‘ফ্যামিলি কার্ড’ জনগণের কাছে পৌঁছানো নিয়ে সংশয় নাহিদ ইসলামের

‘ফ্যামিলি কার্ড’ জনগণের কাছে পৌঁছানো নিয়ে সংশয় নাহিদ ইসলামের
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রত্যেক পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে, তার বাস্তব সুফল নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকালে রাজধানীর মিরপুরে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম।
তিনি বলেন, আমরা শুনছি ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে, কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। আমরা চাই কার্ড দেওয়া হোক, জনগণ সুবিধা পাক। কিন্তু এই কার্ড জনগণের কাছে পৌঁছাবে তো? ২০০০ টাকার কার্ড নিতে ১০০০ টাকা ঘুষ দিতে হবে না তো?
নাহিদ ইসলাম বলেন, ঘুষ ও চাঁদাবাজি নির্মূল না হলে সরকারি সুযোগ-সুবিধা কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থেকে যাবে।
বিএনপির রাজনীতি নিয়ে সমালোচনা করে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, একদিকে জনগণের জন্য সহায়তার কথা বলা হচ্ছে, অন্যদিকে ঋণ খেলাপিদের সংসদে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। তার অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং আদালতের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, যদি প্রকৃত অর্থে জনগণকে সুবিধা দেওয়ার সদিচ্ছা থাকে, তাহলে কেউ ঋণ খেলাপিকে মনোনয়ন দিতে পারে না।
নাহিদ ইসলাম বলেন, যারা ঋণ পরিশোধ করেনি, তারা সংসদে গেলে ঋণ শোধ করবে– এমন আশা করা অবাস্তব। তার ভাষায়, এরা আবার ঋণ নেবে, আবার টাকা লুট করবে, আবার বিদেশে পাচার করবে। এই বাংলাদেশ আমরা চাইনি। এই লুটেরাদের বিরুদ্ধেই তো গণঅভ্যুত্থান হয়েছে।
বস্তিবাসীদের প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, তারা ফ্ল্যাট নয়, নিরাপদ জীবন ও মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান চায়। তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে বস্তিবাসীদের ফ্ল্যাট দেওয়ার নামে উচ্ছেদের পরিকল্পনা করা হয়েছে এবং অনেক সময় বস্তিতে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। বলা হয়েছে– ফ্ল্যাট দেব, তাই বস্তি ছাড়ুন। আমরা আশা করি, এমন কোনো পরিকল্পনা আবার করা হবে না।
ভোটাধিকার প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, জান্নাতের মালিক আল্লাহ, আর ভোটের মালিক জনগণ। তিনি বলেন, দেশের মানুষ বুঝে গেছে কারা নির্বাচনের আগে প্রতারণা করছে এবং কারা সংস্কারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে। তার দাবি, নতুন কোনো লুটেরাকে ক্ষমতায় যেতে দেবে না বাংলাদেশের জনগণ।

বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রত্যেক পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে, তার বাস্তব সুফল নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকালে রাজধানীর মিরপুরে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম।
তিনি বলেন, আমরা শুনছি ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে, কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। আমরা চাই কার্ড দেওয়া হোক, জনগণ সুবিধা পাক। কিন্তু এই কার্ড জনগণের কাছে পৌঁছাবে তো? ২০০০ টাকার কার্ড নিতে ১০০০ টাকা ঘুষ দিতে হবে না তো?
নাহিদ ইসলাম বলেন, ঘুষ ও চাঁদাবাজি নির্মূল না হলে সরকারি সুযোগ-সুবিধা কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থেকে যাবে।
বিএনপির রাজনীতি নিয়ে সমালোচনা করে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, একদিকে জনগণের জন্য সহায়তার কথা বলা হচ্ছে, অন্যদিকে ঋণ খেলাপিদের সংসদে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। তার অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং আদালতের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, যদি প্রকৃত অর্থে জনগণকে সুবিধা দেওয়ার সদিচ্ছা থাকে, তাহলে কেউ ঋণ খেলাপিকে মনোনয়ন দিতে পারে না।
নাহিদ ইসলাম বলেন, যারা ঋণ পরিশোধ করেনি, তারা সংসদে গেলে ঋণ শোধ করবে– এমন আশা করা অবাস্তব। তার ভাষায়, এরা আবার ঋণ নেবে, আবার টাকা লুট করবে, আবার বিদেশে পাচার করবে। এই বাংলাদেশ আমরা চাইনি। এই লুটেরাদের বিরুদ্ধেই তো গণঅভ্যুত্থান হয়েছে।
বস্তিবাসীদের প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, তারা ফ্ল্যাট নয়, নিরাপদ জীবন ও মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান চায়। তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে বস্তিবাসীদের ফ্ল্যাট দেওয়ার নামে উচ্ছেদের পরিকল্পনা করা হয়েছে এবং অনেক সময় বস্তিতে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। বলা হয়েছে– ফ্ল্যাট দেব, তাই বস্তি ছাড়ুন। আমরা আশা করি, এমন কোনো পরিকল্পনা আবার করা হবে না।
ভোটাধিকার প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, জান্নাতের মালিক আল্লাহ, আর ভোটের মালিক জনগণ। তিনি বলেন, দেশের মানুষ বুঝে গেছে কারা নির্বাচনের আগে প্রতারণা করছে এবং কারা সংস্কারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে। তার দাবি, নতুন কোনো লুটেরাকে ক্ষমতায় যেতে দেবে না বাংলাদেশের জনগণ।

‘ফ্যামিলি কার্ড’ জনগণের কাছে পৌঁছানো নিয়ে সংশয় নাহিদ ইসলামের
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রত্যেক পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে, তার বাস্তব সুফল নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকালে রাজধানীর মিরপুরে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম।
তিনি বলেন, আমরা শুনছি ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে, কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। আমরা চাই কার্ড দেওয়া হোক, জনগণ সুবিধা পাক। কিন্তু এই কার্ড জনগণের কাছে পৌঁছাবে তো? ২০০০ টাকার কার্ড নিতে ১০০০ টাকা ঘুষ দিতে হবে না তো?
নাহিদ ইসলাম বলেন, ঘুষ ও চাঁদাবাজি নির্মূল না হলে সরকারি সুযোগ-সুবিধা কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থেকে যাবে।
বিএনপির রাজনীতি নিয়ে সমালোচনা করে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, একদিকে জনগণের জন্য সহায়তার কথা বলা হচ্ছে, অন্যদিকে ঋণ খেলাপিদের সংসদে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। তার অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং আদালতের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, যদি প্রকৃত অর্থে জনগণকে সুবিধা দেওয়ার সদিচ্ছা থাকে, তাহলে কেউ ঋণ খেলাপিকে মনোনয়ন দিতে পারে না।
নাহিদ ইসলাম বলেন, যারা ঋণ পরিশোধ করেনি, তারা সংসদে গেলে ঋণ শোধ করবে– এমন আশা করা অবাস্তব। তার ভাষায়, এরা আবার ঋণ নেবে, আবার টাকা লুট করবে, আবার বিদেশে পাচার করবে। এই বাংলাদেশ আমরা চাইনি। এই লুটেরাদের বিরুদ্ধেই তো গণঅভ্যুত্থান হয়েছে।
বস্তিবাসীদের প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, তারা ফ্ল্যাট নয়, নিরাপদ জীবন ও মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান চায়। তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে বস্তিবাসীদের ফ্ল্যাট দেওয়ার নামে উচ্ছেদের পরিকল্পনা করা হয়েছে এবং অনেক সময় বস্তিতে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। বলা হয়েছে– ফ্ল্যাট দেব, তাই বস্তি ছাড়ুন। আমরা আশা করি, এমন কোনো পরিকল্পনা আবার করা হবে না।
ভোটাধিকার প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, জান্নাতের মালিক আল্লাহ, আর ভোটের মালিক জনগণ। তিনি বলেন, দেশের মানুষ বুঝে গেছে কারা নির্বাচনের আগে প্রতারণা করছে এবং কারা সংস্কারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে। তার দাবি, নতুন কোনো লুটেরাকে ক্ষমতায় যেতে দেবে না বাংলাদেশের জনগণ।




