দক্ষতা অর্জনের প্রধান উপায় হলো প্রশিক্ষণ: সিনিয়র সচিব সালেহ আহমেদ
সিটিজেন ভিডিও ডেস্ক

দক্ষতা অর্জনের প্রধান উপায় হলো প্রশিক্ষণ: সিনিয়র সচিব সালেহ আহমেদ
সিটিজেন ভিডিও ডেস্ক
প্রকাশ : ২৬ নভেম্বর ২০২৫, ১২: ৫৭

প্রশিক্ষণ কাজের গুণগত মান বাড়ায় বলে মন্তব্য করেছেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ.এস.এম সালেহ আহমেদ। তিনি বলেছেন, দক্ষতা অর্জনের প্রধান উপায় হলো প্রশিক্ষণ। এই প্রশিক্ষণ কাজের গুণগত মান বাড়ায়।
আজ বুধবার (২৬ নভেম্বর) ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ও সমপর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য আয়োজিত ‘অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ’ উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন। ভূমি মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা সিনিয়র তথ্য অফিসার মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে সচিবালয় নির্দেশমালা ২০২৪ এর আলোকে নথি উপস্থাপনা, অনুমোদন, নথির শ্রেণীবিন্যাস, রেকর্ড ও সূচিকরণ, লেভেলের ব্যবহার এবং বরাত সূত্রের নির্দেশ বিষয়ক শিক্ষা দেওয়া হবে।
এ.এস.এম সালেহ আহমেদ বলেন, আধুনিক সময়ে কাজের ধরন দ্রুত বদলে যাচ্ছে। প্রযুক্তি, ব্যবস্থাপনা ও সেবার মান সব ক্ষেত্রেই প্রতিনিয়ত নতুনত্ব আসছে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কর্মীদের গুণগত মান বাড়াতে প্রশিক্ষণ অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজের মৌলিক শর্ত হলো সচিবালয় নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ পরিচালনা করা। নির্দেশনা, নীতিমালা কিংবা বিধিবিধান শুধু কাগজে-কলমে থাকার জন্য নয়; এগুলো বাস্তব কাজে প্রতিফলিত হলে তবেই সুশাসন, স্বচ্ছতা ও দক্ষতা নিশ্চিত হয়।
সিনিয়র সচিব মনে করেন সত্যিকার অর্থে আমাদের দেশপ্রেমিক কর্মচারীর অভাব রয়েছে। তিনি বলেন, নৈতিকতা দেশপ্রেম মাথায় রেখে কাজ করতে হবে। চাকরির ক্ষেত্রে নানা সময় সুবিধার জন্য আমরা দাবি আদায়ের জন্য ঐক্যবদ্ধ হই, আমাদের সেবা বাড়ানোর ক্ষেত্রেও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করে রাষ্ট্রের অগ্রগতির একজন অংশিদার হতে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, যখন ব্যক্তি নিজের দায়িত্বকে শুধু চাকরির কাজ হিসেবে নয়, বরং রাষ্ট্রের প্রতি এক ধরনের পবিত্র অঙ্গীকার হিসেবে মনে করেন তখনই প্রশাসন থেকে শুরু করে সেবা প্রদানকারী প্রতিটি স্তরে ইতিবাচক পরিবর্তন স্পষ্ট হয়। সচিবালয় নির্দেশমালা বা বিধি মেনে কাজ করাই এটি সম্ভব।
‘পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কাজ করতে হবে। পেশাদারিত্ব কেবল নিয়ম মেনে কাজ করার নাম নয়; বরং এটি একটি মানসিকতা, যা কর্মীর আচরণ, দৃষ্টিভঙ্গি, সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং কর্মফলকে সুসংহত করে’, বলেন সিনিয়র সচিব।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত সচিব মোঃ রায়হান কাওছার, উপসচিব নাসরিন সুলতানা ও উপসচিব মাসুদ কামাল।

