বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী হত্যা, হোটেলকর্মীর দায় স্বীকার

বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী হত্যা, হোটেলকর্মীর দায় স্বীকার
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীতে স্কুলছাত্রীকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় হোটেলকর্মী মো. মিলন মল্লিক গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মিলন জানিয়েছেন, তার সঙ্গে পালিয়ে যেতে রাজি না হওয়ায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন।
গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকালে দক্ষিণ বনশ্রীর এল ব্লকের ‘প্রীতম ভিলা’ থেকে রেডিয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১০ম শ্রেণির ছাত্রী ফাতেমা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ফাতেমার বাবা সজীব মিয়া বনশ্রীতে একটি খাবার হোটেল পরিচালনা করেন। সেখানে কাজ করতেন মিলন।
ঘটনার সময় ফাতেমার বাবা-মা ও ভাই গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জে ছিলেন। বড় বোন শোভা আক্তার দুপুরে ব্যায়াম করতে জিমে গিয়েছিলেন। বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে বাসায় ফিরে এসে তিনি রান্নাঘরের মেঝেতে ছোট বোনকে গলাকাটা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তার চিৎকার আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। এ ঘটনায় শনিবার রাতেই খিলগাঁও থানায় হত্যা মামলা করেন সজিব মিয়া। অজ্ঞাতনামা এক বা একাধিক ব্যক্তির জড়িত থাকার কথা বলা হলেও মামলায় সন্দেহভাজন কারো নাম নেই।
তবে নিহতের পরিবারের সন্দেহ, তাদের হোটেলের কর্মচারী মিলন এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে থাকতে পারে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে তাকে ওই বাসায় ঢুকতে দেখা গেছে। সেই সন্দেহে মিলনকে খুঁজতে থাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরে সোমবার ভোরে বাগেরহাট সদর থানার বড় সিংগা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফাতেমা আক্তারের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে এ হত্যাকাণ্ড বলে র্যাবের কাছে স্বীকার করেন মিলন মল্লিক। তার দাবি, ফাতেমা তাকে বিভিন্ন সময় আকার-ইঙ্গিতে প্রেমের সম্পর্কের বহিঃপ্রকাশ করতো। পরিবারের সদস্যরা বাসা থেকে গ্রামে গেলে সে তার সঙ্গে পালিয়ে যাবে বলেও জানায়। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঘটনার দিন দুপুরে ২টা ২৫ মিনিটে মিলন ফাতেমাকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু ফাতেমা জানায়, মালিকের মেয়ে হয়ে কর্মচারীর সঙ্গে সে যাবে না। আরও বলে, বামন হয়ে চাঁদের দিকে হাত বাড়াও। প্রস্তাবে ব্যর্থ হয়ে মিলন ওই হত্যাকাণ্ড ঘটায়।
গত রবিবার হত্যা মামলার এজাহার গ্রহণ করেন ঢাকার মহানগর হাকিম রাজু আহমেদ। আদালত আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মো. মারুফুজ্জামান।
মামলার বিবরণীতে বলা হয়েছে, বাসার সামনে শাহজালাল হোটেল নামে একটি খাবারের হোটেল আছে সজিবের। তিনি তার ছেলে শাকিল ও কর্মচারী দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। দুই মেয়েকে বাসায় রেখে স্ত্রী-ছেলেকে নিয়ে গত ৭ জানুয়ারি জমি সংক্রান্ত কাজের জন্য হবিগঞ্জে গিয়েছিলেন সজিব।
এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সত্যতা উদ্ঘাটনে আরও জিজ্ঞাসাবাদে করা হবে বলে জানিয়েছে র্যাব।

রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীতে স্কুলছাত্রীকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় হোটেলকর্মী মো. মিলন মল্লিক গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মিলন জানিয়েছেন, তার সঙ্গে পালিয়ে যেতে রাজি না হওয়ায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন।
গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকালে দক্ষিণ বনশ্রীর এল ব্লকের ‘প্রীতম ভিলা’ থেকে রেডিয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১০ম শ্রেণির ছাত্রী ফাতেমা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ফাতেমার বাবা সজীব মিয়া বনশ্রীতে একটি খাবার হোটেল পরিচালনা করেন। সেখানে কাজ করতেন মিলন।
ঘটনার সময় ফাতেমার বাবা-মা ও ভাই গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জে ছিলেন। বড় বোন শোভা আক্তার দুপুরে ব্যায়াম করতে জিমে গিয়েছিলেন। বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে বাসায় ফিরে এসে তিনি রান্নাঘরের মেঝেতে ছোট বোনকে গলাকাটা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তার চিৎকার আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। এ ঘটনায় শনিবার রাতেই খিলগাঁও থানায় হত্যা মামলা করেন সজিব মিয়া। অজ্ঞাতনামা এক বা একাধিক ব্যক্তির জড়িত থাকার কথা বলা হলেও মামলায় সন্দেহভাজন কারো নাম নেই।
তবে নিহতের পরিবারের সন্দেহ, তাদের হোটেলের কর্মচারী মিলন এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে থাকতে পারে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে তাকে ওই বাসায় ঢুকতে দেখা গেছে। সেই সন্দেহে মিলনকে খুঁজতে থাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরে সোমবার ভোরে বাগেরহাট সদর থানার বড় সিংগা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফাতেমা আক্তারের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে এ হত্যাকাণ্ড বলে র্যাবের কাছে স্বীকার করেন মিলন মল্লিক। তার দাবি, ফাতেমা তাকে বিভিন্ন সময় আকার-ইঙ্গিতে প্রেমের সম্পর্কের বহিঃপ্রকাশ করতো। পরিবারের সদস্যরা বাসা থেকে গ্রামে গেলে সে তার সঙ্গে পালিয়ে যাবে বলেও জানায়। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঘটনার দিন দুপুরে ২টা ২৫ মিনিটে মিলন ফাতেমাকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু ফাতেমা জানায়, মালিকের মেয়ে হয়ে কর্মচারীর সঙ্গে সে যাবে না। আরও বলে, বামন হয়ে চাঁদের দিকে হাত বাড়াও। প্রস্তাবে ব্যর্থ হয়ে মিলন ওই হত্যাকাণ্ড ঘটায়।
গত রবিবার হত্যা মামলার এজাহার গ্রহণ করেন ঢাকার মহানগর হাকিম রাজু আহমেদ। আদালত আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মো. মারুফুজ্জামান।
মামলার বিবরণীতে বলা হয়েছে, বাসার সামনে শাহজালাল হোটেল নামে একটি খাবারের হোটেল আছে সজিবের। তিনি তার ছেলে শাকিল ও কর্মচারী দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। দুই মেয়েকে বাসায় রেখে স্ত্রী-ছেলেকে নিয়ে গত ৭ জানুয়ারি জমি সংক্রান্ত কাজের জন্য হবিগঞ্জে গিয়েছিলেন সজিব।
এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সত্যতা উদ্ঘাটনে আরও জিজ্ঞাসাবাদে করা হবে বলে জানিয়েছে র্যাব।

বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী হত্যা, হোটেলকর্মীর দায় স্বীকার
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীতে স্কুলছাত্রীকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় হোটেলকর্মী মো. মিলন মল্লিক গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মিলন জানিয়েছেন, তার সঙ্গে পালিয়ে যেতে রাজি না হওয়ায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন।
গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকালে দক্ষিণ বনশ্রীর এল ব্লকের ‘প্রীতম ভিলা’ থেকে রেডিয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১০ম শ্রেণির ছাত্রী ফাতেমা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ফাতেমার বাবা সজীব মিয়া বনশ্রীতে একটি খাবার হোটেল পরিচালনা করেন। সেখানে কাজ করতেন মিলন।
ঘটনার সময় ফাতেমার বাবা-মা ও ভাই গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জে ছিলেন। বড় বোন শোভা আক্তার দুপুরে ব্যায়াম করতে জিমে গিয়েছিলেন। বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে বাসায় ফিরে এসে তিনি রান্নাঘরের মেঝেতে ছোট বোনকে গলাকাটা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তার চিৎকার আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। এ ঘটনায় শনিবার রাতেই খিলগাঁও থানায় হত্যা মামলা করেন সজিব মিয়া। অজ্ঞাতনামা এক বা একাধিক ব্যক্তির জড়িত থাকার কথা বলা হলেও মামলায় সন্দেহভাজন কারো নাম নেই।
তবে নিহতের পরিবারের সন্দেহ, তাদের হোটেলের কর্মচারী মিলন এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে থাকতে পারে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে তাকে ওই বাসায় ঢুকতে দেখা গেছে। সেই সন্দেহে মিলনকে খুঁজতে থাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরে সোমবার ভোরে বাগেরহাট সদর থানার বড় সিংগা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফাতেমা আক্তারের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে এ হত্যাকাণ্ড বলে র্যাবের কাছে স্বীকার করেন মিলন মল্লিক। তার দাবি, ফাতেমা তাকে বিভিন্ন সময় আকার-ইঙ্গিতে প্রেমের সম্পর্কের বহিঃপ্রকাশ করতো। পরিবারের সদস্যরা বাসা থেকে গ্রামে গেলে সে তার সঙ্গে পালিয়ে যাবে বলেও জানায়। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঘটনার দিন দুপুরে ২টা ২৫ মিনিটে মিলন ফাতেমাকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু ফাতেমা জানায়, মালিকের মেয়ে হয়ে কর্মচারীর সঙ্গে সে যাবে না। আরও বলে, বামন হয়ে চাঁদের দিকে হাত বাড়াও। প্রস্তাবে ব্যর্থ হয়ে মিলন ওই হত্যাকাণ্ড ঘটায়।
গত রবিবার হত্যা মামলার এজাহার গ্রহণ করেন ঢাকার মহানগর হাকিম রাজু আহমেদ। আদালত আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মো. মারুফুজ্জামান।
মামলার বিবরণীতে বলা হয়েছে, বাসার সামনে শাহজালাল হোটেল নামে একটি খাবারের হোটেল আছে সজিবের। তিনি তার ছেলে শাকিল ও কর্মচারী দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। দুই মেয়েকে বাসায় রেখে স্ত্রী-ছেলেকে নিয়ে গত ৭ জানুয়ারি জমি সংক্রান্ত কাজের জন্য হবিগঞ্জে গিয়েছিলেন সজিব।
এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সত্যতা উদ্ঘাটনে আরও জিজ্ঞাসাবাদে করা হবে বলে জানিয়েছে র্যাব।




