সিজিএস নীতি সংলাপ
রাজনৈতিক সদিচ্ছা ছাড়া বাড়বে না নারী নেতৃত্ব

রাজনৈতিক সদিচ্ছা ছাড়া বাড়বে না নারী নেতৃত্ব
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও নীতিগত সংস্কার ছাড়া দেশে নারীর নেতৃত্ব ও লৈঙ্গিক সমতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়– এমন মন্তব্য করেছেন নীতি সংলাপে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষাবিদ, নারী অধিকারকর্মী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তাদের মতে, বর্তমানে নারীরা বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কঠিন সময় পার করছেন এবং প্রায় ৭০ শতাংশ নারী নিজেদের নিরাপদ মনে করেন না।
এই মতামত উঠে আসে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘নারী নেতৃত্ব, লৈঙ্গিক সমতা এবং রাজনৈতিক অঙ্গীকার‘ শীর্ষক এক নীতি সংলাপে।
অনুষ্ঠানে সিজিএসের সভাপতি জিল্লুর রহমান বলেন, ‘দেশে নারীসংখ্যা পুরুষের তুলনায় বেশি হলেও নেতৃত্বে নারীর উপস্থিতি কম। রাজনৈতিক দলগুলোর মনোভাব সংকীর্ণ হওয়ায় নারীরা মনোনয়নে বঞ্চিত হচ্ছেন।‘
তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের বিপ্লবে নারীদের অংশগ্রহণ ইতিহাসে বিরল হলেও বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে তাদের যথাযথ মূল্যায়ন হয়নি।‘ রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবে নারীর ক্ষমতায়ন থমকে আছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বাংলাদেশ নারী নেতৃত্ব জোটের সভাপতি নাসিম ফেরদৌস বলেন, ‘সংবিধানে নারীদের অধিকার স্বীকৃত হলেও বাস্তবে সেই অধিকার প্রয়োগের সুযোগ দেওয়া হয় না। রাজনীতিতে নারীদের প্রতিনিধিত্ব খুবই সীমিত এবং যারা আছেন, তারাও নারীদের পক্ষে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছেন না।‘
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান বলেন, ‘নারীদের স্বাধীনতা আগের তুলনায় বেড়েছে, তবে নেতৃত্বে তাদের সুযোগ এখনও সীমিত। প্রকৃত উন্নয়ন চাইলে নারীদের যোগ্যতার ভিত্তিতে নেতৃত্বে আসার সুযোগ দিতে হবে এবং তা আইনগতভাবে নিশ্চিত করতে হবে।‘
রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরে নারী-পুরুষ সমতা নেই উল্লেখ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরে নারী-পুরুষ সমতা নেই, যার প্রতিফলন সমাজেও দেখা যায়।‘
তিনি বলেন, ‘ওয়ার্ড থেকে জেলা পর্যন্ত সব পর্যায়ে ৪০ শতাংশ নারী অংশগ্রহণ নিশ্চিত না করলে প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়।‘ একই সঙ্গে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে হয়রানি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে অপপ্রচারের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশের নারীরা বর্তমানে ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ সময় পার করছে বলে উল্লেখ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. শাইখ ইমতিয়াজ বলেন, ‘গত ৩০ বছরে নারীরা আরও বেশি অনিরাপদ হয়ে পড়েছেন। প্রায় ৭০ শতাংশ নারী নিজেদের নিরাপদ মনে করেন না। নারীরা বর্তমানে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ সময় পার করছে।‘
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ নারী উদ্যোক্তা অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নাসরিন ফাতেমা আউয়াল বলেন, ‘নারীদের সমস্যা পরিবার থেকেই শুরু হয়।‘ তিনি ব্যাংক ঋণ, ট্রেড লাইসেন্স, ডে কেয়ার সুবিধা, জেন্ডার বাজেট ও নারী নেতৃত্ব একাডেমি গঠনের দাবি জানান।
গণ অধিকার পরিষদের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ফারুক হাসান বলেন, ‘ধর্মের নামে নারীর নেতৃত্বে বাধা দেওয়া অগ্রহণযোগ্য। সমাজে বৈষম্য ও সহিংসতার কোনো স্থান থাকা উচিত নয়।‘
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সৈয়দা আসিফা আশরাফি পাপিয়া, প্রীতি চক্রবর্তী, তাহরিম খান জাহিদ, কাজী মিনহাজুল আলম, এলিনা খান, হো চি মিন ইসলাম ও লামিয়া ইসলাম। তারা সবাই সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন, নীতিনির্ধারণে নারীদের সমান অংশগ্রহণ এবং নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন।

রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও নীতিগত সংস্কার ছাড়া দেশে নারীর নেতৃত্ব ও লৈঙ্গিক সমতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়– এমন মন্তব্য করেছেন নীতি সংলাপে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষাবিদ, নারী অধিকারকর্মী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তাদের মতে, বর্তমানে নারীরা বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কঠিন সময় পার করছেন এবং প্রায় ৭০ শতাংশ নারী নিজেদের নিরাপদ মনে করেন না।
এই মতামত উঠে আসে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘নারী নেতৃত্ব, লৈঙ্গিক সমতা এবং রাজনৈতিক অঙ্গীকার‘ শীর্ষক এক নীতি সংলাপে।
অনুষ্ঠানে সিজিএসের সভাপতি জিল্লুর রহমান বলেন, ‘দেশে নারীসংখ্যা পুরুষের তুলনায় বেশি হলেও নেতৃত্বে নারীর উপস্থিতি কম। রাজনৈতিক দলগুলোর মনোভাব সংকীর্ণ হওয়ায় নারীরা মনোনয়নে বঞ্চিত হচ্ছেন।‘
তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের বিপ্লবে নারীদের অংশগ্রহণ ইতিহাসে বিরল হলেও বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে তাদের যথাযথ মূল্যায়ন হয়নি।‘ রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবে নারীর ক্ষমতায়ন থমকে আছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বাংলাদেশ নারী নেতৃত্ব জোটের সভাপতি নাসিম ফেরদৌস বলেন, ‘সংবিধানে নারীদের অধিকার স্বীকৃত হলেও বাস্তবে সেই অধিকার প্রয়োগের সুযোগ দেওয়া হয় না। রাজনীতিতে নারীদের প্রতিনিধিত্ব খুবই সীমিত এবং যারা আছেন, তারাও নারীদের পক্ষে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছেন না।‘
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান বলেন, ‘নারীদের স্বাধীনতা আগের তুলনায় বেড়েছে, তবে নেতৃত্বে তাদের সুযোগ এখনও সীমিত। প্রকৃত উন্নয়ন চাইলে নারীদের যোগ্যতার ভিত্তিতে নেতৃত্বে আসার সুযোগ দিতে হবে এবং তা আইনগতভাবে নিশ্চিত করতে হবে।‘
রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরে নারী-পুরুষ সমতা নেই উল্লেখ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরে নারী-পুরুষ সমতা নেই, যার প্রতিফলন সমাজেও দেখা যায়।‘
তিনি বলেন, ‘ওয়ার্ড থেকে জেলা পর্যন্ত সব পর্যায়ে ৪০ শতাংশ নারী অংশগ্রহণ নিশ্চিত না করলে প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়।‘ একই সঙ্গে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে হয়রানি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে অপপ্রচারের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশের নারীরা বর্তমানে ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ সময় পার করছে বলে উল্লেখ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. শাইখ ইমতিয়াজ বলেন, ‘গত ৩০ বছরে নারীরা আরও বেশি অনিরাপদ হয়ে পড়েছেন। প্রায় ৭০ শতাংশ নারী নিজেদের নিরাপদ মনে করেন না। নারীরা বর্তমানে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ সময় পার করছে।‘
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ নারী উদ্যোক্তা অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নাসরিন ফাতেমা আউয়াল বলেন, ‘নারীদের সমস্যা পরিবার থেকেই শুরু হয়।‘ তিনি ব্যাংক ঋণ, ট্রেড লাইসেন্স, ডে কেয়ার সুবিধা, জেন্ডার বাজেট ও নারী নেতৃত্ব একাডেমি গঠনের দাবি জানান।
গণ অধিকার পরিষদের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ফারুক হাসান বলেন, ‘ধর্মের নামে নারীর নেতৃত্বে বাধা দেওয়া অগ্রহণযোগ্য। সমাজে বৈষম্য ও সহিংসতার কোনো স্থান থাকা উচিত নয়।‘
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সৈয়দা আসিফা আশরাফি পাপিয়া, প্রীতি চক্রবর্তী, তাহরিম খান জাহিদ, কাজী মিনহাজুল আলম, এলিনা খান, হো চি মিন ইসলাম ও লামিয়া ইসলাম। তারা সবাই সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন, নীতিনির্ধারণে নারীদের সমান অংশগ্রহণ এবং নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন।

