নির্বাচনে আগের চেয়ে ভালো সাড়া পাচ্ছি: আরিফুল

নির্বাচনে আগের চেয়ে ভালো সাড়া পাচ্ছি: আরিফুল
নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিজয়ী হলে মৌলিক খাতগুলোতেই আগে হাত দিতে চান আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, আল্লাহ যদি আমাকে নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ দেন, তাহলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও স্বাস্থ্যখাতের ন্যূনতম উন্নয়ন নিশ্চিত করার চেষ্টা করবো।
সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আরিফুল এবারই প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির প্রার্থী হিসেবে তিনি লড়ছেন সিলেট-৪ আসনে।
ভোটারদের সাড়া কেমন– এমন প্রশ্নে সিটিজেন জার্নালকে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, দিনশেষে এটুকু বলতে পারি, আগের চেয়ে ভালো সাড়া পাচ্ছি। টানা ১৭ থেকে ১৮ বছর কার্যকর নির্বাচন না হওয়ায় মানুষের আগ্রহ-উৎসাহ ম্লান হয়ে গিয়েছিল, সেটা ধীরে ধীরে আবার ফিরছে।
তার মতে, দীর্ঘদিন পর সিলেট-৪ আসনে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। মানুষের মধ্যে এখন একটা উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে। যদি এই পরিবেশটা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড হিসেবে বজায় থাকে, ইনশাআল্লাহ সুন্দরভাবেই নির্বাচন সম্পন্ন হবে।

আরিফুল হক মেয়র থাকাকালে নগর সংস্কার, খাল ও ছড়া উদ্ধার, হকার উচ্ছেদ কাজ করে আলোচনায় এসেছিলেন। শুধু উচ্ছেদেই থেমে থাকেননি– হকারদের জন্য বসারও স্থান করে দিয়েছিলেন। নগরে ফ্রি ওয়াইফাই ও সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে সিলেটকে দেশের প্রথম ‘স্মার্ট সিটি’ হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেন তিনি।
বিএনপি তার ওপরই ভরসা রেখেছে। তবে পথটা একেবারে মসৃণ নয়। কারণ, তিনি এই আসনের স্থায়ী বাসিন্দা নন। আসনটিতে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন জেলা বিএনপির উপদেষ্টা আব্দুল হাকিম চৌধুরী।
আরিফুলকে মনোনয়ন দেওয়ার পর শুরু হয় ‘লোকাল বনাম বহিরাগত’ বিতর্ক। প্রকাশ্যে ক্ষোভ জানান হাকিম সমর্থকরা। অবশেষে সেই জটিলতাও কাটে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কূটনৈতিক ভাষায় আরিফ বললেন, এটা সবার আন্তরিকতা আর সদিচ্ছার কারণেই সম্ভব হয়েছে।
নিজের আসনকে দেশের অনুন্নত এলাকা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, বর্ষা এলে তিনটি উপজেলাই পানিবন্দি হয়ে পড়ে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ কমাতে কাজ করবো। পাশাপাশি পর্যটন নগর হিসেবে এই এলাকার যে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে, তা রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি পায়নি। এই আসনটি বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা অঞ্চলের একটি।
চা শিল্প ও খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে বলেন, এই এলাকা খনিজ সম্পদে ভরপুর। যে সিদ্ধান্তগুলো দরকার, সেগুলো পার্লামেন্টে তুলে ধরব।
প্রসঙ্গত, সিলেট-৪ আসন জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানিগঞ্জ নিয়ে গঠিত।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিজয়ী হলে মৌলিক খাতগুলোতেই আগে হাত দিতে চান আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, আল্লাহ যদি আমাকে নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ দেন, তাহলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও স্বাস্থ্যখাতের ন্যূনতম উন্নয়ন নিশ্চিত করার চেষ্টা করবো।
সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আরিফুল এবারই প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির প্রার্থী হিসেবে তিনি লড়ছেন সিলেট-৪ আসনে।
ভোটারদের সাড়া কেমন– এমন প্রশ্নে সিটিজেন জার্নালকে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, দিনশেষে এটুকু বলতে পারি, আগের চেয়ে ভালো সাড়া পাচ্ছি। টানা ১৭ থেকে ১৮ বছর কার্যকর নির্বাচন না হওয়ায় মানুষের আগ্রহ-উৎসাহ ম্লান হয়ে গিয়েছিল, সেটা ধীরে ধীরে আবার ফিরছে।
তার মতে, দীর্ঘদিন পর সিলেট-৪ আসনে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। মানুষের মধ্যে এখন একটা উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে। যদি এই পরিবেশটা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড হিসেবে বজায় থাকে, ইনশাআল্লাহ সুন্দরভাবেই নির্বাচন সম্পন্ন হবে।

