সাংবাদিকদের আবেদন প্রত্যাখ্যানে আইসিসির ব্যাখ্যা চেয়েছে বিসিবি

সাংবাদিকদের আবেদন প্রত্যাখ্যানে আইসিসির ব্যাখ্যা চেয়েছে বিসিবি
নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে না বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। বাংলাদেশকে বাদ দিয়েই বিশ্বকাপ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বাংলাদেশের সাংবাদিকদেরও টুর্নামেন্ট কাভারের অনুমতি দিচ্ছে না। এমন সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ জানতে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসির কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কথা জানিয়ে বাংলাদেশ দলের ভারত সফরে না যাওয়ার সিদ্ধান্তের পর থেকেই বিসিবি ও আইসিসির মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হয়। সেই প্রেক্ষাপটেই বাংলাদেশের সাংবাদিকদের অ্যাক্রেডিটেশন বাতিলের সিদ্ধান্ত এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, এ বিষয়ে তারা আইসিসির কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন।
গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘গতকালই এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে এবং আমরা এর কারণ জানতে চেয়েছি। বিষয়টি অভ্যন্তরীণ ও গোপনীয় হলেও সংক্ষেপে বলতে গেলে– আমরা জানতে চেয়েছি কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
ভারত-শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তানের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ১৯৯৬ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ এবং ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ২০১৩ আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বাংলাদেশ দল অংশ না নিলেও বাংলাদেশের সাংবাদিকেরা ওই দুটি টুর্নামেন্ট কাভার করেছিলেন। আজ সাংবাদিকেরা এসব উদাহরণ তুলে ধরলে বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান ফিফা বিশ্বকাপের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, গণমাধ্যমকর্মীদের ম্যাচ কাভার বা অ্যাক্রেডিটেশন পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দলের টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করা বাধ্যতামূলক নয়। তার ভাষায়, ‘আপনি যে উদাহরণ দিয়েছেন, চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বাংলাদেশ অংশ নেয়নি, কিন্তু তারপরও আমাদের সাংবাদিকেরা সেখানে গিয়েছিলেন। একইভাবে ফিফা বিশ্বকাপে বাংলাদেশ কখনো অংশ নেয়নি, তবুও আমাদের সাংবাদিকেরা কাভার করেন, কারণ আমরা ফিফার সদস্য। পূর্ণ সদস্য দেশ হিসেবে আমাদের সুযোগ পাওয়া গেলে ভালো হতো। তবে শেষ পর্যন্ত এটি আইসিসির সিদ্ধান্ত, এখানে আমাদের কিছু করার নেই।’
আমজাদের মতে, ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ কাভার করার সুযোগ বাংলাদেশের সাংবাদিকদের দিলে ভালো হতো।
বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমার মনে হয় যেকোনো ক্ষেত্রেই আমাদের গণমাধ্যমকর্মীদের সেই সুযোগ দেওয়া উচিত ছিল। কারণ আইসিসির ১২টি পূর্ণ সদস্য দেশের মধ্যে দর্শকসংখ্যার বিচারে আমরা তৃতীয়। আমাদের দল বিশ্বকাপে না খেললেও টুর্নামেন্ট তো হচ্ছে, আর আমাদের গণমাধ্যমকর্মীরা সেটি দর্শকদের কাছে উপস্থাপন করতে পারতেন।’
বছরের পর বছর ধরে বাংলাদেশের সাংবাদিকরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এমনকি সাধারণ দ্বিপক্ষীয় সিরিজও কাভার করে থাকেন। অথচ পাশের দেশগুলোতে অনুষ্ঠিত একটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেই বাংলাদেশের গণমাধ্যমকর্মীদের কাভারের সুযোগ দেওয়া হয়নি। প্রায় একশত বাংলাদেশি সাংবাদিক আবেদন করলেও শেষ পর্যন্ত সবাইকে হতাশ হতে হয়েছে।
বাংলাদেশি সাংবাদিকদের অ্যাক্রেডিটেশন না দেওয়ার বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আইসিসির এক কর্মকর্তা ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-কে বলেন, ‘তাদের ভিসা কিংবা অ্যাক্রেডিটেশন– কোনোটিই দেওয়া হয়নি। কারণ সরকার মনে করছে, বাংলাদেশি সাংবাদিকদের ভারত ভ্রমণ নিরাপদ নয়।’

