছেন। চার দিনের কর্মশালায় তিন দিন হয়েছে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এক সহকর্মীর মাধ্যমে তিনি অব্যহতির বিষয়টি জানতে পারেন। এরপর তিনি ঢাকায় ফিরে আসছেন।
আফসানা বেগম বলেন, আমাকে কোনো রকম ‘কারণ দর্শানোর’ নোটিস ছাড়াই এটি করা হয়েছে। সরকার যে কোনো সময় নিয়োগ বাতিল করার এখতিয়ার রাখে, সরকার বাতিল করেছে। এখন আমার আর কিছুই বলার নাই।
তিনি বলেন, আমি দুই বছরের জন্য নিয়োগ পেয়েছিলাম, সেই অনুযায়ী কাজের পরিকল্পনা করে এগুচ্ছিলাম। এখন কিছু কাজ অর্ধ-সমাপ্ত রেখেই চলে যেতে হচ্ছে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন আফসানা বেগম পরে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ব্যবস্থাপনা বিষয়ে স্নাতকোত্তর করেন যুক্তরাজ্যের নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ে।
শিশু-কিশোরসাহিত্যসহ আফসানা বেগমের বইয়ের সংখ্যা ২৪। উল্লেখযোগ্য বই– প্রতিচ্ছায়া, বেদনার আমরা সন্তান, আমি অথবা আমার ছায়া, দিনগত কপটতা। অনুবাদ করেছেন– নাদিন গড়িমার, উইলিয়াম ফকনার, হুলিও কোর্তাসার, অ্যালিস মানরো, আইজাক আসিমভ, ফিদেল কাস্ত্রো। ২০১৪ সালে পেয়েছেন জেমকন তরুণ কথাসাহিত্য পুরস্কার।
সাখাওয়াত টিপুকে এক বছর মেয়াদে নিয়োগ
মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আরেক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, এ এইচ এম সাখাওয়াত উল্লাহকে অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্মসম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে এক বছর মেয়াদে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হলো। এই নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে। জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হলো।

জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক পদ থেকে আফসানা বেগমকে কোনো ধরনের ‘কারণ ব্যাখ্যা’ না করেই অব্যাহতি দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। তার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন কবি ও প্রবন্ধকার এ এইচ এম সাখাওয়াত উল্লাহ। তিনি সাখাওয়াত টিপু নামে পরিচিত।
মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পৃথক প্রজ্ঞাপনে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
একটি প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখের প্রজ্ঞাপনমূলে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র-এর পরিচালক পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগকৃত আফসানা বেগম-এর নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করা হলো।
সরকার যখন এই প্রজ্ঞাপন জারি করেছে, তখন আফসানা বেগম তার সহকর্মীদের সঙ্গে চার দিনের একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় কক্সবাজারে অবস্থান করছিলেন।
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পান আফসানা বেগম। তখন এই নিয়োগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, অন্যান্য প্রতিষ্ঠান-সংগঠনের সঙ্গে কর্মসম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে এই নিয়োগ দেওয়া হলো। নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দিয়ে নির্ধারিত হবে। তার মেয়াদ হবে দুই বছর।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে আফসানা বেগম গণমাধ্যমকে জানান, ২৫ জন সহকর্মীকে নিয়ে তিনি একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এসেছেন। চার দিনের কর্মশালায় তিন দিন হয়েছে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এক সহকর্মীর মাধ্যমে তিনি অব্যহতির বিষয়টি জানতে পারেন। এরপর তিনি ঢাকায় ফিরে আসছেন।
আফসানা বেগম বলেন, আমাকে কোনো রকম ‘কারণ দর্শানোর’ নোটিস ছাড়াই এটি করা হয়েছে। সরকার যে কোনো সময় নিয়োগ বাতিল করার এখতিয়ার রাখে, সরকার বাতিল করেছে। এখন আমার আর কিছুই বলার নাই।
তিনি বলেন, আমি দুই বছরের জন্য নিয়োগ পেয়েছিলাম, সেই অনুযায়ী কাজের পরিকল্পনা করে এগুচ্ছিলাম। এখন কিছু কাজ অর্ধ-সমাপ্ত রেখেই চলে যেতে হচ্ছে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন আফসানা বেগম পরে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ব্যবস্থাপনা বিষয়ে স্নাতকোত্তর করেন যুক্তরাজ্যের নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ে।