রাজনৈতিক সদিচ্ছা ছাড়া বাড়বে না নারী নেতৃত্ব
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও নীতিগত সংস্কার ছাড়া দেশে নারীর নেতৃত্ব ও লৈঙ্গিক সমতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়– এমন মন্তব্য করেছেন নীতি সংলাপে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষাবিদ, নারী অধিকারকর্মী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তাদের মতে, বর্তমানে নারীরা বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কঠিন সময় পার করছেন এবং প্রায় ৭০ শতাংশ নারী নিজেদের নিরাপদ মনে করেন না।
এই মতামত উঠে আসে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘নারী নেতৃত্ব, লৈঙ্গিক সমতা এবং রাজনৈতিক অঙ্গীকার‘ শীর্ষক এক নীতি সংলাপে।
অনুষ্ঠানে সিজিএসের সভাপতি জিল্লুর রহমান বলেন, ‘দেশে নারীসংখ্যা পুরুষের তুলনায় বেশি হলেও নেতৃত্বে নারীর উপস্থিতি কম। রাজনৈতিক দলগুলোর মনোভাব সংকীর্ণ হওয়ায় নারীরা মনোনয়নে বঞ্চিত হচ্ছেন।‘
তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের বিপ্লবে নারীদের অংশগ্রহণ ইতিহাসে বিরল হলেও বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে তাদের যথাযথ মূল্যায়ন হয়নি।‘ রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবে নারীর ক্ষমতায়ন থমকে আছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বাংলাদেশ নারী নেতৃত্ব জোটের সভাপতি নাসিম ফেরদৌস বলেন, ‘সংবিধানে নারীদের অধিকার স্বীকৃত হলেও বাস্তবে সেই অধিকার প্রয়োগের সুযোগ দেওয়া হয় না। রাজনীতিতে নারীদের প্রতিনিধিত্ব খুবই সীমিত এবং যারা আছেন, তারাও নারীদের পক্ষে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছেন না।‘
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান বলেন, ‘নারীদের স্বাধীনতা আগের তুলনায় বেড়েছে, তবে নেতৃত্বে তাদের সুযোগ এখনও সীমিত। প্রকৃত উন্নয়ন চাইলে নারীদের যোগ্যতার ভিত্তিতে নেতৃত্বে আসার সুযোগ দিতে হবে এবং তা আইনগতভাবে নিশ্চিত করতে হবে।‘
রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরে নারী-পুরুষ সমতা নেই উল্লেখ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরে নারী-পুরুষ সমতা নেই, যার প্রতিফলন সমাজেও দেখা যায়।‘
তিনি বলেন, ‘ওয়ার্ড থেকে জেলা পর্যন্ত সব পর্যায়ে ৪০ শতাংশ নারী অংশগ্রহণ নিশ্চিত না করলে প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়।‘ একই সঙ্গে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে হয়রানি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে অপপ্রচারের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশের নারীরা বর্তমানে ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ সময় পার করছে বলে উল্লেখ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. শাইখ ইমতিয়াজ বলেন, ‘গত ৩০ বছরে নারীরা আরও বেশি অনিরাপদ হয়ে পড়েছেন। প্রায় ৭০ শতাংশ নারী নিজেদের নিরাপদ মনে করেন না। নারীরা বর্তমানে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ সময় পার করছে।‘
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ নারী উদ্যোক্তা অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নাসরিন ফাতেমা আউয়াল বলেন, ‘নারীদের সমস্যা পরিবার থেকেই শুরু হয়।‘ তিনি ব্যাংক ঋণ, ট্রেড লাইসেন্স, ডে কেয়ার সুবিধা, জেন্ডার বাজেট ও নারী নেতৃত্ব একাডেমি গঠনের দাবি জানান।
গণ অধিকার পরিষদের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ফারুক হাসান বলেন, ‘ধর্মের নামে নারীর নেতৃত্বে বাধা দেওয়া অগ্রহণযোগ্য। সমাজে বৈষম্য ও সহিংসতার কোনো স্থান থাকা উচিত নয়।‘
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সৈয়দা আসিফা আশরাফি পাপিয়া, প্রীতি চক্রবর্তী, তাহরিম খান জাহিদ, কাজী মিনহাজুল আলম, এলিনা খান, হো চি মিন ইসলাম ও লামিয়া ইসলাম। তারা সবাই সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন, নীতিনির্ধারণে নারীদের সমান অংশগ্রহণ এবং নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন।


