বনশ্রীর বাসায় স্কুলছাত্রীকে গলা কেটে হত্যা

বনশ্রীর বাসায় স্কুলছাত্রীকে গলা কেটে হত্যা
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীতে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে গলা কেটে করে হত্যা করা হয়েছে। নিহত ফাতেমা আক্তার নীলা (১৮) রেডিয়েন্ট স্কুলের ছাত্রী ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকারী পূর্বপরিচিত।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রী এলাকায় ‘এল’ ব্লকের ২/১ নম্বর বাসায় এ হত্যকাণ্ড ঘটে। বাসাটির নাম ‘প্রীতম ভিলা’। খবর পেয়ে বিকাল ৪টার দিকে মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ওই বাসায় যান।
জানা গেছে, মেয়েটির বাবার নাম মো. সজিব। তিনি পাশেই হোটেলের ব্যবসা করেন। মায়ের নাম দিলুয়ারা বেগম। তাদের গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জের লাখাই থানার কালাউক গ্রামে। হত্যাকাণ্ডের সময় বাসায় মেয়েটি ছাড়া আর কেউ ছিলেন না।
নিহতের বড় বোন শোভা জানান, জমিজমা-সংক্রান্ত বিষয়ে তাদের বাবা-মা গত বুধবার (৭ জানুয়ারি) গ্রামের বাড়িতে যান। বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে খাবার নেওয়ার জন্য হোটেলের কর্মচারী মিলন বাসায় এলে লিলি তার সঙ্গে কিছুটা খারাপ ব্যবহার করেছিল। আজ দুপুরের দিকেও মিলন খাবার নিতে বাসায় আসে। আমি তখন জিমে গিয়েছিলাম। জিম থেকে ফিরে দেখি ঘরের দরজা খোলা এবং ভেতরে সবকিছু এলোমেলো।
শোভা বলেন, বাসার ভেতরে বড় একটি পাতিলের মতো জিনিসের নিচে আমার বোনকে কুঁকড়ানো অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখি। প্রথমে ভেবেছিলাম মাথায় আঘাত পেয়েছে। পরে হিজাব খুলে দেখি গলায় রশি প্যাঁচানো এবং গলা বঁটি দিয়ে কাটা। আমাদের হোটেলের কর্মচারী মিলনের ওপরই আমাদের সন্দেহ হচ্ছে।
বোনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার সময় বাড়ির মালিক বা অন্য কেউ এগিয়ে আসেননি বলেও অভিযোগ করেন শোভা। পরে এক বন্ধুর সহযোগিতায় রিকশায় করে লিলিকে ফরাজী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
খিলগাঁও থানার ওসি মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জানান, বিকালের দিকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে ফরাজী হাসপাতাল থেকে ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মতিঝিল বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) ফয়েজ ইকবাল সিটিজেন জার্নালকে বলেন, মেয়েটিকে প্রথমে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে তাকে জবাই করা হয়েছে। এ ঘটনায় খিলগাঁও থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীতে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে গলা কেটে করে হত্যা করা হয়েছে। নিহত ফাতেমা আক্তার নীলা (১৮) রেডিয়েন্ট স্কুলের ছাত্রী ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকারী পূর্বপরিচিত।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রী এলাকায় ‘এল’ ব্লকের ২/১ নম্বর বাসায় এ হত্যকাণ্ড ঘটে। বাসাটির নাম ‘প্রীতম ভিলা’। খবর পেয়ে বিকাল ৪টার দিকে মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ওই বাসায় যান।
জানা গেছে, মেয়েটির বাবার নাম মো. সজিব। তিনি পাশেই হোটেলের ব্যবসা করেন। মায়ের নাম দিলুয়ারা বেগম। তাদের গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জের লাখাই থানার কালাউক গ্রামে। হত্যাকাণ্ডের সময় বাসায় মেয়েটি ছাড়া আর কেউ ছিলেন না।
নিহতের বড় বোন শোভা জানান, জমিজমা-সংক্রান্ত বিষয়ে তাদের বাবা-মা গত বুধবার (৭ জানুয়ারি) গ্রামের বাড়িতে যান। বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে খাবার নেওয়ার জন্য হোটেলের কর্মচারী মিলন বাসায় এলে লিলি তার সঙ্গে কিছুটা খারাপ ব্যবহার করেছিল। আজ দুপুরের দিকেও মিলন খাবার নিতে বাসায় আসে। আমি তখন জিমে গিয়েছিলাম। জিম থেকে ফিরে দেখি ঘরের দরজা খোলা এবং ভেতরে সবকিছু এলোমেলো।