আরিফুল হক মেয়র থাকাকালে নগর সংস্কার, খাল ও ছড়া উদ্ধার, হকার উচ্ছেদ কাজ করে আলোচনায় এসেছিলেন। শুধু উচ্ছেদেই থেমে থাকেননি– হকারদের জন্য বসারও স্থান করে দিয়েছিলেন। নগরে ফ্রি ওয়াইফাই ও সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে সিলেটকে দেশের প্রথম ‘স্মার্ট সিটি’ হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেন তিনি।
বিএনপি তার ওপরই ভরসা রেখেছে। তবে পথটা একেবারে মসৃণ নয়। কারণ, তিনি এই আসনের স্থায়ী বাসিন্দা নন। আসনটিতে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন জেলা বিএনপির উপদেষ্টা আব্দুল হাকিম চৌধুরী।
আরিফুলকে মনোনয়ন দেওয়ার পর শুরু হয় ‘লোকাল বনাম বহিরাগত’ বিতর্ক। প্রকাশ্যে ক্ষোভ জানান হাকিম সমর্থকরা। অবশেষে সেই জটিলতাও কাটে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কূটনৈতিক ভাষায় আরিফ বললেন, এটা সবার আন্তরিকতা আর সদিচ্ছার কারণেই সম্ভব হয়েছে।
নিজের আসনকে দেশের অনুন্নত এলাকা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, বর্ষা এলে তিনটি উপজেলাই পানিবন্দি হয়ে পড়ে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ কমাতে কাজ করবো। পাশাপাশি পর্যটন নগর হিসেবে এই এলাকার যে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে, তা রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি পায়নি। এই আসনটি বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা অঞ্চলের একটি।
চা শিল্প ও খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে বলেন, এই এলাকা খনিজ সম্পদে ভরপুর। যে সিদ্ধান্তগুলো দরকার, সেগুলো পার্লামেন্টে তুলে ধরব।
প্রসঙ্গত, সিলেট-৪ আসন জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানিগঞ্জ নিয়ে গঠিত।

নির্বাচনে আগের চেয়ে ভালো সাড়া পাচ্ছি: আরিফুল
নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিজয়ী হলে মৌলিক খাতগুলোতেই আগে হাত দিতে চান আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, আল্লাহ যদি আমাকে নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ দেন, তাহলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও স্বাস্থ্যখাতের ন্যূনতম উন্নয়ন নিশ্চিত করার চেষ্টা করবো।
সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আরিফুল এবারই প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির প্রার্থী হিসেবে তিনি লড়ছেন সিলেট-৪ আসনে।
ভোটারদের সাড়া কেমন– এমন প্রশ্নে সিটিজেন জার্নালকে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, দিনশেষে এটুকু বলতে পারি, আগের চেয়ে ভালো সাড়া পাচ্ছি। টানা ১৭ থেকে ১৮ বছর কার্যকর নির্বাচন না হওয়ায় মানুষের আগ্রহ-উৎসাহ ম্লান হয়ে গিয়েছিল, সেটা ধীরে ধীরে আবার ফিরছে।
তার মতে, দীর্ঘদিন পর সিলেট-৪ আসনে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। মানুষের মধ্যে এখন একটা উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে। যদি এই পরিবেশটা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড হিসেবে বজায় থাকে, ইনশাআল্লাহ সুন্দরভাবেই নির্বাচন সম্পন্ন হবে।

আরিফুল হক মেয়র থাকাকালে নগর সংস্কার, খাল ও ছড়া উদ্ধার, হকার উচ্ছেদ কাজ করে আলোচনায় এসেছিলেন। শুধু উচ্ছেদেই থেমে থাকেননি– হকারদের জন্য বসারও স্থান করে দিয়েছিলেন। নগরে ফ্রি ওয়াইফাই ও সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে সিলেটকে দেশের প্রথম ‘স্মার্ট সিটি’ হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেন তিনি।
বিএনপি তার ওপরই ভরসা রেখেছে। তবে পথটা একেবারে মসৃণ নয়। কারণ, তিনি এই আসনের স্থায়ী বাসিন্দা নন। আসনটিতে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন জেলা বিএনপির উপদেষ্টা আব্দুল হাকিম চৌধুরী।
আরিফুলকে মনোনয়ন দেওয়ার পর শুরু হয় ‘লোকাল বনাম বহিরাগত’ বিতর্ক। প্রকাশ্যে ক্ষোভ জানান হাকিম সমর্থকরা। অবশেষে সেই জটিলতাও কাটে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কূটনৈতিক ভাষায় আরিফ বললেন, এটা সবার আন্তরিকতা আর সদিচ্ছার কারণেই সম্ভব হয়েছে।
নিজের আসনকে দেশের অনুন্নত এলাকা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, বর্ষা এলে তিনটি উপজেলাই পানিবন্দি হয়ে পড়ে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ কমাতে কাজ করবো। পাশাপাশি পর্যটন নগর হিসেবে এই এলাকার যে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে, তা রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি পায়নি। এই আসনটি বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা অঞ্চলের একটি।
চা শিল্প ও খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে বলেন, এই এলাকা খনিজ সম্পদে ভরপুর। যে সিদ্ধান্তগুলো দরকার, সেগুলো পার্লামেন্টে তুলে ধরব।
প্রসঙ্গত, সিলেট-৪ আসন জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানিগঞ্জ নিয়ে গঠিত।




