নির্বাচন ঘিরে সংখ্যালঘু নির্যাতনের আশঙ্কা হিন্দু মহাজোটের

নির্বাচন ঘিরে সংখ্যালঘু নির্যাতনের আশঙ্কা হিন্দু মহাজোটের
নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নৃশংস ও পরিকল্পিত হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন ও লুটপাটের অভিযোগ জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট। এ অবস্থায় নির্বাচনপূর্ব ও পরবর্তী সময়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের জানমাল, ঘরবাড়ি, মন্দির ও ধর্মীয় স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। ৭ দফা প্রস্তাবনাও দিয়েছে হিন্দু মহাজোট।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির নেতারা এসব দাবি তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের নির্বাহী মহাসচিব ও মুখপাত্র পলাশ কান্তি দে। তিনি বলেন, ‘দেশের প্রতিটি জাতীয় নির্বাচনই হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে আতঙ্কের নাম।’ অতীত অভিজ্ঞতা সুখকর নয় উল্লেখ করে বলেন, ‘নির্বাচন এলেই হিন্দুদের ঘরবাড়ি, মঠ-মন্দির, প্রতিমা ও নারীদের ওপর হামলা বেড়ে যায়। আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরেও একই ধরনের সহিংসতার আশঙ্কা রয়েছে।’
সংখ্যালঘু নির্যাতন দেশে একটি নিয়মিত প্রক্রিয়ায় পরিণত হয়েছে, যা সাম্প্রতিক সময়ে বহুগুণ বেড়েছে বলেও অভিযোগ করেন পলাশ কান্তি দে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হিন্দু ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানো, ধর্মীয় স্থাপনায় হামলা এবং পরাজয়ের অজুহাতে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর প্রতিশোধমূলক আক্রমণের প্রবণতা উদ্বেগজনক। অতীতে যেসব প্রার্থী বা রাজনৈতিক কর্মী সংখ্যালঘু নির্যাতনে জড়িত ছিলেন বা উসকানি দিয়েছেন, তারা যে দলেরই হোক না কেন, তাদের ভোট না দেওয়ার আহ্বান জানায় হিন্দু মহাজোট।
২৩ জানুয়ারি, শুক্রবার সারাদেশে সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হবে উল্লেখ করে সংগঠনটি অভিযোগ করে, ওই দিন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা রেখে পূজায় বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তারা সরস্বতী পূজার দিনে সব ধরনের পরীক্ষা স্থগিত রাখার দাবি জানিয়েছে।
ইতিমধ্যে জোটের পক্ষ থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সংখ্যালঘু ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে ৭ দফা প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবগুলো হলো- নির্বাচনের ১০ দিন আগে থেকে ১০ দিন পর পর্যন্ত সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বাড়তি নিরাপত্তা, নির্বাচনে সেনা মোতায়েন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নির্বাচনী প্রচার নিষিদ্ধ, ধর্মের অপব্যবহার বন্ধ, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আসনের ভোট স্থগিত ও তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ, নির্বাচন কমিশনে ও প্রতিটি জেলায় সংখ্যালঘু ও নারী ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মনিটরিং সেল গঠন এবং ভোটারদের নিরাপদে ভোট দিয়ে ঘরে ফেরার নিশ্চয়তা দেওয়া।
সংবাদ সম্মেলনে সাম্প্রতিক বিভিন্ন সহিংস ঘটনার উদাহরণ তুলে ধরে বলা হয়। হিন্দু মহাজোটের নেতারা বলেন, সরকার ও প্রশাসনের নিরবতা এবং সাম্প্রদায়িক শক্তিকে প্রশ্রয় দেওয়ার কারণেই সংখ্যালঘু নির্যাতন বন্ধ করা যাচ্ছে না।
