শিরোনাম

‘যে ঠান্ডা পড়ছে অটো চালাই ক্যামনে’

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
‘যে ঠান্ডা পড়ছে অটো চালাই ক্যামনে’
গাইবান্ধায় শীত উপেক্ষা করে কাজে যান শ্রমজীবী মানুষ। ছবি: সিটিজেন জার্নাল

উত্তরের জনপদ গাইবান্ধায় বেশ কয়েকদিন ধরেই বেড়েছে শীতের তীব্রতা। সেই সঙ্গে হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশায় স্থবির হয়ে পড়েছে পুরো জেলা। এতে বিপর্যস্ত মধ্যে পড়েছে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষরা। শীতকে উপেক্ষা করেই তারা কাজে যান।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর ) রংপুর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, ' গাইবান্ধায় সকাল ১১টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।'

এই জেলায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কুয়াশা থাকে। সন্ধার পর ঘন কুয়াশা অনন্ধকার হয়ে যায়। রাতে টিপ টিপ করে বৃষ্টির মতো পানি পড়ে। ফলে যাহবাহন হেড লাইট দিয়ে চালাতেও কষ্টহয়ে যায় চালকদের। ফলে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্নআয়ের খেটে খাওয়া মানুষেরা।

স্থানীয় অটোরিকশা চালক মশিউর রহমান বলেন, ‘গেলো কয়েকদিন দুপুরের দিকে একটু একটু রোদ উঠতো কিন্তু আজকে এখনো রোদের দেখা নেই। মনে হচ্ছে, এ কয়দিন আর রোদের দেখা মিলবে না। যে ঠান্ডা পড়ছে তাতে অটো চালাই ক্যামনে।’

সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের মাঠেরপাড় এলাকার বাসিন্দা নওশা মিয়া বলেন, ‘কেবল তো পৌষ মাস শুরু, তাতেই যে ঠাণ্ডা লাগতিছে। মাঘ মাঘ পরেই নাই। তাতে বোঝা যাচ্ছে ঠাণ্ডা এবার ভালো লাগবে।’

শীতের কারণে শিশু ও বয়স্কদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের শিশু চিকিৎসক ডা: সোহেল বলেন, শীতে প্রত্যেককেই সতর্ক থেকে গরম কাপড় পরিধান করতে হবে। বিশেষ করে বাড়ির শিশু ও বৃদ্ধদের বাড়তি যত্ন নিতে হবে। ঠাণ্ডা ও বাসি খাবার পরিহার করতে হবে। শিশুদের রোদের দেখা মিলবে না। যে ঠান্ডাজনিত রোগের উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।