২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে না বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। বাংলাদেশকে বাদ দিয়েই বিশ্বকাপ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বাংলাদেশের সাংবাদিকদেরও টুর্নামেন্ট কাভারের অনুমতি দিচ্ছে না। এমন সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ জানতে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসির কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কথা জানিয়ে বাংলাদেশ দলের ভারত সফরে না যাওয়ার সিদ্ধান্তের পর থেকেই বিসিবি ও আইসিসির মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হয়। সেই প্রেক্ষাপটেই বাংলাদেশের সাংবাদিকদের অ্যাক্রেডিটেশন বাতিলের সিদ্ধান্ত এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, এ বিষয়ে তারা আইসিসির কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন।
গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘গতকালই এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে এবং আমরা এর কারণ জানতে চেয়েছি। বিষয়টি অভ্যন্তরীণ ও গোপনীয় হলেও সংক্ষেপে বলতে গেলে– আমরা জানতে চেয়েছি কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
ভারত-শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তানের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ১৯৯৬ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ এবং ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ২০১৩ আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বাংলাদেশ দল অংশ না নিলেও বাংলাদেশের সাংবাদিকেরা ওই দুটি টুর্নামেন্ট কাভার করেছিলেন। আজ সাংবাদিকেরা এসব উদাহরণ তুলে ধরলে বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান ফিফা বিশ্বকাপের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, গণমাধ্যমকর্মীদের ম্যাচ কাভার বা অ্যাক্রেডিটেশন পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দলের টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করা বাধ্যতামূলক নয়। তার ভাষায়, ‘আপনি যে উদাহরণ দিয়েছেন, চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বাংলাদেশ অংশ নেয়নি, কিন্তু তারপরও আমাদের সাংবাদিকেরা সেখানে গিয়েছিলেন। একইভাবে ফিফা বিশ্বকাপে বাংলাদেশ কখনো অংশ নেয়নি, তবুও আমাদের সাংবাদিকেরা কাভার করেন, কারণ আমরা ফিফার সদস্য। পূর্ণ সদস্য দেশ হিসেবে আমাদের সুযোগ পাওয়া গেলে ভালো হতো। তবে শেষ পর্যন্ত এটি আইসিসির সিদ্ধান্ত, এখানে আমাদের কিছু করার নেই।’
আমজাদের মতে, ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ কাভার করার সুযোগ বাংলাদেশের সাংবাদিকদের দিলে ভালো হতো।
বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমার মনে হয় যেকোনো ক্ষেত্রেই আমাদের গণমাধ্যমকর্মীদের সেই সুযোগ দেওয়া উচিত ছিল। কারণ আইসিসির ১২টি পূর্ণ সদস্য দেশের মধ্যে দর্শকসংখ্যার বিচারে আমরা তৃতীয়। আমাদের দল বিশ্বকাপে না খেললেও টুর্নামেন্ট তো হচ্ছে, আর আমাদের গণমাধ্যমকর্মীরা সেটি দর্শকদের কাছে উপস্থাপন করতে পারতেন।’
বছরের পর বছর ধরে বাংলাদেশের সাংবাদিকরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এমনকি সাধারণ দ্বিপক্ষীয় সিরিজও কাভার করে থাকেন। অথচ পাশের দেশগুলোতে অনুষ্ঠিত একটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেই বাংলাদেশের গণমাধ্যমকর্মীদের কাভারের সুযোগ দেওয়া হয়নি। প্রায় একশত বাংলাদেশি সাংবাদিক আবেদন করলেও শেষ পর্যন্ত সবাইকে হতাশ হতে হয়েছে।
বাংলাদেশি সাংবাদিকদের অ্যাক্রেডিটেশন না দেওয়ার বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আইসিসির এক কর্মকর্তা ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-কে বলেন, ‘তাদের ভিসা কিংবা অ্যাক্রেডিটেশন– কোনোটিই দেওয়া হয়নি। কারণ সরকার মনে করছে, বাংলাদেশি সাংবাদিকদের ভারত ভ্রমণ নিরাপদ নয়।’

