গাইবান্ধা
মহাসড়কের পাশে ময়লার ভাগাড়, দুর্ভোগে পথচারী

মহাসড়কের পাশে ময়লার ভাগাড়, দুর্ভোগে পথচারী
গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধা-পলাশবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশেই ময়লার ভাগাড়। পলাশবাড়ী পৌর এলাকার সব ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে এই সড়কের পাশেই। উৎকট দুর্গন্ধে শিক্ষার্থী, যানবাহনের চালক-যাত্রীসহ চরম দুর্ভোগে পথচারীরা।
জানা যায়, পলাশবাড়ী পৌরসভায় নেই নির্দিষ্ট কোনো ডাস্টবিন। ফলে ২৪টি এলাকার ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে রাস্তার পাশেই। চারপাশেই রয়েছে আবাসিক এলাকা। মাত্র ২০০ গজ দূরে একই পথে রয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। রয়েছে এনজিও সংস্থার অফিসও। ফলে চরম বিপাকে পড়েছেন এলাকাবাসীসহ পথচারীরা।
স্থানীয়রা জানান, অপরিকল্পিতভাবে আবাসিক এলাকায় দিনের পর দিন পৌরসভা থেকে এসব ময়লা-আবর্জনা ফেলায় চরম দুর্ভোগে রয়েছেন তারা। নাকে কাপড় কিংবা নিশ্বাস বন্ধ না করে এই রাস্তা দিয়ে যাওয়া একেবারে অসম্ভব। এছাড়া ময়লায় উৎপন্ন মিথেন গ্যাসের আগুন জ্বলতে থাকে।
তারা আরও জানান, প্রতিনিয়ত যে দুর্গন্ধ ও ধোঁয়া বের হচ্ছে তাতে দূষিত হচ্ছে আশপাশের পরিবেশ। স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীর পাশাপাশি পথচারীদের নাকে কাপড় চেপে এ এলাকায় চলাচল করতে হচ্ছে। ময়লার দুর্গন্ধ ও ধোঁয়ায় বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন জনসাধারণ। একাধিকবার অভিযোগ দিয়েও মিলছে না কোনো প্রতিকার। ফলে ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধে অতিষ্ট এলাকাবাসী।
বাসচালক সাইম খান বলেন, এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করলে নিশ্বাস নেয়া কঠিন হয়ে পড়ে। প্রায় সময় এখানে এলে গন্ধে যাত্রীরা বমি করে ।
পলাশবাড়ী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী আশিক খান রাফি বলেন, দুর্গন্ধের কারণে এই পথ দিয়ে চলাচল করা খুব কষ্ট হচ্ছে। এখান দিয়ে আসলেই নাক-মুখ চেপে চলাচল করতে হয় আমাদের। দ্রুত ময়লার ভাগাড়টি এখানে থেকে অন্য স্থানে সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানান এই শিক্ষার্থী।
এ বিষয়ে পলাশবাড়ী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক মো. আল ইয়াসা রহমান তাপাদার বলেন, পৌরসভায় ময়লা-আবর্জনা রাখার জন্য নিজস্ব কোনো জমি নেই। তবে পৌরসভার পক্ষ থেকে জমি খোঁজা হচ্ছে।

