চট্টগ্রাম-২: বিএনপির সরোয়ারকে প্রার্থিতা ফিরিয়ে দিতে নির্দেশ

চট্টগ্রাম-২: বিএনপির সরোয়ারকে প্রার্থিতা ফিরিয়ে দিতে নির্দেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিলে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছেন হাই কোর্ট। একই সঙ্গে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করতে এবং ধানের শীষ প্রতীক দিতে ইসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরোয়ার আলমগীরের করা রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের বেঞ্চ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রুলসহ এ আদেশ দেন।
আদালতে সরোয়ার আলমগীরের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও মো. রুহুল কুদ্দুস। জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী নুরুল আমিনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন ও আইনজীবী এ এস এম শাহরিয়ার কবির। নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. রাজু মিয়া।
আহসানুল করিম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, মনোনয়ন বাতিলের ইসির সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। সরোয়ার আলমগীরকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। নির্বাচনে তার অংশ নিতে আইনগত বাধা নেই।
সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে তা বৈধ ঘোষণা করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। কিন্তু এ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগে ইসিতে আপিল দায়ের করেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন।
অভিযোগের শুনানি নিয়ে গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন আপিল মঞ্জুর করে। অর্থাৎ সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে যায়। ইসির এই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে প্রার্থিতা ফিরে পেতে সরোয়ার আলমগীর গত ১৯ জানুয়ারি হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন।
গত ২২ জানুয়ারি ঋণ পুনঃতফসিল করায় সরোয়ার আলমগীরের নাম ঋণ খেলাপির তালিকা থেকে বাদ দিয়ে হাইকোর্টের আদেশ বহাল রাখেন চেম্বার আদালত।
এর আগে, হাইকোর্ট সরোয়ার আলমগীরের নাম ঋণ খেলাপির তালিকা থেকে বাদ দিয়ে আদেশ দেন। গত ১৮ জানুয়ারি হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন চেম্বার জজ আদালত। প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত রবিবার চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত এ আদেশ দেন।
আদালতে প্রিমিয়ার লিজিংয়ের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মলয় কুমার রায়।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিলে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছেন হাই কোর্ট। একই সঙ্গে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করতে এবং ধানের শীষ প্রতীক দিতে ইসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরোয়ার আলমগীরের করা রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের বেঞ্চ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রুলসহ এ আদেশ দেন।
আদালতে সরোয়ার আলমগীরের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও মো. রুহুল কুদ্দুস। জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী নুরুল আমিনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন ও আইনজীবী এ এস এম শাহরিয়ার কবির। নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. রাজু মিয়া।
আহসানুল করিম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, মনোনয়ন বাতিলের ইসির সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। সরোয়ার আলমগীরকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। নির্বাচনে তার অংশ নিতে আইনগত বাধা নেই।
সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে তা বৈধ ঘোষণা করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। কিন্তু এ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগে ইসিতে আপিল দায়ের করেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন।
অভিযোগের শুনানি নিয়ে গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন আপিল মঞ্জুর করে। অর্থাৎ সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে যায়। ইসির এই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে প্রার্থিতা ফিরে পেতে সরোয়ার আলমগীর গত ১৯ জানুয়ারি হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন।
গত ২২ জানুয়ারি ঋণ পুনঃতফসিল করায় সরোয়ার আলমগীরের নাম ঋণ খেলাপির তালিকা থেকে বাদ দিয়ে হাইকোর্টের আদেশ বহাল রাখেন চেম্বার আদালত।
এর আগে, হাইকোর্ট সরোয়ার আলমগীরের নাম ঋণ খেলাপির তালিকা থেকে বাদ দিয়ে আদেশ দেন। গত ১৮ জানুয়ারি হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন চেম্বার জজ আদালত। প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত রবিবার চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত এ আদেশ দেন।
আদালতে প্রিমিয়ার লিজিংয়ের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মলয় কুমার রায়।

চট্টগ্রাম-২: বিএনপির সরোয়ারকে প্রার্থিতা ফিরিয়ে দিতে নির্দেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিলে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছেন হাই কোর্ট। একই সঙ্গে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করতে এবং ধানের শীষ প্রতীক দিতে ইসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরোয়ার আলমগীরের করা রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের বেঞ্চ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রুলসহ এ আদেশ দেন।
আদালতে সরোয়ার আলমগীরের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও মো. রুহুল কুদ্দুস। জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী নুরুল আমিনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন ও আইনজীবী এ এস এম শাহরিয়ার কবির। নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. রাজু মিয়া।
আহসানুল করিম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, মনোনয়ন বাতিলের ইসির সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। সরোয়ার আলমগীরকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। নির্বাচনে তার অংশ নিতে আইনগত বাধা নেই।
সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে তা বৈধ ঘোষণা করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। কিন্তু এ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগে ইসিতে আপিল দায়ের করেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন।
অভিযোগের শুনানি নিয়ে গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন আপিল মঞ্জুর করে। অর্থাৎ সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে যায়। ইসির এই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে প্রার্থিতা ফিরে পেতে সরোয়ার আলমগীর গত ১৯ জানুয়ারি হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন।
গত ২২ জানুয়ারি ঋণ পুনঃতফসিল করায় সরোয়ার আলমগীরের নাম ঋণ খেলাপির তালিকা থেকে বাদ দিয়ে হাইকোর্টের আদেশ বহাল রাখেন চেম্বার আদালত।
এর আগে, হাইকোর্ট সরোয়ার আলমগীরের নাম ঋণ খেলাপির তালিকা থেকে বাদ দিয়ে আদেশ দেন। গত ১৮ জানুয়ারি হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন চেম্বার জজ আদালত। প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত রবিবার চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত এ আদেশ দেন।
আদালতে প্রিমিয়ার লিজিংয়ের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মলয় কুমার রায়।




