রাজশাহীকে শেষ বলে হারালো চট্টগ্রাম

রাজশাহীকে শেষ বলে হারালো চট্টগ্রাম
সিটিজেন-স্পোর্টস-ডেস্ক

রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে লো স্কোরিং ম্যাচে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর জিতেছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। রাজশাহীর দেওয়া ১২৯ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ফল এসেছে শেষ বলে। শেষ বলে দরকার ছিল ২ রান। মাথা ঠান্ডা রেখে হাসান নেওয়াজ ২ রান নিয়ে ২ উইকেটে চট্টগ্রামের জয় নিশ্চিত করেন। সাত ম্যাচে পঞ্চম জয়ে শীর্ষেই রইলো চট্টগ্রাম।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দিনের প্রথম ম্যাচে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে বিপর্যয়ে পড়ে রাজশাহী। দলীয় ২১ রানে ১৪ বলে ১৯ রান করা ওপেনার মোহাম্মদ ওয়াসিমকে বোল্ড করেন চট্টগ্রামের স্পিনার তানভীর ইসলাম। এরপর রাজশাহী আর কোনো বড় জুটি গড়তে পারেনি।
নাজমুল হোসেন শান্ত (৭) এবং তানজিদ হাসান তামিম (৭) উভয়েই দুই অঙ্কের ঘরে ছুঁতে ব্যর্থ হন। মেহরবের ১৯ রানই রাজশাহীর পক্ষে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংস। এ ছাড়া আকবর আলী ১৭, মুশফিকুর রহিম ১৫ ও তানজিম হাসান সাকিব ১৪ রান করেন।
চট্টগ্রামও শুরু থেকে বিপর্যয়ে পড়ে। দলীয় ৬৮ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হরায় চট্টগ্রাম। তবে টেস্ট মেজাজে খেলে হাসান নেওয়াজ একপ্রান্ত আগলে রাখেন। শেষ পর্যন্ত ৩৫ বলে ৩৬ রানে অপরাজিত থাকেন নাওয়াজ।
এ ছাড়া অধিনায়ক শেখ মেহেদি ২৫ বলে ২৮, আসিফ আলী ২৫ বলে ২৭ এবং অ্যাডাম রসিংটন ১৭ রান করেন।
শেষ ওভারে চট্টগ্রামের ১০ রান দরকার হয়। তখন রাজশাহীর পেসারদের বোলিং কোটা শেষ হওয়ায় আক্রমণে আনা হয় স্পিন অলরাউন্ডার মেহরবকে। ইনিংসের ২০তম ওভারের প্রথম ৩ বলে মেহরব এক বাউন্ডারিসহ ৮ রান দেওয়ার পরের দুই ডেলিভারি ডট করেছেন। তাতে শেষ বলে গড়ায় লো স্কোরিং ম্যাচটি।
৭ ম্যাচে পঞ্চম জয় নিয়ে ১০ পয়েন্টে শীর্ষস্থান আরও মজবুত করলো চট্টগ্রাম। ৬ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট রাজশাহীর।

রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে লো স্কোরিং ম্যাচে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর জিতেছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। রাজশাহীর দেওয়া ১২৯ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ফল এসেছে শেষ বলে। শেষ বলে দরকার ছিল ২ রান। মাথা ঠান্ডা রেখে হাসান নেওয়াজ ২ রান নিয়ে ২ উইকেটে চট্টগ্রামের জয় নিশ্চিত করেন। সাত ম্যাচে পঞ্চম জয়ে শীর্ষেই রইলো চট্টগ্রাম।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দিনের প্রথম ম্যাচে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে বিপর্যয়ে পড়ে রাজশাহী। দলীয় ২১ রানে ১৪ বলে ১৯ রান করা ওপেনার মোহাম্মদ ওয়াসিমকে বোল্ড করেন চট্টগ্রামের স্পিনার তানভীর ইসলাম। এরপর রাজশাহী আর কোনো বড় জুটি গড়তে পারেনি।
নাজমুল হোসেন শান্ত (৭) এবং তানজিদ হাসান তামিম (৭) উভয়েই দুই অঙ্কের ঘরে ছুঁতে ব্যর্থ হন। মেহরবের ১৯ রানই রাজশাহীর পক্ষে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংস। এ ছাড়া আকবর আলী ১৭, মুশফিকুর রহিম ১৫ ও তানজিম হাসান সাকিব ১৪ রান করেন।
চট্টগ্রামও শুরু থেকে বিপর্যয়ে পড়ে। দলীয় ৬৮ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হরায় চট্টগ্রাম। তবে টেস্ট মেজাজে খেলে হাসান নেওয়াজ একপ্রান্ত আগলে রাখেন। শেষ পর্যন্ত ৩৫ বলে ৩৬ রানে অপরাজিত থাকেন নাওয়াজ।
এ ছাড়া অধিনায়ক শেখ মেহেদি ২৫ বলে ২৮, আসিফ আলী ২৫ বলে ২৭ এবং অ্যাডাম রসিংটন ১৭ রান করেন।
শেষ ওভারে চট্টগ্রামের ১০ রান দরকার হয়। তখন রাজশাহীর পেসারদের বোলিং কোটা শেষ হওয়ায় আক্রমণে আনা হয় স্পিন অলরাউন্ডার মেহরবকে। ইনিংসের ২০তম ওভারের প্রথম ৩ বলে মেহরব এক বাউন্ডারিসহ ৮ রান দেওয়ার পরের দুই ডেলিভারি ডট করেছেন। তাতে শেষ বলে গড়ায় লো স্কোরিং ম্যাচটি।
৭ ম্যাচে পঞ্চম জয় নিয়ে ১০ পয়েন্টে শীর্ষস্থান আরও মজবুত করলো চট্টগ্রাম। ৬ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট রাজশাহীর।

রাজশাহীকে শেষ বলে হারালো চট্টগ্রাম
সিটিজেন-স্পোর্টস-ডেস্ক

রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে লো স্কোরিং ম্যাচে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর জিতেছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। রাজশাহীর দেওয়া ১২৯ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ফল এসেছে শেষ বলে। শেষ বলে দরকার ছিল ২ রান। মাথা ঠান্ডা রেখে হাসান নেওয়াজ ২ রান নিয়ে ২ উইকেটে চট্টগ্রামের জয় নিশ্চিত করেন। সাত ম্যাচে পঞ্চম জয়ে শীর্ষেই রইলো চট্টগ্রাম।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দিনের প্রথম ম্যাচে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে বিপর্যয়ে পড়ে রাজশাহী। দলীয় ২১ রানে ১৪ বলে ১৯ রান করা ওপেনার মোহাম্মদ ওয়াসিমকে বোল্ড করেন চট্টগ্রামের স্পিনার তানভীর ইসলাম। এরপর রাজশাহী আর কোনো বড় জুটি গড়তে পারেনি।
নাজমুল হোসেন শান্ত (৭) এবং তানজিদ হাসান তামিম (৭) উভয়েই দুই অঙ্কের ঘরে ছুঁতে ব্যর্থ হন। মেহরবের ১৯ রানই রাজশাহীর পক্ষে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংস। এ ছাড়া আকবর আলী ১৭, মুশফিকুর রহিম ১৫ ও তানজিম হাসান সাকিব ১৪ রান করেন।
চট্টগ্রামও শুরু থেকে বিপর্যয়ে পড়ে। দলীয় ৬৮ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হরায় চট্টগ্রাম। তবে টেস্ট মেজাজে খেলে হাসান নেওয়াজ একপ্রান্ত আগলে রাখেন। শেষ পর্যন্ত ৩৫ বলে ৩৬ রানে অপরাজিত থাকেন নাওয়াজ।
এ ছাড়া অধিনায়ক শেখ মেহেদি ২৫ বলে ২৮, আসিফ আলী ২৫ বলে ২৭ এবং অ্যাডাম রসিংটন ১৭ রান করেন।
শেষ ওভারে চট্টগ্রামের ১০ রান দরকার হয়। তখন রাজশাহীর পেসারদের বোলিং কোটা শেষ হওয়ায় আক্রমণে আনা হয় স্পিন অলরাউন্ডার মেহরবকে। ইনিংসের ২০তম ওভারের প্রথম ৩ বলে মেহরব এক বাউন্ডারিসহ ৮ রান দেওয়ার পরের দুই ডেলিভারি ডট করেছেন। তাতে শেষ বলে গড়ায় লো স্কোরিং ম্যাচটি।
৭ ম্যাচে পঞ্চম জয় নিয়ে ১০ পয়েন্টে শীর্ষস্থান আরও মজবুত করলো চট্টগ্রাম। ৬ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট রাজশাহীর।