গাইবান্ধা-পলাশবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশেই ময়লার ভাগাড়। পলাশবাড়ী পৌর এলাকার সব ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে এই সড়কের পাশেই। উৎকট দুর্গন্ধে শিক্ষার্থী, যানবাহনের চালক-যাত্রীসহ চরম দুর্ভোগে পথচারীরা।
জানা যায়, পলাশবাড়ী পৌরসভায় নেই নির্দিষ্ট কোনো ডাস্টবিন। ফলে ২৪টি এলাকার ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে রাস্তার পাশেই। চারপাশেই রয়েছে আবাসিক এলাকা। মাত্র ২০০ গজ দূরে একই পথে রয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। রয়েছে এনজিও সংস্থার অফিসও। ফলে চরম বিপাকে পড়েছেন এলাকাবাসীসহ পথচারীরা।
স্থানীয়রা জানান, অপরিকল্পিতভাবে আবাসিক এলাকায় দিনের পর দিন পৌরসভা থেকে এসব ময়লা-আবর্জনা ফেলায় চরম দুর্ভোগে রয়েছেন তারা। নাকে কাপড় কিংবা নিশ্বাস বন্ধ না করে এই রাস্তা দিয়ে যাওয়া একেবারে অসম্ভব। এছাড়া ময়লায় উৎপন্ন মিথেন গ্যাসের আগুন জ্বলতে থাকে।
তারা আরও জানান, প্রতিনিয়ত যে দুর্গন্ধ ও ধোঁয়া বের হচ্ছে তাতে দূষিত হচ্ছে আশপাশের পরিবেশ। স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীর পাশাপাশি পথচারীদের নাকে কাপড় চেপে এ এলাকায় চলাচল করতে হচ্ছে। ময়লার দুর্গন্ধ ও ধোঁয়ায় বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন জনসাধারণ। একাধিকবার অভিযোগ দিয়েও মিলছে না কোনো প্রতিকার। ফলে ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধে অতিষ্ট এলাকাবাসী।
বাসচালক সাইম খান বলেন, এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করলে নিশ্বাস নেয়া কঠিন হয়ে পড়ে। প্রায় সময় এখানে এলে গন্ধে যাত্রীরা বমি করে ।
পলাশবাড়ী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী আশিক খান রাফি বলেন, দুর্গন্ধের কারণে এই পথ দিয়ে চলাচল করা খুব কষ্ট হচ্ছে। এখান দিয়ে আসলেই নাক-মুখ চেপে চলাচল করতে হয় আমাদের। দ্রুত ময়লার ভাগাড়টি এখানে থেকে অন্য স্থানে সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানান এই শিক্ষার্থী।
এ বিষয়ে পলাশবাড়ী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক মো. আল ইয়াসা রহমান তাপাদার বলেন, পৌরসভায় ময়লা-আবর্জনা রাখার জন্য নিজস্ব কোনো জমি নেই। তবে পৌরসভার পক্ষ থেকে জমি খোঁজা হচ্ছে।

মহাসড়কের পাশে ময়লার ভাগাড়, দুর্ভোগে পথচারী
গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধা-পলাশবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশেই ময়লার ভাগাড়। পলাশবাড়ী পৌর এলাকার সব ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে এই সড়কের পাশেই। উৎকট দুর্গন্ধে শিক্ষার্থী, যানবাহনের চালক-যাত্রীসহ চরম দুর্ভোগে পথচারীরা।
জানা যায়, পলাশবাড়ী পৌরসভায় নেই নির্দিষ্ট কোনো ডাস্টবিন। ফলে ২৪টি এলাকার ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে রাস্তার পাশেই। চারপাশেই রয়েছে আবাসিক এলাকা। মাত্র ২০০ গজ দূরে একই পথে রয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। রয়েছে এনজিও সংস্থার অফিসও। ফলে চরম বিপাকে পড়েছেন এলাকাবাসীসহ পথচারীরা।
স্থানীয়রা জানান, অপরিকল্পিতভাবে আবাসিক এলাকায় দিনের পর দিন পৌরসভা থেকে এসব ময়লা-আবর্জনা ফেলায় চরম দুর্ভোগে রয়েছেন তারা। নাকে কাপড় কিংবা নিশ্বাস বন্ধ না করে এই রাস্তা দিয়ে যাওয়া একেবারে অসম্ভব। এছাড়া ময়লায় উৎপন্ন মিথেন গ্যাসের আগুন জ্বলতে থাকে।
তারা আরও জানান, প্রতিনিয়ত যে দুর্গন্ধ ও ধোঁয়া বের হচ্ছে তাতে দূষিত হচ্ছে আশপাশের পরিবেশ। স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীর পাশাপাশি পথচারীদের নাকে কাপড় চেপে এ এলাকায় চলাচল করতে হচ্ছে। ময়লার দুর্গন্ধ ও ধোঁয়ায় বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন জনসাধারণ। একাধিকবার অভিযোগ দিয়েও মিলছে না কোনো প্রতিকার। ফলে ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধে অতিষ্ট এলাকাবাসী।
বাসচালক সাইম খান বলেন, এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করলে নিশ্বাস নেয়া কঠিন হয়ে পড়ে। প্রায় সময় এখানে এলে গন্ধে যাত্রীরা বমি করে ।
পলাশবাড়ী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী আশিক খান রাফি বলেন, দুর্গন্ধের কারণে এই পথ দিয়ে চলাচল করা খুব কষ্ট হচ্ছে। এখান দিয়ে আসলেই নাক-মুখ চেপে চলাচল করতে হয় আমাদের। দ্রুত ময়লার ভাগাড়টি এখানে থেকে অন্য স্থানে সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানান এই শিক্ষার্থী।
এ বিষয়ে পলাশবাড়ী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক মো. আল ইয়াসা রহমান তাপাদার বলেন, পৌরসভায় ময়লা-আবর্জনা রাখার জন্য নিজস্ব কোনো জমি নেই। তবে পৌরসভার পক্ষ থেকে জমি খোঁজা হচ্ছে।




