ঐশ্বরিয়াকে বিয়ে করতে চান পাকিস্তানি মুফতি

ঐশ্বরিয়াকে বিয়ে করতে চান পাকিস্তানি মুফতি
নিজস্ব প্রতিবেদক

ভারত–পাকিস্তান সীমান্ত নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যে এবার বিনোদন জগতেও শুরু হলো নতুন বিতর্কের ঝড়। বলিউড তারকা ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকে বিয়ে করার ইচ্ছা প্রকাশ করে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে এসেছেন পাকিস্তানের বিতর্কিত ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব মুফতি আবদুল কাভি। সম্প্রতি এক পডকাস্টে তিনি দাবি করেন, অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়ার বিবাহবিচ্ছেদ হলে নাকি প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরী নিজেই তাকে বিয়ের প্রস্তাব পাঠাবেন। কয়েকটি মন্তব্যেই তিনি আবারও সমালোচনার মুখে পড়েছেন।
ভারতীয় গণমাধ্যম জানায়, ওই পডকাস্টে কাভি বলেন, অভিষেক–ঐশ্বরিয়ার দাম্পত্য জীবনে নানা সমস্যা চলছে বলে তিনি শুনেছেন। তার দাবি, “যদি তাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়, তাহলে ঐশ্বরিয়া আমার কাছে বিয়ের প্রস্তাব পাঠাবেন।” যদিও তিনি যোগ করেন, তিনি নিজে কোনোভাবেই তাদের বিচ্ছেদ চান না।
পডকাস্টের সঞ্চালক প্রশ্ন করেন একজন অমুসলিম নারীকে কীভাবে তিনি বিয়ে করবেন? উত্তরে মুফতি কাভি জানান, ঐশ্বরিয়াকে ইসলাম গ্রহণ করিয়ে তার নাম রাখবেন ‘আয়েশা’। তিনি আরও বলেন, “ঐশ্বরিয়া রাইয়ের মতো একজন সুন্দরী যখন নিজের নামের জায়গায় লিখবেন আয়েশা রাই। এটা আমার কাছে বেশ আনন্দের মনে হবে।”
মুফতি আবদুল কাভি এর আগে বহুবার তার বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে আলোচনায় উঠে এসেছেন। ঐশ্বরিয়াকে নিয়ে এমন মন্তব্য করার আগেও তিনি ভারতীয় অভিনেত্রী রাখি সাওয়ান্তকে নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন। তার দাবি, তার উপদেশে রাখি নাকি ধর্ম পরিবর্তন করে ‘ফাতিমা’ নাম নিয়েছেন। এমনকি রাখিকে বিয়ে করার ইচ্ছাও প্রকাশ করেছিলেন তিনি।

