প্লে-অফ নিশ্চিত করলো রাজশাহী, সঙ্গী চট্টগ্রাম-সিলেট

প্লে-অফ নিশ্চিত করলো রাজশাহী, সঙ্গী চট্টগ্রাম-সিলেট
সিটিজেন-স্পোর্টস-ডেস্ক

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ-এ (বিপিএল) সোমবার (১২ জানুয়ারি) দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে ঢাকা ক্যাপিটালসকে পাত্তাই দিল না রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে জিতেছে রাজশাহী। তাতে চট্টগ্রাম রয়্যালস ও সিলেটকে টাইটানসকে সঙ্গে নিয়ে কোয়ালিফায়ার নিশ্চিত করেছেন নাজমুল হোসেন শান্তরা।
রাজশাহীতে খেলা পেসার রিপন মন্ডলের হ্যাটট্রিকে আগে ব্যাট করে ১৩১ রান করতে পারে ঢাকা। জবাবে ২৩ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত হয় রাজশাহীর। এই জয়ের পর পয়েন্ট টেবিলের এক নম্বরে রাজশাহী। ৮ ম্যাচে তাদের সংগ্রহ সর্বোচ্চ ১২ পয়েন্ট। সমান ১০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুই ও তিন নম্বরে অবস্থান চট্টগ্রাম রয়্যালস ও সিলেট টাইটানস। তিন দলেরই প্লে-অফ নিশ্চিত হয়েছে।
১৩২ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৩৮ রানের উদ্বাধনী জুটি পায় রাজশাহী। মাত্র ১৩ বলে ২২ রান করে আউট হন ওপেনার মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র। ৫ রান করেন নাজমুল হোসেন শান্ত।
তবে ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমের ইনিসং থামে ৭৬ রানে। মাত্র ৪৩ বলে খেলা তার এই অনবদ্য ইনিংসটি ৭ চার ও ৫ ছয়ে সাজানো। এরপর জিমি নিশামকে নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন মুশফিকুর রহিম। ১২ রানে মুশফিক ও ১৪ রানে নিশাম অপরাজিত থাকেন।
এর আগে ঢাকার উসমান খান ও আব্দুল্লাহ আল মামুন মিলে গড়েন ৫৪ রানের জুটি। দ্রুত ২৭ বলে ৪১ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন উসমান। এরপর ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেননি কেউই। উসমানের পর সর্বোচ্চ ২৪ রান আসে নাসির হোসেনের ব্যাট থেকে।
রিপন মণ্ডল হ্যাটট্রিক নিলেও রাজশাহীর সবচেয়ে সফল বোলার আব্দুল গাফফার সাকলাইন। ৪ ওভার বল করে মাত্র ২৪ রানে ৪ উইকেট নেন তিনি।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ-এ (বিপিএল) সোমবার (১২ জানুয়ারি) দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে ঢাকা ক্যাপিটালসকে পাত্তাই দিল না রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে জিতেছে রাজশাহী। তাতে চট্টগ্রাম রয়্যালস ও সিলেটকে টাইটানসকে সঙ্গে নিয়ে কোয়ালিফায়ার নিশ্চিত করেছেন নাজমুল হোসেন শান্তরা।
রাজশাহীতে খেলা পেসার রিপন মন্ডলের হ্যাটট্রিকে আগে ব্যাট করে ১৩১ রান করতে পারে ঢাকা। জবাবে ২৩ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত হয় রাজশাহীর। এই জয়ের পর পয়েন্ট টেবিলের এক নম্বরে রাজশাহী। ৮ ম্যাচে তাদের সংগ্রহ সর্বোচ্চ ১২ পয়েন্ট। সমান ১০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুই ও তিন নম্বরে অবস্থান চট্টগ্রাম রয়্যালস ও সিলেট টাইটানস। তিন দলেরই প্লে-অফ নিশ্চিত হয়েছে।
১৩২ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৩৮ রানের উদ্বাধনী জুটি পায় রাজশাহী। মাত্র ১৩ বলে ২২ রান করে আউট হন ওপেনার মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র। ৫ রান করেন নাজমুল হোসেন শান্ত।
তবে ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমের ইনিসং থামে ৭৬ রানে। মাত্র ৪৩ বলে খেলা তার এই অনবদ্য ইনিংসটি ৭ চার ও ৫ ছয়ে সাজানো। এরপর জিমি নিশামকে নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন মুশফিকুর রহিম। ১২ রানে মুশফিক ও ১৪ রানে নিশাম অপরাজিত থাকেন।
এর আগে ঢাকার উসমান খান ও আব্দুল্লাহ আল মামুন মিলে গড়েন ৫৪ রানের জুটি। দ্রুত ২৭ বলে ৪১ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন উসমান। এরপর ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেননি কেউই। উসমানের পর সর্বোচ্চ ২৪ রান আসে নাসির হোসেনের ব্যাট থেকে।
রিপন মণ্ডল হ্যাটট্রিক নিলেও রাজশাহীর সবচেয়ে সফল বোলার আব্দুল গাফফার সাকলাইন। ৪ ওভার বল করে মাত্র ২৪ রানে ৪ উইকেট নেন তিনি।

