মিরপুর কবরস্থানে ৮১২ এলইডি লাইট স্থাপন করেছে ডিএনসিসি

মিরপুর কবরস্থানে ৮১২ এলইডি লাইট স্থাপন করেছে ডিএনসিসি
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মিরপুরে বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের পাশে সাধারণ কবরস্থানের নিরাপত্তা ও সার্বিক পরিবেশ উন্নয়নের লক্ষ্যে ৫০ ওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ৮১২টি এলইডি লাইট স্থাপন করেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় লাইট স্থাপন কার্যক্রম শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে এলইডি লাইট প্রজ্বলন করেন ডিএনসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ। তিনি বলেন, প্রায় ৫৬ একর আয়তনের এই বিশাল কবরস্থানটিতে দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকায় সন্ধ্যার পর থেকে নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সংঘটিত হতো। আলোর অভাবে রাতের বেলায় কবর দেওয়া ও জিয়ারতকারীদের চলাচলেও চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো।
মোহাম্মদ এজাজ বলেন, আমরা নির্ধারিত সময়ের প্রায় দুই মাস আগেই কবরস্থান আলোকিত করার কাজ সম্পন্ন করতে পেরেছি। এখন থেকে মানুষ দিন-রাত নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে জিয়ারত করতে পারবেন।
তিনি আরও জানান, মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের পাশেই অবস্থিত সাধারণ কবরস্থানে প্রায় ৭২ হাজার কবর রয়েছে। এতদিন আলো না থাকায় রাতে দাফন কার্যক্রম পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়ত এবং কবরস্থানকে কেন্দ্র করে মাদক, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত হওয়ার অভিযোগ ছিল। নতুন করে স্থাপিত এলইডি লাইটের মাধ্যমে এসব সমস্যা অনেকাংশে কমে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
কবরস্থানে স্থাপিত এলইডি লাইটগুলো আধুনিক টাইম সেন্সরের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী লাইটগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু ও বন্ধ হবে, ফলে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পাশাপাশি ব্যবস্থাপনাও হবে আরও কার্যকর।
ডিএনসিসি প্রশাসন মনে করে, এই আলোকায়ন কার্যক্রম কেবল কবরস্থানের নিরাপত্তাই নিশ্চিত করবে না, বরং একটি সুশৃঙ্খল, মর্যাদাপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রাজধানীর মিরপুরে বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের পাশে সাধারণ কবরস্থানের নিরাপত্তা ও সার্বিক পরিবেশ উন্নয়নের লক্ষ্যে ৫০ ওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ৮১২টি এলইডি লাইট স্থাপন করেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় লাইট স্থাপন কার্যক্রম শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে এলইডি লাইট প্রজ্বলন করেন ডিএনসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ। তিনি বলেন, প্রায় ৫৬ একর আয়তনের এই বিশাল কবরস্থানটিতে দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকায় সন্ধ্যার পর থেকে নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সংঘটিত হতো। আলোর অভাবে রাতের বেলায় কবর দেওয়া ও জিয়ারতকারীদের চলাচলেও চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো।
মোহাম্মদ এজাজ বলেন, আমরা নির্ধারিত সময়ের প্রায় দুই মাস আগেই কবরস্থান আলোকিত করার কাজ সম্পন্ন করতে পেরেছি। এখন থেকে মানুষ দিন-রাত নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে জিয়ারত করতে পারবেন।
তিনি আরও জানান, মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের পাশেই অবস্থিত সাধারণ কবরস্থানে প্রায় ৭২ হাজার কবর রয়েছে। এতদিন আলো না থাকায় রাতে দাফন কার্যক্রম পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়ত এবং কবরস্থানকে কেন্দ্র করে মাদক, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত হওয়ার অভিযোগ ছিল। নতুন করে স্থাপিত এলইডি লাইটের মাধ্যমে এসব সমস্যা অনেকাংশে কমে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
কবরস্থানে স্থাপিত এলইডি লাইটগুলো আধুনিক টাইম সেন্সরের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী লাইটগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু ও বন্ধ হবে, ফলে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পাশাপাশি ব্যবস্থাপনাও হবে আরও কার্যকর।
ডিএনসিসি প্রশাসন মনে করে, এই আলোকায়ন কার্যক্রম কেবল কবরস্থানের নিরাপত্তাই নিশ্চিত করবে না, বরং একটি সুশৃঙ্খল, মর্যাদাপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মিরপুর কবরস্থানে ৮১২ এলইডি লাইট স্থাপন করেছে ডিএনসিসি
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মিরপুরে বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের পাশে সাধারণ কবরস্থানের নিরাপত্তা ও সার্বিক পরিবেশ উন্নয়নের লক্ষ্যে ৫০ ওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ৮১২টি এলইডি লাইট স্থাপন করেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় লাইট স্থাপন কার্যক্রম শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে এলইডি লাইট প্রজ্বলন করেন ডিএনসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ। তিনি বলেন, প্রায় ৫৬ একর আয়তনের এই বিশাল কবরস্থানটিতে দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকায় সন্ধ্যার পর থেকে নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সংঘটিত হতো। আলোর অভাবে রাতের বেলায় কবর দেওয়া ও জিয়ারতকারীদের চলাচলেও চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো।
মোহাম্মদ এজাজ বলেন, আমরা নির্ধারিত সময়ের প্রায় দুই মাস আগেই কবরস্থান আলোকিত করার কাজ সম্পন্ন করতে পেরেছি। এখন থেকে মানুষ দিন-রাত নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে জিয়ারত করতে পারবেন।
তিনি আরও জানান, মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের পাশেই অবস্থিত সাধারণ কবরস্থানে প্রায় ৭২ হাজার কবর রয়েছে। এতদিন আলো না থাকায় রাতে দাফন কার্যক্রম পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়ত এবং কবরস্থানকে কেন্দ্র করে মাদক, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত হওয়ার অভিযোগ ছিল। নতুন করে স্থাপিত এলইডি লাইটের মাধ্যমে এসব সমস্যা অনেকাংশে কমে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
কবরস্থানে স্থাপিত এলইডি লাইটগুলো আধুনিক টাইম সেন্সরের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী লাইটগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু ও বন্ধ হবে, ফলে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পাশাপাশি ব্যবস্থাপনাও হবে আরও কার্যকর।
ডিএনসিসি প্রশাসন মনে করে, এই আলোকায়ন কার্যক্রম কেবল কবরস্থানের নিরাপত্তাই নিশ্চিত করবে না, বরং একটি সুশৃঙ্খল, মর্যাদাপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।