প্রশিক্ষণ কাজের গুণগত মান বাড়ায় বলে মন্তব্য করেছেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ.এস.এম সালেহ আহমেদ। তিনি বলেছেন, দক্ষতা অর্জনের প্রধান উপায় হলো প্রশিক্ষণ। এই প্রশিক্ষণ কাজের গুণগত মান বাড়ায়।
আজ বুধবার (২৬ নভেম্বর) ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ও সমপর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য আয়োজিত ‘অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ’ উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন। ভূমি মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা সিনিয়র তথ্য অফিসার মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে সচিবালয় নির্দেশমালা ২০২৪ এর আলোকে নথি উপস্থাপনা, অনুমোদন, নথির শ্রেণীবিন্যাস, রেকর্ড ও সূচিকরণ, লেভেলের ব্যবহার এবং বরাত সূত্রের নির্দেশ বিষয়ক শিক্ষা দেওয়া হবে।
এ.এস.এম সালেহ আহমেদ বলেন, আধুনিক সময়ে কাজের ধরন দ্রুত বদলে যাচ্ছে। প্রযুক্তি, ব্যবস্থাপনা ও সেবার মান সব ক্ষেত্রেই প্রতিনিয়ত নতুনত্ব আসছে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কর্মীদের গুণগত মান বাড়াতে প্রশিক্ষণ অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজের মৌলিক শর্ত হলো সচিবালয় নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ পরিচালনা করা। নির্দেশনা, নীতিমালা কিংবা বিধিবিধান শুধু কাগজে-কলমে থাকার জন্য নয়; এগুলো বাস্তব কাজে প্রতিফলিত হলে তবেই সুশাসন, স্বচ্ছতা ও দক্ষতা নিশ্চিত হয়।
সিনিয়র সচিব মনে করেন সত্যিকার অর্থে আমাদের দেশপ্রেমিক কর্মচারীর অভাব রয়েছে। তিনি বলেন, নৈতিকতা দেশপ্রেম মাথায় রেখে কাজ করতে হবে। চাকরির ক্ষেত্রে নানা সময় সুবিধার জন্য আমরা দাবি আদায়ের জন্য ঐক্যবদ্ধ হই, আমাদের সেবা বাড়ানোর ক্ষেত্রেও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করে রাষ্ট্রের অগ্রগতির একজন অংশিদার হতে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, যখন ব্যক্তি নিজের দায়িত্বকে শুধু চাকরির কাজ হিসেবে নয়, বরং রাষ্ট্রের প্রতি এক ধরনের পবিত্র অঙ্গীকার হিসেবে মনে করেন তখনই প্রশাসন থেকে শুরু করে সেবা প্রদানকারী প্রতিটি স্তরে ইতিবাচক পরিবর্তন স্পষ্ট হয়। সচিবালয় নির্দেশমালা বা বিধি মেনে কাজ করাই এটি সম্ভব।
‘পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কাজ করতে হবে। পেশাদারিত্ব কেবল নিয়ম মেনে কাজ করার নাম নয়; বরং এটি একটি মানসিকতা, যা কর্মীর আচরণ, দৃষ্টিভঙ্গি, সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং কর্মফলকে সুসংহত করে’, বলেন সিনিয়র সচিব।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত সচিব মোঃ রায়হান কাওছার, উপসচিব নাসরিন সুলতানা ও উপসচিব মাসুদ কামাল।

দক্ষতা অর্জনের প্রধান উপায় হলো প্রশিক্ষণ: সিনিয়র সচিব সালেহ আহমেদ
সিটিজেন ভিডিও ডেস্ক
প্রকাশ : ২৬ নভেম্বর ২০২৫, ১২: ৫৭

প্রশিক্ষণ কাজের গুণগত মান বাড়ায় বলে মন্তব্য করেছেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ.এস.এম সালেহ আহমেদ। তিনি বলেছেন, দক্ষতা অর্জনের প্রধান উপায় হলো প্রশিক্ষণ। এই প্রশিক্ষণ কাজের গুণগত মান বাড়ায়।
আজ বুধবার (২৬ নভেম্বর) ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ও সমপর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য আয়োজিত ‘অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ’ উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন। ভূমি মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা সিনিয়র তথ্য অফিসার মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে সচিবালয় নির্দেশমালা ২০২৪ এর আলোকে নথি উপস্থাপনা, অনুমোদন, নথির শ্রেণীবিন্যাস, রেকর্ড ও সূচিকরণ, লেভেলের ব্যবহার এবং বরাত সূত্রের নির্দেশ বিষয়ক শিক্ষা দেওয়া হবে।
এ.এস.এম সালেহ আহমেদ বলেন, আধুনিক সময়ে কাজের ধরন দ্রুত বদলে যাচ্ছে। প্রযুক্তি, ব্যবস্থাপনা ও সেবার মান সব ক্ষেত্রেই প্রতিনিয়ত নতুনত্ব আসছে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কর্মীদের গুণগত মান বাড়াতে প্রশিক্ষণ অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজের মৌলিক শর্ত হলো সচিবালয় নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ পরিচালনা করা। নির্দেশনা, নীতিমালা কিংবা বিধিবিধান শুধু কাগজে-কলমে থাকার জন্য নয়; এগুলো বাস্তব কাজে প্রতিফলিত হলে তবেই সুশাসন, স্বচ্ছতা ও দক্ষতা নিশ্চিত হয়।
সিনিয়র সচিব মনে করেন সত্যিকার অর্থে আমাদের দেশপ্রেমিক কর্মচারীর অভাব রয়েছে। তিনি বলেন, নৈতিকতা দেশপ্রেম মাথায় রেখে কাজ করতে হবে। চাকরির ক্ষেত্রে নানা সময় সুবিধার জন্য আমরা দাবি আদায়ের জন্য ঐক্যবদ্ধ হই, আমাদের সেবা বাড়ানোর ক্ষেত্রেও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করে রাষ্ট্রের অগ্রগতির একজন অংশিদার হতে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, যখন ব্যক্তি নিজের দায়িত্বকে শুধু চাকরির কাজ হিসেবে নয়, বরং রাষ্ট্রের প্রতি এক ধরনের পবিত্র অঙ্গীকার হিসেবে মনে করেন তখনই প্রশাসন থেকে শুরু করে সেবা প্রদানকারী প্রতিটি স্তরে ইতিবাচক পরিবর্তন স্পষ্ট হয়। সচিবালয় নির্দেশমালা বা বিধি মেনে কাজ করাই এটি সম্ভব।
‘পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কাজ করতে হবে। পেশাদারিত্ব কেবল নিয়ম মেনে কাজ করার নাম নয়; বরং এটি একটি মানসিকতা, যা কর্মীর আচরণ, দৃষ্টিভঙ্গি, সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং কর্মফলকে সুসংহত করে’, বলেন সিনিয়র সচিব।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত সচিব মোঃ রায়হান কাওছার, উপসচিব নাসরিন সুলতানা ও উপসচিব মাসুদ কামাল।