সাংবাদিকদের আবেদন প্রত্যাখ্যানে আইসিসির ব্যাখ্যা চেয়েছে বিসিবি
নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে না বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। বাংলাদেশকে বাদ দিয়েই বিশ্বকাপ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বাংলাদেশের সাংবাদিকদেরও টুর্নামেন্ট কাভারের অনুমতি দিচ্ছে না। এমন সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ জানতে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসির কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কথা জানিয়ে বাংলাদেশ দলের ভারত সফরে না যাওয়ার সিদ্ধান্তের পর থেকেই বিসিবি ও আইসিসির মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হয়। সেই প্রেক্ষাপটেই বাংলাদেশের সাংবাদিকদের অ্যাক্রেডিটেশন বাতিলের সিদ্ধান্ত এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, এ বিষয়ে তারা আইসিসির কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন।
গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘গতকালই এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে এবং আমরা এর কারণ জানতে চেয়েছি। বিষয়টি অভ্যন্তরীণ ও গোপনীয় হলেও সংক্ষেপে বলতে গেলে– আমরা জানতে চেয়েছি কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
ভারত-শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তানের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ১৯৯৬ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ এবং ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ২০১৩ আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বাংলাদেশ দল অংশ না নিলেও বাংলাদেশের সাংবাদিকেরা ওই দুটি টুর্নামেন্ট কাভার করেছিলেন। আজ সাংবাদিকেরা এসব উদাহরণ তুলে ধরলে বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান ফিফা বিশ্বকাপের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, গণমাধ্যমকর্মীদের ম্যাচ কাভার বা অ্যাক্রেডিটেশন পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দলের টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করা বাধ্যতামূলক নয়। তার ভাষায়, ‘আপনি যে উদাহরণ দিয়েছেন, চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বাংলাদেশ অংশ নেয়নি, কিন্তু তারপরও আমাদের সাংবাদিকেরা সেখানে গিয়েছিলেন। একইভাবে ফিফা বিশ্বকাপে বাংলাদেশ কখনো অংশ নেয়নি, তবুও আমাদের সাংবাদিকেরা কাভার করেন, কারণ আমরা ফিফার সদস্য। পূর্ণ সদস্য দেশ হিসেবে আমাদের সুযোগ পাওয়া গেলে ভালো হতো। তবে শেষ পর্যন্ত এটি আইসিসির সিদ্ধান্ত, এখানে আমাদের কিছু করার নেই।’
আমজাদের মতে, ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ কাভার করার সুযোগ বাংলাদেশের সাংবাদিকদের দিলে ভালো হতো।
বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমার মনে হয় যেকোনো ক্ষেত্রেই আমাদের গণমাধ্যমকর্মীদের সেই সুযোগ দেওয়া উচিত ছিল। কারণ আইসিসির ১২টি পূর্ণ সদস্য দেশের মধ্যে দর্শকসংখ্যার বিচারে আমরা তৃতীয়। আমাদের দল বিশ্বকাপে না খেললেও টুর্নামেন্ট তো হচ্ছে, আর আমাদের গণমাধ্যমকর্মীরা সেটি দর্শকদের কাছে উপস্থাপন করতে পারতেন।’
বছরের পর বছর ধরে বাংলাদেশের সাংবাদিকরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এমনকি সাধারণ দ্বিপক্ষীয় সিরিজও কাভার করে থাকেন। অথচ পাশের দেশগুলোতে অনুষ্ঠিত একটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেই বাংলাদেশের গণমাধ্যমকর্মীদের কাভারের সুযোগ দেওয়া হয়নি। প্রায় একশত বাংলাদেশি সাংবাদিক আবেদন করলেও শেষ পর্যন্ত সবাইকে হতাশ হতে হয়েছে।
বাংলাদেশি সাংবাদিকদের অ্যাক্রেডিটেশন না দেওয়ার বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আইসিসির এক কর্মকর্তা ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-কে বলেন, ‘তাদের ভিসা কিংবা অ্যাক্রেডিটেশন– কোনোটিই দেওয়া হয়নি। কারণ সরকার মনে করছে, বাংলাদেশি সাংবাদিকদের ভারত ভ্রমণ নিরাপদ নয়।’




