নরসিংদীতে দুই সপ্তাহে ৭ হত্যাকাণ্ড

নরসিংদীতে দুই সপ্তাহে ৭ হত্যাকাণ্ড
নরসিংদী প্রতিনিধি

নরসিংদী জেলার ছয়টি উপজেলায় গত দুই সপ্তাহে অন্তত সাতটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আধিপত্য বিস্তার-ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধকে কেন্দ্র করে এসব হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গত ১৬ ডিসেম্বর দুপুরে নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার বড়ইতলা এলাকায় একটি ময়লার ড্রেন থেকে আব্দুল্লাহ নামে এক মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। আব্দুল্লাহ নরসিংদীর পলাশ উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের সেকান্দরদী গ্রামের মুক্তার হোসেনের ছেলে। গত ২২ নভেম্বর মাদ্রাসা থেকে বের হয়ে আর বাড়ি ফেরেনি আব্দুল্লাহ।
এছাড়া ১২ ডিসেম্বর পলাশ উপজেলার জিনারদী ইউনিয়নের কাটাবের সড়কের পাশ থেকে অজ্ঞাতনামা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নিহতের ফিঙ্গার প্রিন্ট করে পরিচয় শনাক্ত করা হয়। তার নাম নয়ন চন্দ্র মজুমদার (২৮)।
তিনি চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ থানার উত্তর মগধরা গ্রামের দিলাল চন্দ্র মজুমদারের ছেলে। পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল বাজারের একটি ভাড়া বাসায় থেকে পার্শ্ববর্তী ঘাগড়া গ্রামে নিজের সেলুনে নরসুন্দরের কাজ করতেন।
গত ৮ ডিসেম্বর রায়পুরা উপজেলার নিলক্ষা দড়িগাঁও এলাকায় শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে এসে এলাকার মধ্যে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান মামুন মিয়া (২৫) নামে এক যুবক। তিনি দড়িগাঁও গ্রামের আব্দুল আউয়ালের ছেলে। তিনি কুয়েত প্রবাসী ছিলেন। মৃত্যুর ১৫ দিন আগে কুয়েত থেকে পাঁচ মাসের ছুটি নিয়ে দেশে আসেন তিনি।
এর আগে ৫ ডিসেম্বর বেলাবো উপজেলার আড়িয়াল খাঁ নদের পাড় থেকে আব্দুর রশিদ (৪০) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদি থানার লোহাজুরি গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল আওয়ালের ছেলে। স্থানীয়দের ভাষ্য, নিহত রশিদ প্রতিদিন সন্ধ্যায় আড়িয়াল খাঁ নদের তীরে মাছ ধরতে আসতেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মাছ ধরতে বের হলেও আর বাড়ি ফেরেননি।
গত ২ ডিসেম্বর রায়পুরা উপজেলার বাঁশগাড়িতে প্রাণতোষ সরকার (৪২) নামে এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। পরিবার জানায়, মঙ্গলবার রাতে বাড়িতে অবস্থান করছিলেন প্রাণতোষ সরকার। এ সময় প্রাণতোষের সঙ্গে কথা বলার জন্য দুজন লোক তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নেয়। পরে তারা বাঁশগাড়ি দিঘলিয়াকান্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে প্রাণতোষকে গুলি করে হত্যা করে।
অভিযোগ উঠেছে, সন্ত্রাসীদের চাহিদা মতো চাঁদা না দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে গুলি করে হত্যা করে তারা।
একই দিন ২ ডিসেম্বর আল আমিন (২৯) নামে এক ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকের মরদেহ মনোহরদী উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের পাথরদিয়া ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন স্থান থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত আল আমিন নরসিংদী সদর উপজেলার শিলমান্দী এলাকার চাঁন মিয়ার ছেলে।
পুলিশ জানায়, একদল ছিনতাইকারী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাটি ভাড়া করে আল আমিনকে নিয়ে যায় মনোহরদী। পরে সুবিধা মতো সময় তাকে হত্যা করে তার অটোরিকশাটি নিয়ে যায়।
একই স্টাইলে গত ২৯ নভেম্বর রায়পুরা উপজেলার আমিরগঞ্জ ইউনিয়নের বদরপুর এলাকার সড়কের পাশ থেকে শাহাদাৎ হোসেন (১৪) নামে এক কিশোরের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরিবার ও স্থানীয়দের ধারণা, দুর্বৃত্তরা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে শাহাদাৎকে গলা কেটে হত্যা করে সড়কের পাশে ফেলে রেখে গেছে।
নরসিংদীর নবাগত এসপি মো. আবদুল্লাহ আল-ফারুক জানান, হত্যাকাণ্ডের রহস্যগুলো উদ্ঘাটন করে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। বর্তমানে জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

