সহিংসতামুক্ত নির্বাচন করতে রাজনৈতিক দলগুলোকে আহ্বান

সহিংসতামুক্ত নির্বাচন করতে রাজনৈতিক দলগুলোকে আহ্বান
নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্বাচনকালীন সহিংসতা রোধ এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও সহিংসতামুক্ত করতে রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ‘মানুষের জন্য আইনি সহায়তা ফাউন্ডেশন’ নামের এক সংগঠন।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ আহ্বান জানানো হয়।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শিব্বির আহমেদ, আমেরিকান বার ও ইন্টারন্যাশনাল বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ড. মুহাম্মাদ বিলাল হোসাইন, স্পেশালিস্ট ইএনটি ও হেড-নেক সার্জন ডা. এম. আরিফ মোর্শেদ খানসহ আরও অনেকে।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংবিধান ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ইকতেদার আহমেদ বলেন, ‘নির্বাচন একটি সাংবিধানিক অধিকার ও গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি। নির্বাচনকালীন সহিংসতা ভোটারদের মধ্যে ভয় সৃষ্টি করে এবং জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা সৃষ্টি করে। তাই সহিংসতা প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিরপেক্ষ ও পেশাদার ভূমিকা পালন করতে হবে।’
সংগঠনের চেয়ারম্যান আব্দুল বাতেন রাফি বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সহিংসতা শুধু রাজনৈতিক সংকট নয়, এটি একটি গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন। ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক সামসুদ্দোহা পিন্টু বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সহিংসতা প্রতিরোধে আইনি সহায়তা ও সচেতনতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই। ভুক্তভোগীদের দ্রুত আইনি সহায়তা দিতে আমাদের সংগঠন আগামীতেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।’

নির্বাচনকালীন সহিংসতা রোধ এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও সহিংসতামুক্ত করতে রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ‘মানুষের জন্য আইনি সহায়তা ফাউন্ডেশন’ নামের এক সংগঠন।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ আহ্বান জানানো হয়।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শিব্বির আহমেদ, আমেরিকান বার ও ইন্টারন্যাশনাল বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ড. মুহাম্মাদ বিলাল হোসাইন, স্পেশালিস্ট ইএনটি ও হেড-নেক সার্জন ডা. এম. আরিফ মোর্শেদ খানসহ আরও অনেকে।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংবিধান ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ইকতেদার আহমেদ বলেন, ‘নির্বাচন একটি সাংবিধানিক অধিকার ও গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি। নির্বাচনকালীন সহিংসতা ভোটারদের মধ্যে ভয় সৃষ্টি করে এবং জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা সৃষ্টি করে। তাই সহিংসতা প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিরপেক্ষ ও পেশাদার ভূমিকা পালন করতে হবে।’
সংগঠনের চেয়ারম্যান আব্দুল বাতেন রাফি বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সহিংসতা শুধু রাজনৈতিক সংকট নয়, এটি একটি গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন। ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক সামসুদ্দোহা পিন্টু বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সহিংসতা প্রতিরোধে আইনি সহায়তা ও সচেতনতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই। ভুক্তভোগীদের দ্রুত আইনি সহায়তা দিতে আমাদের সংগঠন আগামীতেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।’

সহিংসতামুক্ত নির্বাচন করতে রাজনৈতিক দলগুলোকে আহ্বান
নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্বাচনকালীন সহিংসতা রোধ এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও সহিংসতামুক্ত করতে রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ‘মানুষের জন্য আইনি সহায়তা ফাউন্ডেশন’ নামের এক সংগঠন।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ আহ্বান জানানো হয়।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শিব্বির আহমেদ, আমেরিকান বার ও ইন্টারন্যাশনাল বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ড. মুহাম্মাদ বিলাল হোসাইন, স্পেশালিস্ট ইএনটি ও হেড-নেক সার্জন ডা. এম. আরিফ মোর্শেদ খানসহ আরও অনেকে।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংবিধান ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ইকতেদার আহমেদ বলেন, ‘নির্বাচন একটি সাংবিধানিক অধিকার ও গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি। নির্বাচনকালীন সহিংসতা ভোটারদের মধ্যে ভয় সৃষ্টি করে এবং জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা সৃষ্টি করে। তাই সহিংসতা প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিরপেক্ষ ও পেশাদার ভূমিকা পালন করতে হবে।’
সংগঠনের চেয়ারম্যান আব্দুল বাতেন রাফি বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সহিংসতা শুধু রাজনৈতিক সংকট নয়, এটি একটি গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন। ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক সামসুদ্দোহা পিন্টু বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সহিংসতা প্রতিরোধে আইনি সহায়তা ও সচেতনতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই। ভুক্তভোগীদের দ্রুত আইনি সহায়তা দিতে আমাদের সংগঠন আগামীতেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।’




