আইনজীবী হত্যা: চিন্ময়সহ ৩৯ জনের বিচার শুরুর আদেশ

আইনজীবী হত্যা: চিন্ময়সহ ৩৯ জনের বিচার শুরুর আদেশ
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রামে আইনজীবী ইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ৩৯ জনের বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জাহিদুল হক আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর জন্য ২ ফেব্রুয়ারি দিন ঠিক করে দেন।
রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় চিন্ময় দাসের জামিন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ হলে ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর তার সমর্থকদের বিক্ষোভ ও সংঘর্ষের মধ্যে আদালত ভবনের কাছেই খুন হন আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ।
বাদীর আইনজীবী ও মহানগর দায়রা আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) রায়হানুল ওয়াজেদ বলেন, শুনানির পর চিন্ময়সহ গ্রেপ্তার সব আসামির উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করা হয়। চিন্ময়ের বিরুদ্ধে ৩০২ এবং ১০৯ ধারায় এবং অন্য ২২ জন আসামির বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। এই মামলায় ৩৯ জন আসামির মধ্যে ২৩ জন কারাগারে এবং বাকি ১৬ জন পলাতক।
অভিযোগ গঠনের শুনানিতে চিন্ময় দাসকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন করেন তার আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য। শুনানি শেষে আদালত তা নামঞ্জুর করেন।
আইনজীবী না থাকায় আরেক আসামি রাজীব ভট্টাচার্য্য নিজের পক্ষে আদালতে বক্তব্য দেন। উপস্থিত বাকি ২১ আসামির পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। পলাতক অন্য ১৬ আসামির পক্ষে রাষ্ট্র নিয়োজিত একজন আইনজীবী থাকলেও তিনি অভিযোগ গঠনের বিরোধিতা করেননি।
চিন্ময়ের উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে কোর্ট হিল প্রাঙ্গণে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পুলিশ জানায়, তাদের প্রায় ৯০০ সদস্যকে মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া, মোতায়েন করা হয়েছে র্যাব ও সেনা সদস্যদেরও।
সকাল থেকে কোর্ট হিলের দুটি প্রবেশপথে পুলিশ তল্লাশি চালায় এবং আইনজীবী ও অন্যদের পরিচয়পত্র যাচাই করে। চিন্ময় ও অন্যান্য আসামিকে সকাল পৌনে ১০টার দিকে বিশাল নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আদালত কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়। আদালতে চিন্ময় তার বক্তব্যে মামলার আরও তদন্তের দাবি জানান এবং বলেন যে আলিফ হত্যাকাণ্ডে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) সিএমপির কোতোয়ালি জোনের সাবেক সহকারী কমিশনার (এসি) মাহফুজুর রহমান চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ৩৯ জনকে আসামি করে চার্জশিট দাখিল করেন।
২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর জামিন নাকচ করে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশের পর চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে প্রিজন ভ্যান ঘিরে বিক্ষোভ করেন তার সমর্থকরা। আড়াই ঘণ্টা পর পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে চিন্ময়কে কারাগারে নিয়ে যায়।
বিক্ষোভকারীরা আদালত সড়কে রাখা বেশ কিছু মোটরসাইকেল ও যানবাহন ভাঙচুর করে। এরপর আদালতের সাধারণ আইনজীবী ও কর্মচারীরা মিলে তাদের ধাওয়া করে। ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার মধ্যে রঙ্গম কনভেনশন হল সড়কে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
ভাঙচুর, হামলা ও সংঘর্ষ, পুলিশের ওপর আক্রমণসহ বিভিন্ন অভিযোগে তিনটি মামলা দায়ের হয়। এসব মামলায় ৭৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। আর অজ্ঞাত আসামি করা হয় ১ হাজার ৪০০ জনকে।
পরে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের বাবা জামাল ৩১ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তার ভাই খান-ই-আলম কোতোয়ালি থানায় ৭০ জন আইনজীবীসহ ১১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আরেকটি মামলা করেন।

