শিরোনাম

তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন

বিমানবন্দর এলাকায় পোশাক কারখানায় ঐচ্ছিক ছুটির অনুরোধ বিজিএমইএর

সিটিজেন-ডেস্ক­
বিমানবন্দর এলাকায় পোশাক কারখানায় ঐচ্ছিক ছুটির অনুরোধ বিজিএমইএর
ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক জনসমাগম ও কঠোর নিরাপত্তা থাকবে। এতে ওই এলাকায় অবস্থিত পোশাক কারখানার শ্রমিকদের যাতায়াতে বিঘ্ন ঘটতে পারে। পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনে ওই দিন ছুটি দিয়ে বিকল্প দিনে কারখানা চালু রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট মালিকদের অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।

এ বিষয়ে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান বাবু সিটিজেন জার্নালকে বলেন, বিষয়টি বাধ্যতামূলক নির্দেশনা নয়, ঐচ্ছিক। আমরা আমাদের ব্যবসায়িক স্বার্থ দেখেছি, একই সঙ্গে মনে করছি, এ জনসমাগম যেন সফল হয়। তিনি বলেন, ওই এলাকার কারখানা খোলা রাখা হলো। কিন্তু ব্যাপক জনসমাগমের কারণে পোশাককর্মীরা আসতে পারলো না। তারচেয়ে ঐদিন বন্ধ রেখে বিকল্প দিনে কারখানা খোলা রাখা হলে দুইদিকেই লাভ হবে।

বিজিএমইএর ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. সাইফুল ইসলামের সই করা এক নোটিশে সোমবার এই অনুরোধ জানানো হয়। নোটিশে বলা হয়, আগামী বৃহস্পতিবার লন্ডন থেকে বিমানযোগে ঢাকায় পৌঁছাবেন তারেক রহমান। এ উপলক্ষে বিমানবন্দর ও সংলগ্ন এলাকায় বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম হতে পারে। এতে ওই এলাকার শ্রমিক যাতায়াত এবং আমদানি-রপ্তানির কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিজিএমইএ জানায়, উত্তরা (পূর্ব ও পশ্চিম), উত্তরখান, দক্ষিণখান, খিলক্ষেত, আব্দুল্লাহপুর, তুরাগ, টঙ্গি, পুবাইল, রূপগঞ্জ, কাঞ্চন ব্রিজ এবং আশুলিয়ার পূর্বাংশের পোশাক কারখানাগুলো এই পরিস্থিতির প্রভাবের মধ্যে পড়তে পারে।

এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট এলাকার কারখানা মালিকদের সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংগঠনটি। প্রয়োজনে শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে বৃহস্পতিবারের পরিবর্তে আগে বা পরে অন্য কোনো দিনে দায়িত্ব পালনের শর্তে ছুটি দেয়া যায় কি না, তা বিবেচনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া জরুরি আমদানি ও রপ্তানিকাজে ব্যবহৃত কাভার্ড ভ্যান চলাচলের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বিকল্প পথ ব্যবহারের অনুরোধও জানিয়েছে।