নরসিংদী জেলার ছয়টি উপজেলায় গত দুই সপ্তাহে অন্তত সাতটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আধিপত্য বিস্তার-ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধকে কেন্দ্র করে এসব হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গত ১৬ ডিসেম্বর দুপুরে নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার বড়ইতলা এলাকায় একটি ময়লার ড্রেন থেকে আব্দুল্লাহ নামে এক মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। আব্দুল্লাহ নরসিংদীর পলাশ উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের সেকান্দরদী গ্রামের মুক্তার হোসেনের ছেলে। গত ২২ নভেম্বর মাদ্রাসা থেকে বের হয়ে আর বাড়ি ফেরেনি আব্দুল্লাহ।
এছাড়া ১২ ডিসেম্বর পলাশ উপজেলার জিনারদী ইউনিয়নের কাটাবের সড়কের পাশ থেকে অজ্ঞাতনামা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নিহতের ফিঙ্গার প্রিন্ট করে পরিচয় শনাক্ত করা হয়। তার নাম নয়ন চন্দ্র মজুমদার (২৮)।
তিনি চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ থানার উত্তর মগধরা গ্রামের দিলাল চন্দ্র মজুমদারের ছেলে। পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল বাজারের একটি ভাড়া বাসায় থেকে পার্শ্ববর্তী ঘাগড়া গ্রামে নিজের সেলুনে নরসুন্দরের কাজ করতেন।
গত ৮ ডিসেম্বর রায়পুরা উপজেলার নিলক্ষা দড়িগাঁও এলাকায় শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে এসে এলাকার মধ্যে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান মামুন মিয়া (২৫) নামে এক যুবক। তিনি দড়িগাঁও গ্রামের আব্দুল আউয়ালের ছেলে। তিনি কুয়েত প্রবাসী ছিলেন। মৃত্যুর ১৫ দিন আগে কুয়েত থেকে পাঁচ মাসের ছুটি নিয়ে দেশে আসেন তিনি।
এর আগে ৫ ডিসেম্বর বেলাবো উপজেলার আড়িয়াল খাঁ নদের পাড় থেকে আব্দুর রশিদ (৪০) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদি থানার লোহাজুরি গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল আওয়ালের ছেলে। স্থানীয়দের ভাষ্য, নিহত রশিদ প্রতিদিন সন্ধ্যায় আড়িয়াল খাঁ নদের তীরে মাছ ধরতে আসতেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মাছ ধরতে বের হলেও আর বাড়ি ফেরেননি।
গত ২ ডিসেম্বর রায়পুরা উপজেলার বাঁশগাড়িতে প্রাণতোষ সরকার (৪২) নামে এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। পরিবার জানায়, মঙ্গলবার রাতে বাড়িতে অবস্থান করছিলেন প্রাণতোষ সরকার। এ সময় প্রাণতোষের সঙ্গে কথা বলার জন্য দুজন লোক তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নেয়। পরে তারা বাঁশগাড়ি দিঘলিয়াকান্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে প্রাণতোষকে গুলি করে হত্যা করে।
অভিযোগ উঠেছে, সন্ত্রাসীদের চাহিদা মতো চাঁদা না দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে গুলি করে হত্যা করে তারা।
একই দিন ২ ডিসেম্বর আল আমিন (২৯) নামে এক ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকের মরদেহ মনোহরদী উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের পাথরদিয়া ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন স্থান থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত আল আমিন নরসিংদী সদর উপজেলার শিলমান্দী এলাকার চাঁন মিয়ার ছেলে।
পুলিশ জানায়, একদল ছিনতাইকারী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাটি ভাড়া করে আল আমিনকে নিয়ে যায় মনোহরদী। পরে সুবিধা মতো সময় তাকে হত্যা করে তার অটোরিকশাটি নিয়ে যায়।
একই স্টাইলে গত ২৯ নভেম্বর রায়পুরা উপজেলার আমিরগঞ্জ ইউনিয়নের বদরপুর এলাকার সড়কের পাশ থেকে শাহাদাৎ হোসেন (১৪) নামে এক কিশোরের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরিবার ও স্থানীয়দের ধারণা, দুর্বৃত্তরা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে শাহাদাৎকে গলা কেটে হত্যা করে সড়কের পাশে ফেলে রেখে গেছে।
নরসিংদীর নবাগত এসপি মো. আবদুল্লাহ আল-ফারুক জানান, হত্যাকাণ্ডের রহস্যগুলো উদ্ঘাটন করে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। বর্তমানে জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