শিশু-কিশোরসাহিত্যসহ আফসানা বেগমের বইয়ের সংখ্যা ২৪। উল্লেখযোগ্য বই– প্রতিচ্ছায়া, বেদনার আমরা সন্তান, আমি অথবা আমার ছায়া, দিনগত কপটতা। অনুবাদ করেছেন– নাদিন গড়িমার, উইলিয়াম ফকনার, হুলিও কোর্তাসার, অ্যালিস মানরো, আইজাক আসিমভ, ফিদেল কাস্ত্রো। ২০১৪ সালে পেয়েছেন জেমকন তরুণ কথাসাহিত্য পুরস্কার।
সাখাওয়াত টিপুকে এক বছর মেয়াদে নিয়োগ
মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আরেক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, এ এইচ এম সাখাওয়াত উল্লাহকে অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্মসম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে এক বছর মেয়াদে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হলো। এই নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে। জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হলো।

গ্রন্থকেন্দ্রের আফসানা বেগমকে অব্যাহতি, নতুন পরিচালক সাখাওয়াত টিপু
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক পদ থেকে আফসানা বেগমকে কোনো ধরনের ‘কারণ ব্যাখ্যা’ না করেই অব্যাহতি দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। তার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন কবি ও প্রবন্ধকার এ এইচ এম সাখাওয়াত উল্লাহ। তিনি সাখাওয়াত টিপু নামে পরিচিত।
মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পৃথক প্রজ্ঞাপনে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
একটি প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখের প্রজ্ঞাপনমূলে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র-এর পরিচালক পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগকৃত আফসানা বেগম-এর নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করা হলো।
সরকার যখন এই প্রজ্ঞাপন জারি করেছে, তখন আফসানা বেগম তার সহকর্মীদের সঙ্গে চার দিনের একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় কক্সবাজারে অবস্থান করছিলেন।
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পান আফসানা বেগম। তখন এই নিয়োগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, অন্যান্য প্রতিষ্ঠান-সংগঠনের সঙ্গে কর্মসম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে এই নিয়োগ দেওয়া হলো। নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দিয়ে নির্ধারিত হবে। তার মেয়াদ হবে দুই বছর।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে আফসানা বেগম গণমাধ্যমকে জানান, ২৫ জন সহকর্মীকে নিয়ে তিনি একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এসেছেন। চার দিনের কর্মশালায় তিন দিন হয়েছে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এক সহকর্মীর মাধ্যমে তিনি অব্যহতির বিষয়টি জানতে পারেন। এরপর তিনি ঢাকায় ফিরে আসছেন।
আফসানা বেগম বলেন, আমাকে কোনো রকম ‘কারণ দর্শানোর’ নোটিস ছাড়াই এটি করা হয়েছে। সরকার যে কোনো সময় নিয়োগ বাতিল করার এখতিয়ার রাখে, সরকার বাতিল করেছে। এখন আমার আর কিছুই বলার নাই।
তিনি বলেন, আমি দুই বছরের জন্য নিয়োগ পেয়েছিলাম, সেই অনুযায়ী কাজের পরিকল্পনা করে এগুচ্ছিলাম। এখন কিছু কাজ অর্ধ-সমাপ্ত রেখেই চলে যেতে হচ্ছে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন আফসানা বেগম পরে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ব্যবস্থাপনা বিষয়ে স্নাতকোত্তর করেন যুক্তরাজ্যের নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ে।
শিশু-কিশোরসাহিত্যসহ আফসানা বেগমের বইয়ের সংখ্যা ২৪। উল্লেখযোগ্য বই– প্রতিচ্ছায়া, বেদনার আমরা সন্তান, আমি অথবা আমার ছায়া, দিনগত কপটতা। অনুবাদ করেছেন– নাদিন গড়িমার, উইলিয়াম ফকনার, হুলিও কোর্তাসার, অ্যালিস মানরো, আইজাক আসিমভ, ফিদেল কাস্ত্রো। ২০১৪ সালে পেয়েছেন জেমকন তরুণ কথাসাহিত্য পুরস্কার।
সাখাওয়াত টিপুকে এক বছর মেয়াদে নিয়োগ
মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আরেক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, এ এইচ এম সাখাওয়াত উল্লাহকে অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্মসম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে এক বছর মেয়াদে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হলো। এই নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে। জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হলো।