প্লে-অফ নিশ্চিত করলো রাজশাহী, সঙ্গী চট্টগ্রাম-সিলেট
সিটিজেন-স্পোর্টস-ডেস্ক

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ-এ (বিপিএল) সোমবার (১২ জানুয়ারি) দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে ঢাকা ক্যাপিটালসকে পাত্তাই দিল না রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে জিতেছে রাজশাহী। তাতে চট্টগ্রাম রয়্যালস ও সিলেটকে টাইটানসকে সঙ্গে নিয়ে কোয়ালিফায়ার নিশ্চিত করেছেন নাজমুল হোসেন শান্তরা।
রাজশাহীতে খেলা পেসার রিপন মন্ডলের হ্যাটট্রিকে আগে ব্যাট করে ১৩১ রান করতে পারে ঢাকা। জবাবে ২৩ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত হয় রাজশাহীর। এই জয়ের পর পয়েন্ট টেবিলের এক নম্বরে রাজশাহী। ৮ ম্যাচে তাদের সংগ্রহ সর্বোচ্চ ১২ পয়েন্ট। সমান ১০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুই ও তিন নম্বরে অবস্থান চট্টগ্রাম রয়্যালস ও সিলেট টাইটানস। তিন দলেরই প্লে-অফ নিশ্চিত হয়েছে।
১৩২ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৩৮ রানের উদ্বাধনী জুটি পায় রাজশাহী। মাত্র ১৩ বলে ২২ রান করে আউট হন ওপেনার মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র। ৫ রান করেন নাজমুল হোসেন শান্ত।
তবে ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমের ইনিসং থামে ৭৬ রানে। মাত্র ৪৩ বলে খেলা তার এই অনবদ্য ইনিংসটি ৭ চার ও ৫ ছয়ে সাজানো। এরপর জিমি নিশামকে নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন মুশফিকুর রহিম। ১২ রানে মুশফিক ও ১৪ রানে নিশাম অপরাজিত থাকেন।
এর আগে ঢাকার উসমান খান ও আব্দুল্লাহ আল মামুন মিলে গড়েন ৫৪ রানের জুটি। দ্রুত ২৭ বলে ৪১ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন উসমান। এরপর ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেননি কেউই। উসমানের পর সর্বোচ্চ ২৪ রান আসে নাসির হোসেনের ব্যাট থেকে।
রিপন মণ্ডল হ্যাটট্রিক নিলেও রাজশাহীর সবচেয়ে সফল বোলার আব্দুল গাফফার সাকলাইন। ৪ ওভার বল করে মাত্র ২৪ রানে ৪ উইকেট নেন তিনি।




