শিরোনাম

মুছাব্বির হত্যার নির্দেশ আসে বিদেশ থেকে: ডিবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
মুছাব্বির হত্যার নির্দেশ আসে বিদেশ থেকে: ডিবি
সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) শফিকুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমান মুছাব্বিরকে হত্যার কারণ চাঁদাবাজি ও দখল নিয়ন্ত্রণ। দেশের বাইরে অবস্থানরত আন্ডার ওয়ার্ল্ডের শীর্ষ সন্ত্রাসী বিনাশ দাদা ওরফে দিলীপ এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পেছনের নির্দেশদাতা।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের অন্যতম শুটার রহিমকে শুক্রবার ভোরে নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার করার পরেই এ তথ্য বেরিয়ে আসে। রহিম এবং জিন্নাত নামে দুজন কিলিং মিশনে সরাসরি অংশ নেয়।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর দেশের বিভিন্ন এলাকার মতো কারওয়ান বাজারেও আওয়ামী লীগের দখলদারিত্বের অবসান ঘটে। এরপরেই সেখানে বিএনপির একাধিক গ্রুপ দখল নেওয়ার চেষ্টা করে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, চাঁদার ভাগ বাটোয়ারা এবং দখল নেওয়ার চেষ্টাকে কেন্দ্র করে বেশ কয়েক মাস ধরেই কয়েকটি গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। এসবের প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধনে হামলার ঘটনা ঘটে। সেসময় পুলিশ অন্তত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করে।

ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, হত্যার তদন্তে এখন পর্যন্ত চাঁদাবাজির ঘটনার ‘প্রমাণ মিলেছে’। এরই মধ্যে শুটার জিন্নাত আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। তাকে ১১ জানুয়ারি গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, হত্যার ঘটনায় এ পর্যন্ত মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এর আগে ঢাকা, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে হত্যার ঘটনার ‘মূল সমন্বয়কারী’ মো. বিল্লাল, সহায়তাকারী আব্দুল কাদির এবং ঘটনার আগেরদিন ঘটনাস্থল ‘রেকি’ করা মো. রিয়াজকে গ্রেপ্তার করার কথা জানায় ডিবি।

গত ৭ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর পশ্চিম তেজতুরী পাড়ায় হোটেল সুপার স্টারের পাশের গলিতে মুছাব্বিরকে গুলি করে মোটরসাইকেলে আসা আততায়ীরা। এসময় তার সঙ্গে থাকা আবু সুফিয়ান ব্যাপারি মাসুদও গুলিবিদ্ধ হন।

/এফসি/