ভারত–পাকিস্তান সীমান্ত নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যে এবার বিনোদন জগতেও শুরু হলো নতুন বিতর্কের ঝড়। বলিউড তারকা ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকে বিয়ে করার ইচ্ছা প্রকাশ করে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে এসেছেন পাকিস্তানের বিতর্কিত ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব মুফতি আবদুল কাভি। সম্প্রতি এক পডকাস্টে তিনি দাবি করেন, অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়ার বিবাহবিচ্ছেদ হলে নাকি প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরী নিজেই তাকে বিয়ের প্রস্তাব পাঠাবেন। কয়েকটি মন্তব্যেই তিনি আবারও সমালোচনার মুখে পড়েছেন।
ভারতীয় গণমাধ্যম জানায়, ওই পডকাস্টে কাভি বলেন, অভিষেক–ঐশ্বরিয়ার দাম্পত্য জীবনে নানা সমস্যা চলছে বলে তিনি শুনেছেন। তার দাবি, “যদি তাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়, তাহলে ঐশ্বরিয়া আমার কাছে বিয়ের প্রস্তাব পাঠাবেন।” যদিও তিনি যোগ করেন, তিনি নিজে কোনোভাবেই তাদের বিচ্ছেদ চান না।
পডকাস্টের সঞ্চালক প্রশ্ন করেন একজন অমুসলিম নারীকে কীভাবে তিনি বিয়ে করবেন? উত্তরে মুফতি কাভি জানান, ঐশ্বরিয়াকে ইসলাম গ্রহণ করিয়ে তার নাম রাখবেন ‘আয়েশা’। তিনি আরও বলেন, “ঐশ্বরিয়া রাইয়ের মতো একজন সুন্দরী যখন নিজের নামের জায়গায় লিখবেন আয়েশা রাই। এটা আমার কাছে বেশ আনন্দের মনে হবে।”
মুফতি আবদুল কাভি এর আগে বহুবার তার বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে আলোচনায় উঠে এসেছেন। ঐশ্বরিয়াকে নিয়ে এমন মন্তব্য করার আগেও তিনি ভারতীয় অভিনেত্রী রাখি সাওয়ান্তকে নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন। তার দাবি, তার উপদেশে রাখি নাকি ধর্ম পরিবর্তন করে ‘ফাতিমা’ নাম নিয়েছেন। এমনকি রাখিকে বিয়ে করার ইচ্ছাও প্রকাশ করেছিলেন তিনি।

ঐশ্বরিয়াকে বিয়ে করতে চান পাকিস্তানি মুফতি
নিজস্ব প্রতিবেদক

ভারত–পাকিস্তান সীমান্ত নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যে এবার বিনোদন জগতেও শুরু হলো নতুন বিতর্কের ঝড়। বলিউড তারকা ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকে বিয়ে করার ইচ্ছা প্রকাশ করে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে এসেছেন পাকিস্তানের বিতর্কিত ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব মুফতি আবদুল কাভি। সম্প্রতি এক পডকাস্টে তিনি দাবি করেন, অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়ার বিবাহবিচ্ছেদ হলে নাকি প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরী নিজেই তাকে বিয়ের প্রস্তাব পাঠাবেন। কয়েকটি মন্তব্যেই তিনি আবারও সমালোচনার মুখে পড়েছেন।
ভারতীয় গণমাধ্যম জানায়, ওই পডকাস্টে কাভি বলেন, অভিষেক–ঐশ্বরিয়ার দাম্পত্য জীবনে নানা সমস্যা চলছে বলে তিনি শুনেছেন। তার দাবি, “যদি তাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়, তাহলে ঐশ্বরিয়া আমার কাছে বিয়ের প্রস্তাব পাঠাবেন।” যদিও তিনি যোগ করেন, তিনি নিজে কোনোভাবেই তাদের বিচ্ছেদ চান না।
পডকাস্টের সঞ্চালক প্রশ্ন করেন একজন অমুসলিম নারীকে কীভাবে তিনি বিয়ে করবেন? উত্তরে মুফতি কাভি জানান, ঐশ্বরিয়াকে ইসলাম গ্রহণ করিয়ে তার নাম রাখবেন ‘আয়েশা’। তিনি আরও বলেন, “ঐশ্বরিয়া রাইয়ের মতো একজন সুন্দরী যখন নিজের নামের জায়গায় লিখবেন আয়েশা রাই। এটা আমার কাছে বেশ আনন্দের মনে হবে।”
মুফতি আবদুল কাভি এর আগে বহুবার তার বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে আলোচনায় উঠে এসেছেন। ঐশ্বরিয়াকে নিয়ে এমন মন্তব্য করার আগেও তিনি ভারতীয় অভিনেত্রী রাখি সাওয়ান্তকে নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন। তার দাবি, তার উপদেশে রাখি নাকি ধর্ম পরিবর্তন করে ‘ফাতিমা’ নাম নিয়েছেন। এমনকি রাখিকে বিয়ে করার ইচ্ছাও প্রকাশ করেছিলেন তিনি।