সংবাদ সম্মেলন থেকে সরকার, নির্বাচন কমিশন ও রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেন সব সম্প্রদায়ের জন্য উৎসবমুখর ও ভয়হীন হয় সে আহ্বান জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ড. প্রভাস চন্দ্র রায়। এ সময় সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি ডিসি রায়, জগন্নাথ হালদার, যুগ্ম মহাসচিব সমীর সরকার, অখিল মণ্ডল, ফণিভূষণ হালদার, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. রামকৃষ্ণ দাসসহ কেন্দ্রীয়, যুব ও ছাত্র সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নৃশংস ও পরিকল্পিত হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন ও লুটপাটের অভিযোগ জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট। এ অবস্থায় নির্বাচনপূর্ব ও পরবর্তী সময়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের জানমাল, ঘরবাড়ি, মন্দির ও ধর্মীয় স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। ৭ দফা প্রস্তাবনাও দিয়েছে হিন্দু মহাজোট।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির নেতারা এসব দাবি তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের নির্বাহী মহাসচিব ও মুখপাত্র পলাশ কান্তি দে। তিনি বলেন, ‘দেশের প্রতিটি জাতীয় নির্বাচনই হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে আতঙ্কের নাম।’ অতীত অভিজ্ঞতা সুখকর নয় উল্লেখ করে বলেন, ‘নির্বাচন এলেই হিন্দুদের ঘরবাড়ি, মঠ-মন্দির, প্রতিমা ও নারীদের ওপর হামলা বেড়ে যায়। আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরেও একই ধরনের সহিংসতার আশঙ্কা রয়েছে।’
সংখ্যালঘু নির্যাতন দেশে একটি নিয়মিত প্রক্রিয়ায় পরিণত হয়েছে, যা সাম্প্রতিক সময়ে বহুগুণ বেড়েছে বলেও অভিযোগ করেন পলাশ কান্তি দে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হিন্দু ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানো, ধর্মীয় স্থাপনায় হামলা এবং পরাজয়ের অজুহাতে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর প্রতিশোধমূলক আক্রমণের প্রবণতা উদ্বেগজনক। অতীতে যেসব প্রার্থী বা রাজনৈতিক কর্মী সংখ্যালঘু নির্যাতনে জড়িত ছিলেন বা উসকানি দিয়েছেন, তারা যে দলেরই হোক না কেন, তাদের ভোট না দেওয়ার আহ্বান জানায় হিন্দু মহাজোট।
২৩ জানুয়ারি, শুক্রবার সারাদেশে সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হবে উল্লেখ করে সংগঠনটি অভিযোগ করে, ওই দিন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা রেখে পূজায় বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তারা সরস্বতী পূজার দিনে সব ধরনের পরীক্ষা স্থগিত রাখার দাবি জানিয়েছে।
ইতিমধ্যে জোটের পক্ষ থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সংখ্যালঘু ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে ৭ দফা প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবগুলো হলো- নির্বাচনের ১০ দিন আগে থেকে ১০ দিন পর পর্যন্ত সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বাড়তি নিরাপত্তা, নির্বাচনে সেনা মোতায়েন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নির্বাচনী প্রচার নিষিদ্ধ, ধর্মের অপব্যবহার বন্ধ, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আসনের ভোট স্থগিত ও তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ, নির্বাচন কমিশনে ও প্রতিটি জেলায় সংখ্যালঘু ও নারী ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মনিটরিং সেল গঠন এবং ভোটারদের নিরাপদে ভোট দিয়ে ঘরে ফেরার নিশ্চয়তা দেওয়া।
সংবাদ সম্মেলনে সাম্প্রতিক বিভিন্ন সহিংস ঘটনার উদাহরণ তুলে ধরে বলা হয়। হিন্দু মহাজোটের নেতারা বলেন, সরকার ও প্রশাসনের নিরবতা এবং সাম্প্রদায়িক শক্তিকে প্রশ্রয় দেওয়ার কারণেই সংখ্যালঘু নির্যাতন বন্ধ করা যাচ্ছে না।
সংবাদ সম্মেলন থেকে সরকার, নির্বাচন কমিশন ও রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেন সব সম্প্রদায়ের জন্য উৎসবমুখর ও ভয়হীন হয় সে আহ্বান জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ড. প্রভাস চন্দ্র রায়। এ সময় সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি ডিসি রায়, জগন্নাথ হালদার, যুগ্ম মহাসচিব সমীর সরকার, অখিল মণ্ডল, ফণিভূষণ হালদার, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. রামকৃষ্ণ দাসসহ কেন্দ্রীয়, যুব ও ছাত্র সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচন ঘিরে সংখ্যালঘু নির্যাতনের আশঙ্কা হিন্দু মহাজোটের
নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নৃশংস ও পরিকল্পিত হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন ও লুটপাটের অভিযোগ জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট। এ অবস্থায় নির্বাচনপূর্ব ও পরবর্তী সময়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের জানমাল, ঘরবাড়ি, মন্দির ও ধর্মীয় স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। ৭ দফা প্রস্তাবনাও দিয়েছে হিন্দু মহাজোট।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির নেতারা এসব দাবি তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের নির্বাহী মহাসচিব ও মুখপাত্র পলাশ কান্তি দে। তিনি বলেন, ‘দেশের প্রতিটি জাতীয় নির্বাচনই হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে আতঙ্কের নাম।’ অতীত অভিজ্ঞতা সুখকর নয় উল্লেখ করে বলেন, ‘নির্বাচন এলেই হিন্দুদের ঘরবাড়ি, মঠ-মন্দির, প্রতিমা ও নারীদের ওপর হামলা বেড়ে যায়। আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরেও একই ধরনের সহিংসতার আশঙ্কা রয়েছে।’
সংখ্যালঘু নির্যাতন দেশে একটি নিয়মিত প্রক্রিয়ায় পরিণত হয়েছে, যা সাম্প্রতিক সময়ে বহুগুণ বেড়েছে বলেও অভিযোগ করেন পলাশ কান্তি দে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হিন্দু ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানো, ধর্মীয় স্থাপনায় হামলা এবং পরাজয়ের অজুহাতে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর প্রতিশোধমূলক আক্রমণের প্রবণতা উদ্বেগজনক। অতীতে যেসব প্রার্থী বা রাজনৈতিক কর্মী সংখ্যালঘু নির্যাতনে জড়িত ছিলেন বা উসকানি দিয়েছেন, তারা যে দলেরই হোক না কেন, তাদের ভোট না দেওয়ার আহ্বান জানায় হিন্দু মহাজোট।
২৩ জানুয়ারি, শুক্রবার সারাদেশে সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হবে উল্লেখ করে সংগঠনটি অভিযোগ করে, ওই দিন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা রেখে পূজায় বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তারা সরস্বতী পূজার দিনে সব ধরনের পরীক্ষা স্থগিত রাখার দাবি জানিয়েছে।
ইতিমধ্যে জোটের পক্ষ থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সংখ্যালঘু ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে ৭ দফা প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবগুলো হলো- নির্বাচনের ১০ দিন আগে থেকে ১০ দিন পর পর্যন্ত সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বাড়তি নিরাপত্তা, নির্বাচনে সেনা মোতায়েন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নির্বাচনী প্রচার নিষিদ্ধ, ধর্মের অপব্যবহার বন্ধ, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আসনের ভোট স্থগিত ও তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ, নির্বাচন কমিশনে ও প্রতিটি জেলায় সংখ্যালঘু ও নারী ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মনিটরিং সেল গঠন এবং ভোটারদের নিরাপদে ভোট দিয়ে ঘরে ফেরার নিশ্চয়তা দেওয়া।
সংবাদ সম্মেলনে সাম্প্রতিক বিভিন্ন সহিংস ঘটনার উদাহরণ তুলে ধরে বলা হয়। হিন্দু মহাজোটের নেতারা বলেন, সরকার ও প্রশাসনের নিরবতা এবং সাম্প্রদায়িক শক্তিকে প্রশ্রয় দেওয়ার কারণেই সংখ্যালঘু নির্যাতন বন্ধ করা যাচ্ছে না।
সংবাদ সম্মেলন থেকে সরকার, নির্বাচন কমিশন ও রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেন সব সম্প্রদায়ের জন্য উৎসবমুখর ও ভয়হীন হয় সে আহ্বান জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ড. প্রভাস চন্দ্র রায়। এ সময় সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি ডিসি রায়, জগন্নাথ হালদার, যুগ্ম মহাসচিব সমীর সরকার, অখিল মণ্ডল, ফণিভূষণ হালদার, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. রামকৃষ্ণ দাসসহ কেন্দ্রীয়, যুব ও ছাত্র সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।




