৪৫ ফুট গভীরেও শিশু সাজিদকে পায়নি ফায়ার সার্ভিস

৪৫ ফুট গভীরেও শিশু সাজিদকে পায়নি ফায়ার সার্ভিস
সিটিজেন-ডেস্ক

রাজশাহীর তানোর উপজেলায় গভীর গর্তে পড়ে যাওয়া শিশু সাজিদকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। এরই মধ্যে ৪৫ ফুট গভীরেও শিশুটির অবস্থান শনাক্ত করতে পারেনি। বৃহস্পতিবারও (১১ ডিসেম্বর) শিশুটিকে শনাক্ত করতে উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস।
বুধবার দুপুরে তানোর উপজেলার পাচন্দর ইউনিয়নের কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
তানোর উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ম্যানেজার আব্দুর রউফ বলেন, ফায়ার সার্ভিস ৪৫ ফুট গর্ত করেছে। তবে শিশুটিকে শনাক্ত করা যায়নি। আরও ৩৮ ফুট নিচে কিছু একটা অনুভূত হয়েছে। তবে সেটি শিশু সাজিদ কি-না সেটা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা প্রথমে উদ্ধারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের তানোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী সদর স্টেশনের তিনটি ইউনিট গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা শুরু করে। শিশুটিকে জীবিত রাখতে পাইপের মাধ্যমে অক্সিজেন দেয়া হচ্ছে। গর্তের পাশে এক্সকেভেটর দিয়ে মাটি খনন করা হচ্ছে।
রাজশাহী ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক দিদারুল ইসলাম জানান, তারা আসার আগেই স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। তখন কিছু মাটি গর্তে পড়ে গেছে। তারা ক্যামেরা পাঠিয়ে দেখার চেষ্টা করেছেন। মানুষের কোলাহলের কারণে শিশুটির কোনো সাড়া বুঝতে পারছেন না।

রাজশাহীর তানোর উপজেলায় গভীর গর্তে পড়ে যাওয়া শিশু সাজিদকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। এরই মধ্যে ৪৫ ফুট গভীরেও শিশুটির অবস্থান শনাক্ত করতে পারেনি। বৃহস্পতিবারও (১১ ডিসেম্বর) শিশুটিকে শনাক্ত করতে উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস।
বুধবার দুপুরে তানোর উপজেলার পাচন্দর ইউনিয়নের কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
তানোর উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ম্যানেজার আব্দুর রউফ বলেন, ফায়ার সার্ভিস ৪৫ ফুট গর্ত করেছে। তবে শিশুটিকে শনাক্ত করা যায়নি। আরও ৩৮ ফুট নিচে কিছু একটা অনুভূত হয়েছে। তবে সেটি শিশু সাজিদ কি-না সেটা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা প্রথমে উদ্ধারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের তানোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী সদর স্টেশনের তিনটি ইউনিট গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা শুরু করে। শিশুটিকে জীবিত রাখতে পাইপের মাধ্যমে অক্সিজেন দেয়া হচ্ছে। গর্তের পাশে এক্সকেভেটর দিয়ে মাটি খনন করা হচ্ছে।
রাজশাহী ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক দিদারুল ইসলাম জানান, তারা আসার আগেই স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। তখন কিছু মাটি গর্তে পড়ে গেছে। তারা ক্যামেরা পাঠিয়ে দেখার চেষ্টা করেছেন। মানুষের কোলাহলের কারণে শিশুটির কোনো সাড়া বুঝতে পারছেন না।

৪৫ ফুট গভীরেও শিশু সাজিদকে পায়নি ফায়ার সার্ভিস
সিটিজেন-ডেস্ক

রাজশাহীর তানোর উপজেলায় গভীর গর্তে পড়ে যাওয়া শিশু সাজিদকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। এরই মধ্যে ৪৫ ফুট গভীরেও শিশুটির অবস্থান শনাক্ত করতে পারেনি। বৃহস্পতিবারও (১১ ডিসেম্বর) শিশুটিকে শনাক্ত করতে উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস।
বুধবার দুপুরে তানোর উপজেলার পাচন্দর ইউনিয়নের কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
তানোর উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ম্যানেজার আব্দুর রউফ বলেন, ফায়ার সার্ভিস ৪৫ ফুট গর্ত করেছে। তবে শিশুটিকে শনাক্ত করা যায়নি। আরও ৩৮ ফুট নিচে কিছু একটা অনুভূত হয়েছে। তবে সেটি শিশু সাজিদ কি-না সেটা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা প্রথমে উদ্ধারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের তানোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী সদর স্টেশনের তিনটি ইউনিট গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা শুরু করে। শিশুটিকে জীবিত রাখতে পাইপের মাধ্যমে অক্সিজেন দেয়া হচ্ছে। গর্তের পাশে এক্সকেভেটর দিয়ে মাটি খনন করা হচ্ছে।
রাজশাহী ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক দিদারুল ইসলাম জানান, তারা আসার আগেই স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। তখন কিছু মাটি গর্তে পড়ে গেছে। তারা ক্যামেরা পাঠিয়ে দেখার চেষ্টা করেছেন। মানুষের কোলাহলের কারণে শিশুটির কোনো সাড়া বুঝতে পারছেন না।