চট্টগ্রামে আইনজীবী ইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ৩৯ জনের বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জাহিদুল হক আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর জন্য ২ ফেব্রুয়ারি দিন ঠিক করে দেন।
রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় চিন্ময় দাসের জামিন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ হলে ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর তার সমর্থকদের বিক্ষোভ ও সংঘর্ষের মধ্যে আদালত ভবনের কাছেই খুন হন আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ।
বাদীর আইনজীবী ও মহানগর দায়রা আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) রায়হানুল ওয়াজেদ বলেন, শুনানির পর চিন্ময়সহ গ্রেপ্তার সব আসামির উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করা হয়। চিন্ময়ের বিরুদ্ধে ৩০২ এবং ১০৯ ধারায় এবং অন্য ২২ জন আসামির বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। এই মামলায় ৩৯ জন আসামির মধ্যে ২৩ জন কারাগারে এবং বাকি ১৬ জন পলাতক।
অভিযোগ গঠনের শুনানিতে চিন্ময় দাসকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন করেন তার আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য। শুনানি শেষে আদালত তা নামঞ্জুর করেন।
আইনজীবী না থাকায় আরেক আসামি রাজীব ভট্টাচার্য্য নিজের পক্ষে আদালতে বক্তব্য দেন। উপস্থিত বাকি ২১ আসামির পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। পলাতক অন্য ১৬ আসামির পক্ষে রাষ্ট্র নিয়োজিত একজন আইনজীবী থাকলেও তিনি অভিযোগ গঠনের বিরোধিতা করেননি।
চিন্ময়ের উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে কোর্ট হিল প্রাঙ্গণে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পুলিশ জানায়, তাদের প্রায় ৯০০ সদস্যকে মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া, মোতায়েন করা হয়েছে র্যাব ও সেনা সদস্যদেরও।
সকাল থেকে কোর্ট হিলের দুটি প্রবেশপথে পুলিশ তল্লাশি চালায় এবং আইনজীবী ও অন্যদের পরিচয়পত্র যাচাই করে। চিন্ময় ও অন্যান্য আসামিকে সকাল পৌনে ১০টার দিকে বিশাল নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আদালত কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়। আদালতে চিন্ময় তার বক্তব্যে মামলার আরও তদন্তের দাবি জানান এবং বলেন যে আলিফ হত্যাকাণ্ডে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) সিএমপির কোতোয়ালি জোনের সাবেক সহকারী কমিশনার (এসি) মাহফুজুর রহমান চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ৩৯ জনকে আসামি করে চার্জশিট দাখিল করেন।
২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর জামিন নাকচ করে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশের পর চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে প্রিজন ভ্যান ঘিরে বিক্ষোভ করেন তার সমর্থকরা। আড়াই ঘণ্টা পর পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে চিন্ময়কে কারাগারে নিয়ে যায়।
বিক্ষোভকারীরা আদালত সড়কে রাখা বেশ কিছু মোটরসাইকেল ও যানবাহন ভাঙচুর করে। এরপর আদালতের সাধারণ আইনজীবী ও কর্মচারীরা মিলে তাদের ধাওয়া করে। ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার মধ্যে রঙ্গম কনভেনশন হল সড়কে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
ভাঙচুর, হামলা ও সংঘর্ষ, পুলিশের ওপর আক্রমণসহ বিভিন্ন অভিযোগে তিনটি মামলা দায়ের হয়। এসব মামলায় ৭৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। আর অজ্ঞাত আসামি করা হয় ১ হাজার ৪০০ জনকে।
পরে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের বাবা জামাল ৩১ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তার ভাই খান-ই-আলম কোতোয়ালি থানায় ৭০ জন আইনজীবীসহ ১১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আরেকটি মামলা করেন।

আইনজীবী হত্যা: চিন্ময়সহ ৩৯ জনের বিচার শুরুর আদেশ
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রামে আইনজীবী ইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ৩৯ জনের বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জাহিদুল হক আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর জন্য ২ ফেব্রুয়ারি দিন ঠিক করে দেন।
রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় চিন্ময় দাসের জামিন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ হলে ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর তার সমর্থকদের বিক্ষোভ ও সংঘর্ষের মধ্যে আদালত ভবনের কাছেই খুন হন আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ।
বাদীর আইনজীবী ও মহানগর দায়রা আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) রায়হানুল ওয়াজেদ বলেন, শুনানির পর চিন্ময়সহ গ্রেপ্তার সব আসামির উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করা হয়। চিন্ময়ের বিরুদ্ধে ৩০২ এবং ১০৯ ধারায় এবং অন্য ২২ জন আসামির বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। এই মামলায় ৩৯ জন আসামির মধ্যে ২৩ জন কারাগারে এবং বাকি ১৬ জন পলাতক।
অভিযোগ গঠনের শুনানিতে চিন্ময় দাসকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন করেন তার আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য। শুনানি শেষে আদালত তা নামঞ্জুর করেন।
আইনজীবী না থাকায় আরেক আসামি রাজীব ভট্টাচার্য্য নিজের পক্ষে আদালতে বক্তব্য দেন। উপস্থিত বাকি ২১ আসামির পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। পলাতক অন্য ১৬ আসামির পক্ষে রাষ্ট্র নিয়োজিত একজন আইনজীবী থাকলেও তিনি অভিযোগ গঠনের বিরোধিতা করেননি।
চিন্ময়ের উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে কোর্ট হিল প্রাঙ্গণে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পুলিশ জানায়, তাদের প্রায় ৯০০ সদস্যকে মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া, মোতায়েন করা হয়েছে র্যাব ও সেনা সদস্যদেরও।
সকাল থেকে কোর্ট হিলের দুটি প্রবেশপথে পুলিশ তল্লাশি চালায় এবং আইনজীবী ও অন্যদের পরিচয়পত্র যাচাই করে। চিন্ময় ও অন্যান্য আসামিকে সকাল পৌনে ১০টার দিকে বিশাল নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আদালত কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়। আদালতে চিন্ময় তার বক্তব্যে মামলার আরও তদন্তের দাবি জানান এবং বলেন যে আলিফ হত্যাকাণ্ডে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) সিএমপির কোতোয়ালি জোনের সাবেক সহকারী কমিশনার (এসি) মাহফুজুর রহমান চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ৩৯ জনকে আসামি করে চার্জশিট দাখিল করেন।
২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর জামিন নাকচ করে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশের পর চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে প্রিজন ভ্যান ঘিরে বিক্ষোভ করেন তার সমর্থকরা। আড়াই ঘণ্টা পর পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে চিন্ময়কে কারাগারে নিয়ে যায়।
বিক্ষোভকারীরা আদালত সড়কে রাখা বেশ কিছু মোটরসাইকেল ও যানবাহন ভাঙচুর করে। এরপর আদালতের সাধারণ আইনজীবী ও কর্মচারীরা মিলে তাদের ধাওয়া করে। ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার মধ্যে রঙ্গম কনভেনশন হল সড়কে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
ভাঙচুর, হামলা ও সংঘর্ষ, পুলিশের ওপর আক্রমণসহ বিভিন্ন অভিযোগে তিনটি মামলা দায়ের হয়। এসব মামলায় ৭৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। আর অজ্ঞাত আসামি করা হয় ১ হাজার ৪০০ জনকে।
পরে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের বাবা জামাল ৩১ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তার ভাই খান-ই-আলম কোতোয়ালি থানায় ৭০ জন আইনজীবীসহ ১১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আরেকটি মামলা করেন।




