বাংলাদেশের নির্বাচন সুষ্ঠু করতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে কংগ্রেসম্যানদের চিঠি

বাংলাদেশের নির্বাচন সুষ্ঠু করতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে কংগ্রেসম্যানদের চিঠি
সিটিজেন-ডেস্ক

বাংলাদেশে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি হতে যাওয়া জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরাপদ হয়, তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি সহায়তা এবং নিরপেক্ষ মনিটরিং দেওয়ার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক রুবিওকে চিঠি লিখেছেন দুইজন মার্কিন সিনিয়র কংগ্রেসম্যান জো উইলসন ও নাইল পাও।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) তারা এ চিঠি দেন।
চিঠিতে বাংলাদেশের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের সক্রিয় ভূমিকা কামনা করেছেন মার্কিন কংগ্রেসের এ সদস্যরা। চিঠিতে বলা হয়, ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ভোটাররা ব্যালটের মাধ্যমে নিজেদের মত প্রকাশ এবং দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ পাবেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া সংস্কারের ধারাবাহিকতায় এই নির্বাচন একটি ইতিবাচক অগ্রগতির সুযোগ তৈরি করেছে বলে উল্লেখ করা হয়। কংগ্রেস সদস্যরা পররাষ্ট্র দপ্তরকে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরাপদ করতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়ার অনুরোধ জানান।
চিঠিতে ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতাকে বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানের প্রথমবার ভোট হতে যাচ্ছে বলে চিঠিতে বলা হয়।
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ের হিসাব অনুযায়ী, আন্দোলনের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে এক হাজার চারশোর বেশি মানুষ নিহত হন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ২০১৮ ও ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু ছিল না বলেও চিঠিতে উল্লেখ করে।
সাম্প্রতিক সময়ে গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনের এক নেতার হত্যাকাণ্ড এবং এক শ্রমিককে জনতার হাতে পিটিয়ে হত্যার ঘটনাও তারা উল্লেখ করেন।
অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জবাবদিহিতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনীয় গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো পুনর্গঠনে তা সহায়ক হবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ১২ ফেব্রুয়ারির আগেই এ বিষয়ে একটি ব্রিফিং দেওয়ারও অনুরোধ করা হয়েছে।

বাংলাদেশে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি হতে যাওয়া জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরাপদ হয়, তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি সহায়তা এবং নিরপেক্ষ মনিটরিং দেওয়ার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক রুবিওকে চিঠি লিখেছেন দুইজন মার্কিন সিনিয়র কংগ্রেসম্যান জো উইলসন ও নাইল পাও।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) তারা এ চিঠি দেন।
চিঠিতে বাংলাদেশের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের সক্রিয় ভূমিকা কামনা করেছেন মার্কিন কংগ্রেসের এ সদস্যরা। চিঠিতে বলা হয়, ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ভোটাররা ব্যালটের মাধ্যমে নিজেদের মত প্রকাশ এবং দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ পাবেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া সংস্কারের ধারাবাহিকতায় এই নির্বাচন একটি ইতিবাচক অগ্রগতির সুযোগ তৈরি করেছে বলে উল্লেখ করা হয়। কংগ্রেস সদস্যরা পররাষ্ট্র দপ্তরকে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরাপদ করতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়ার অনুরোধ জানান।
চিঠিতে ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতাকে বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানের প্রথমবার ভোট হতে যাচ্ছে বলে চিঠিতে বলা হয়।
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ের হিসাব অনুযায়ী, আন্দোলনের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে এক হাজার চারশোর বেশি মানুষ নিহত হন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ২০১৮ ও ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু ছিল না বলেও চিঠিতে উল্লেখ করে।
সাম্প্রতিক সময়ে গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনের এক নেতার হত্যাকাণ্ড এবং এক শ্রমিককে জনতার হাতে পিটিয়ে হত্যার ঘটনাও তারা উল্লেখ করেন।
অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জবাবদিহিতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনীয় গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো পুনর্গঠনে তা সহায়ক হবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ১২ ফেব্রুয়ারির আগেই এ বিষয়ে একটি ব্রিফিং দেওয়ারও অনুরোধ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের নির্বাচন সুষ্ঠু করতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে কংগ্রেসম্যানদের চিঠি
সিটিজেন-ডেস্ক

বাংলাদেশে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি হতে যাওয়া জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরাপদ হয়, তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি সহায়তা এবং নিরপেক্ষ মনিটরিং দেওয়ার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক রুবিওকে চিঠি লিখেছেন দুইজন মার্কিন সিনিয়র কংগ্রেসম্যান জো উইলসন ও নাইল পাও।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) তারা এ চিঠি দেন।
চিঠিতে বাংলাদেশের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের সক্রিয় ভূমিকা কামনা করেছেন মার্কিন কংগ্রেসের এ সদস্যরা। চিঠিতে বলা হয়, ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ভোটাররা ব্যালটের মাধ্যমে নিজেদের মত প্রকাশ এবং দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ পাবেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া সংস্কারের ধারাবাহিকতায় এই নির্বাচন একটি ইতিবাচক অগ্রগতির সুযোগ তৈরি করেছে বলে উল্লেখ করা হয়। কংগ্রেস সদস্যরা পররাষ্ট্র দপ্তরকে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরাপদ করতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়ার অনুরোধ জানান।
চিঠিতে ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতাকে বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানের প্রথমবার ভোট হতে যাচ্ছে বলে চিঠিতে বলা হয়।
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ের হিসাব অনুযায়ী, আন্দোলনের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে এক হাজার চারশোর বেশি মানুষ নিহত হন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ২০১৮ ও ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু ছিল না বলেও চিঠিতে উল্লেখ করে।
সাম্প্রতিক সময়ে গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনের এক নেতার হত্যাকাণ্ড এবং এক শ্রমিককে জনতার হাতে পিটিয়ে হত্যার ঘটনাও তারা উল্লেখ করেন।
অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জবাবদিহিতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনীয় গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো পুনর্গঠনে তা সহায়ক হবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ১২ ফেব্রুয়ারির আগেই এ বিষয়ে একটি ব্রিফিং দেওয়ারও অনুরোধ করা হয়েছে।




