পল্লী বিদ্যুতের সরঞ্জাম ডাকাতির মামলায় গ্রেপ্তার ৩

পল্লী বিদ্যুতের সরঞ্জাম ডাকাতির মামলায় গ্রেপ্তার ৩
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় সাব স্টেশন থেকে পল্লী বিদ্যুতের বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ডাকাতির মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আবুল হোসেনের ছেলে বিপ্লব হোসেন (৩৮) এবং জামালপুর সদর উপজেলার বিষু মিয়ার ছেলে সুজন মিয়া (৩৯) ও একই জেলার ইসলামপুর উপজেলার হুরমুজ আলীর ছেলে রতন শেখ (৩২)।
বৃহস্পতিবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃতদের মানিকগঞ্জ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে গত সোমবার ও বুধবার রাজধানী ঢাকা ও গাজীপুরে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ সময় তাদেরকে কাছ থেকে ৩শ কেজি তামার তার, বিশটি মোবাইল ফোন, একটি মনিটর, একটি ইউপিএস, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত সংরঞ্জামসহ একটি ট্রাক উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানান, গত ৯ ডিসেম্বর রাতে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি ডাকাত দল শিবালয়ের বরঙ্গাইল এলাকায় নির্মাণাধীন সাব স্টেশনে প্রবেশ করে। এরপর নিরাপত্তারক্ষী ও শ্রমিকদের মারধর করে এবং অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে কপার মেস ও কপার প্লেটসহ বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ডাকাতি করে পালিয়ে যায়।
মামলার পর তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রথমে গাজীপুর থেকে সুজন মিয়া ও রতন শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্য মতে ঢাকা মেট্টোপলিটন এলাকা থেকে বিপ্লব হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শিবালয় থানার এসআই ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সুমন চক্রবর্তী জানান, দুপুরে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে নেওয়া হয়। তারা বিজ্ঞ আদালতের বিচারকের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় সাব স্টেশন থেকে পল্লী বিদ্যুতের বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ডাকাতির মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আবুল হোসেনের ছেলে বিপ্লব হোসেন (৩৮) এবং জামালপুর সদর উপজেলার বিষু মিয়ার ছেলে সুজন মিয়া (৩৯) ও একই জেলার ইসলামপুর উপজেলার হুরমুজ আলীর ছেলে রতন শেখ (৩২)।
বৃহস্পতিবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃতদের মানিকগঞ্জ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে গত সোমবার ও বুধবার রাজধানী ঢাকা ও গাজীপুরে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ সময় তাদেরকে কাছ থেকে ৩শ কেজি তামার তার, বিশটি মোবাইল ফোন, একটি মনিটর, একটি ইউপিএস, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত সংরঞ্জামসহ একটি ট্রাক উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানান, গত ৯ ডিসেম্বর রাতে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি ডাকাত দল শিবালয়ের বরঙ্গাইল এলাকায় নির্মাণাধীন সাব স্টেশনে প্রবেশ করে। এরপর নিরাপত্তারক্ষী ও শ্রমিকদের মারধর করে এবং অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে কপার মেস ও কপার প্লেটসহ বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ডাকাতি করে পালিয়ে যায়।
মামলার পর তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রথমে গাজীপুর থেকে সুজন মিয়া ও রতন শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্য মতে ঢাকা মেট্টোপলিটন এলাকা থেকে বিপ্লব হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শিবালয় থানার এসআই ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সুমন চক্রবর্তী জানান, দুপুরে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে নেওয়া হয়। তারা বিজ্ঞ আদালতের বিচারকের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পল্লী বিদ্যুতের সরঞ্জাম ডাকাতির মামলায় গ্রেপ্তার ৩
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় সাব স্টেশন থেকে পল্লী বিদ্যুতের বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ডাকাতির মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আবুল হোসেনের ছেলে বিপ্লব হোসেন (৩৮) এবং জামালপুর সদর উপজেলার বিষু মিয়ার ছেলে সুজন মিয়া (৩৯) ও একই জেলার ইসলামপুর উপজেলার হুরমুজ আলীর ছেলে রতন শেখ (৩২)।
বৃহস্পতিবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃতদের মানিকগঞ্জ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে গত সোমবার ও বুধবার রাজধানী ঢাকা ও গাজীপুরে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ সময় তাদেরকে কাছ থেকে ৩শ কেজি তামার তার, বিশটি মোবাইল ফোন, একটি মনিটর, একটি ইউপিএস, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত সংরঞ্জামসহ একটি ট্রাক উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানান, গত ৯ ডিসেম্বর রাতে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি ডাকাত দল শিবালয়ের বরঙ্গাইল এলাকায় নির্মাণাধীন সাব স্টেশনে প্রবেশ করে। এরপর নিরাপত্তারক্ষী ও শ্রমিকদের মারধর করে এবং অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে কপার মেস ও কপার প্লেটসহ বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ডাকাতি করে পালিয়ে যায়।
মামলার পর তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রথমে গাজীপুর থেকে সুজন মিয়া ও রতন শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্য মতে ঢাকা মেট্টোপলিটন এলাকা থেকে বিপ্লব হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শিবালয় থানার এসআই ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সুমন চক্রবর্তী জানান, দুপুরে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে নেওয়া হয়। তারা বিজ্ঞ আদালতের বিচারকের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।




