প্রজ্ঞাপন জারি
৩ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে চাকরি থেকে অপসারণ
সিটিজেন ভিডিও ডেস্ক

৩ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে চাকরি থেকে অপসারণ
সিটিজেন ভিডিও ডেস্ক
প্রকাশ : ২০ নভেম্বর ২০২৫, ১২: ৫৪

বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে থাকা প্রশাসন ক্যাডারের তিন সহকারী কমিশনারকে (নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট) চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে। গতকাল বুধবার (১৯ নভেম্বর) ৪৩তম বিসিএসের এই তিন কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।।
এতে বলা হয়, তিনটি জেলার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে শিক্ষানবিশ সহকারী কমিশনার হিসেবে কর্মরত তিন কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে।
তবে কী কারণে তাঁদের চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে, সে বিষয়ে প্রজ্ঞাপনে কিছু বলা হয়নি।
চাকরি থেকে অপসারণ হওয়া কাজী আরিফুর রহমান ফরিদপুর, অনুপ কুমার বিশ্বাস বগুড়া এবং নবমিতা সরকার পিরোজপুরের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সহকারী কমিশনার হিসেবে কর্মরত অবস্থায় বনিয়াদি প্রশিক্ষণে ছিলেন।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস নিয়োগ বিধিমালা, ১৯৮১-এর বিধি ৬(২)(এ) অনুযায়ী তিন কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে।
ওই বিধিতে বলা হয়েছে, শিক্ষানবিশির মেয়াদ চলাকালে কোনো শিক্ষানবিশ সরকারি চাকরিতে বহাল থাকার অযোগ্য বিবেচিত হলে সরকারি কর্ম কমিশনের সঙ্গে পরামর্শ না করেই সরকার তাঁর নিয়োগের অবসান ঘটাতে পারবে।
চাকরি থেকে অপসারণ হওয়া এই তিন কর্মকর্তার কাছে সরকারি চাকরিকালীন কোনো প্রকার আর্থিক পাওনা থাকলে ‘দ্য পাবলিক ডিমান্ড রিকভারি অ্যাক্ট, ১৯১৩’ অনুযায়ী তা আদায়যোগ্য হবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে থাকা প্রশাসন ক্যাডারের তিন সহকারী কমিশনারকে (নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট) চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে। গতকাল বুধবার (১৯ নভেম্বর) ৪৩তম বিসিএসের এই তিন কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।।
এতে বলা হয়, তিনটি জেলার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে শিক্ষানবিশ সহকারী কমিশনার হিসেবে কর্মরত তিন কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে।
তবে কী কারণে তাঁদের চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে, সে বিষয়ে প্রজ্ঞাপনে কিছু বলা হয়নি।
চাকরি থেকে অপসারণ হওয়া কাজী আরিফুর রহমান ফরিদপুর, অনুপ কুমার বিশ্বাস বগুড়া এবং নবমিতা সরকার পিরোজপুরের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সহকারী কমিশনার হিসেবে কর্মরত অবস্থায় বনিয়াদি প্রশিক্ষণে ছিলেন।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস নিয়োগ বিধিমালা, ১৯৮১-এর বিধি ৬(২)(এ) অনুযায়ী তিন কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে।
ওই বিধিতে বলা হয়েছে, শিক্ষানবিশির মেয়াদ চলাকালে কোনো শিক্ষানবিশ সরকারি চাকরিতে বহাল থাকার অযোগ্য বিবেচিত হলে সরকারি কর্ম কমিশনের সঙ্গে পরামর্শ না করেই সরকার তাঁর নিয়োগের অবসান ঘটাতে পারবে।
চাকরি থেকে অপসারণ হওয়া এই তিন কর্মকর্তার কাছে সরকারি চাকরিকালীন কোনো প্রকার আর্থিক পাওনা থাকলে ‘দ্য পাবলিক ডিমান্ড রিকভারি অ্যাক্ট, ১৯১৩’ অনুযায়ী তা আদায়যোগ্য হবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

৩ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে চাকরি থেকে অপসারণ
সিটিজেন ভিডিও ডেস্ক
প্রকাশ : ২০ নভেম্বর ২০২৫, ১২: ৫৪

বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে থাকা প্রশাসন ক্যাডারের তিন সহকারী কমিশনারকে (নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট) চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে। গতকাল বুধবার (১৯ নভেম্বর) ৪৩তম বিসিএসের এই তিন কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।।
এতে বলা হয়, তিনটি জেলার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে শিক্ষানবিশ সহকারী কমিশনার হিসেবে কর্মরত তিন কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে।
তবে কী কারণে তাঁদের চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে, সে বিষয়ে প্রজ্ঞাপনে কিছু বলা হয়নি।
চাকরি থেকে অপসারণ হওয়া কাজী আরিফুর রহমান ফরিদপুর, অনুপ কুমার বিশ্বাস বগুড়া এবং নবমিতা সরকার পিরোজপুরের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সহকারী কমিশনার হিসেবে কর্মরত অবস্থায় বনিয়াদি প্রশিক্ষণে ছিলেন।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস নিয়োগ বিধিমালা, ১৯৮১-এর বিধি ৬(২)(এ) অনুযায়ী তিন কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে।
ওই বিধিতে বলা হয়েছে, শিক্ষানবিশির মেয়াদ চলাকালে কোনো শিক্ষানবিশ সরকারি চাকরিতে বহাল থাকার অযোগ্য বিবেচিত হলে সরকারি কর্ম কমিশনের সঙ্গে পরামর্শ না করেই সরকার তাঁর নিয়োগের অবসান ঘটাতে পারবে।
চাকরি থেকে অপসারণ হওয়া এই তিন কর্মকর্তার কাছে সরকারি চাকরিকালীন কোনো প্রকার আর্থিক পাওনা থাকলে ‘দ্য পাবলিক ডিমান্ড রিকভারি অ্যাক্ট, ১৯১৩’ অনুযায়ী তা আদায়যোগ্য হবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।