নরসিংদীতে দুই সপ্তাহে ৭ হত্যাকাণ্ড
নরসিংদী প্রতিনিধি

নরসিংদী জেলার ছয়টি উপজেলায় গত দুই সপ্তাহে অন্তত সাতটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আধিপত্য বিস্তার-ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধকে কেন্দ্র করে এসব হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গত ১৬ ডিসেম্বর দুপুরে নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার বড়ইতলা এলাকায় একটি ময়লার ড্রেন থেকে আব্দুল্লাহ নামে এক মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। আব্দুল্লাহ নরসিংদীর পলাশ উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের সেকান্দরদী গ্রামের মুক্তার হোসেনের ছেলে। গত ২২ নভেম্বর মাদ্রাসা থেকে বের হয়ে আর বাড়ি ফেরেনি আব্দুল্লাহ।
এছাড়া ১২ ডিসেম্বর পলাশ উপজেলার জিনারদী ইউনিয়নের কাটাবের সড়কের পাশ থেকে অজ্ঞাতনামা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নিহতের ফিঙ্গার প্রিন্ট করে পরিচয় শনাক্ত করা হয়। তার নাম নয়ন চন্দ্র মজুমদার (২৮)।
তিনি চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ থানার উত্তর মগধরা গ্রামের দিলাল চন্দ্র মজুমদারের ছেলে। পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল বাজারের একটি ভাড়া বাসায় থেকে পার্শ্ববর্তী ঘাগড়া গ্রামে নিজের সেলুনে নরসুন্দরের কাজ করতেন।
গত ৮ ডিসেম্বর রায়পুরা উপজেলার নিলক্ষা দড়িগাঁও এলাকায় শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে এসে এলাকার মধ্যে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান মামুন মিয়া (২৫) নামে এক যুবক। তিনি দড়িগাঁও গ্রামের আব্দুল আউয়ালের ছেলে। তিনি কুয়েত প্রবাসী ছিলেন। মৃত্যুর ১৫ দিন আগে কুয়েত থেকে পাঁচ মাসের ছুটি নিয়ে দেশে আসেন তিনি।
এর আগে ৫ ডিসেম্বর বেলাবো উপজেলার আড়িয়াল খাঁ নদের পাড় থেকে আব্দুর রশিদ (৪০) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদি থানার লোহাজুরি গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল আওয়ালের ছেলে। স্থানীয়দের ভাষ্য, নিহত রশিদ প্রতিদিন সন্ধ্যায় আড়িয়াল খাঁ নদের তীরে মাছ ধরতে আসতেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মাছ ধরতে বের হলেও আর বাড়ি ফেরেননি।
গত ২ ডিসেম্বর রায়পুরা উপজেলার বাঁশগাড়িতে প্রাণতোষ সরকার (৪২) নামে এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। পরিবার জানায়, মঙ্গলবার রাতে বাড়িতে অবস্থান করছিলেন প্রাণতোষ সরকার। এ সময় প্রাণতোষের সঙ্গে কথা বলার জন্য দুজন লোক তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নেয়। পরে তারা বাঁশগাড়ি দিঘলিয়াকান্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে প্রাণতোষকে গুলি করে হত্যা করে।
অভিযোগ উঠেছে, সন্ত্রাসীদের চাহিদা মতো চাঁদা না দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে গুলি করে হত্যা করে তারা।
একই দিন ২ ডিসেম্বর আল আমিন (২৯) নামে এক ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকের মরদেহ মনোহরদী উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের পাথরদিয়া ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন স্থান থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত আল আমিন নরসিংদী সদর উপজেলার শিলমান্দী এলাকার চাঁন মিয়ার ছেলে।
পুলিশ জানায়, একদল ছিনতাইকারী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাটি ভাড়া করে আল আমিনকে নিয়ে যায় মনোহরদী। পরে সুবিধা মতো সময় তাকে হত্যা করে তার অটোরিকশাটি নিয়ে যায়।
একই স্টাইলে গত ২৯ নভেম্বর রায়পুরা উপজেলার আমিরগঞ্জ ইউনিয়নের বদরপুর এলাকার সড়কের পাশ থেকে শাহাদাৎ হোসেন (১৪) নামে এক কিশোরের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরিবার ও স্থানীয়দের ধারণা, দুর্বৃত্তরা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে শাহাদাৎকে গলা কেটে হত্যা করে সড়কের পাশে ফেলে রেখে গেছে।
নরসিংদীর নবাগত এসপি মো. আবদুল্লাহ আল-ফারুক জানান, হত্যাকাণ্ডের রহস্যগুলো উদ্ঘাটন করে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। বর্তমানে জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।