শোভা বলেন, বাসার ভেতরে বড় একটি পাতিলের মতো জিনিসের নিচে আমার বোনকে কুঁকড়ানো অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখি। প্রথমে ভেবেছিলাম মাথায় আঘাত পেয়েছে। পরে হিজাব খুলে দেখি গলায় রশি প্যাঁচানো এবং গলা বঁটি দিয়ে কাটা। আমাদের হোটেলের কর্মচারী মিলনের ওপরই আমাদের সন্দেহ হচ্ছে।
বোনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার সময় বাড়ির মালিক বা অন্য কেউ এগিয়ে আসেননি বলেও অভিযোগ করেন শোভা। পরে এক বন্ধুর সহযোগিতায় রিকশায় করে লিলিকে ফরাজী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
খিলগাঁও থানার ওসি মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জানান, বিকালের দিকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে ফরাজী হাসপাতাল থেকে ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মতিঝিল বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) ফয়েজ ইকবাল সিটিজেন জার্নালকে বলেন, মেয়েটিকে প্রথমে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে তাকে জবাই করা হয়েছে। এ ঘটনায় খিলগাঁও থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বনশ্রীর বাসায় স্কুলছাত্রীকে গলা কেটে হত্যা
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীতে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে গলা কেটে করে হত্যা করা হয়েছে। নিহত ফাতেমা আক্তার নীলা (১৮) রেডিয়েন্ট স্কুলের ছাত্রী ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকারী পূর্বপরিচিত।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রী এলাকায় ‘এল’ ব্লকের ২/১ নম্বর বাসায় এ হত্যকাণ্ড ঘটে। বাসাটির নাম ‘প্রীতম ভিলা’। খবর পেয়ে বিকাল ৪টার দিকে মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ওই বাসায় যান।
জানা গেছে, মেয়েটির বাবার নাম মো. সজিব। তিনি পাশেই হোটেলের ব্যবসা করেন। মায়ের নাম দিলুয়ারা বেগম। তাদের গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জের লাখাই থানার কালাউক গ্রামে। হত্যাকাণ্ডের সময় বাসায় মেয়েটি ছাড়া আর কেউ ছিলেন না।
নিহতের বড় বোন শোভা জানান, জমিজমা-সংক্রান্ত বিষয়ে তাদের বাবা-মা গত বুধবার (৭ জানুয়ারি) গ্রামের বাড়িতে যান। বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে খাবার নেওয়ার জন্য হোটেলের কর্মচারী মিলন বাসায় এলে লিলি তার সঙ্গে কিছুটা খারাপ ব্যবহার করেছিল। আজ দুপুরের দিকেও মিলন খাবার নিতে বাসায় আসে। আমি তখন জিমে গিয়েছিলাম। জিম থেকে ফিরে দেখি ঘরের দরজা খোলা এবং ভেতরে সবকিছু এলোমেলো।
শোভা বলেন, বাসার ভেতরে বড় একটি পাতিলের মতো জিনিসের নিচে আমার বোনকে কুঁকড়ানো অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখি। প্রথমে ভেবেছিলাম মাথায় আঘাত পেয়েছে। পরে হিজাব খুলে দেখি গলায় রশি প্যাঁচানো এবং গলা বঁটি দিয়ে কাটা। আমাদের হোটেলের কর্মচারী মিলনের ওপরই আমাদের সন্দেহ হচ্ছে।
বোনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার সময় বাড়ির মালিক বা অন্য কেউ এগিয়ে আসেননি বলেও অভিযোগ করেন শোভা। পরে এক বন্ধুর সহযোগিতায় রিকশায় করে লিলিকে ফরাজী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
খিলগাঁও থানার ওসি মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জানান, বিকালের দিকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে ফরাজী হাসপাতাল থেকে ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মতিঝিল বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) ফয়েজ ইকবাল সিটিজেন জার্নালকে বলেন, মেয়েটিকে প্রথমে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে তাকে জবাই করা হয়েছে। এ ঘটনায় খিলগাঁও থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।




