দীপিকার বক্তব্যে তোলপাড় বলিপাড়া, যা বললেন মাধুরী

দীপিকার বক্তব্যে তোলপাড় বলিপাড়া, যা বললেন মাধুরী
বিনোদন জার্নাল

বলিউড তারকা দীপিকা পাড়ুকোনের কাজের সময় নিয়ে করা মন্তব্যে বলিউড থেকে টলিউড পর্যন্ত চলছে তুমুল আলোচনা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তিনি কোনো পরিস্থিতিতেই দিনে আট ঘণ্টার বেশি কাজ করবেন না।
দীপিকার এই বক্তব্য দ্রুতই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং শুরু হয় পক্ষে–বিপক্ষে বিতর্ক। কেউ এটিকে পেশাদারিত্বের অভাব বলে সমালোচনা করছেন, আবার অনেকেই একে কর্মপরিবেশে ন্যায্য অধিকার দাবি হিসেবে সমর্থন দিচ্ছেন।
তবে এই বিতর্কের মাঝেই এবার নীরবতা ভাঙলেন বলিউডের 'ড্যান্সিং কুইন' খ্যাত বর্ষীয়ান অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিত। তার অকপট স্বীকারোক্তি যেন দীপিকার দাবিকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলল।
সম্প্রতি বার্তা সংস্থা এএনআই-এর সাক্ষাত্কারে মাধুরী দীক্ষিত তার কাজের প্রতি ভালোবাসা ও নিষ্ঠার কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, আসন্ন সিনেমা ‘মিসেস দেশপান্ডে’র শুটিং চলাকালীন তাকে প্রায় প্রতিদিনই ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে সেটে থাকতে হয়েছে।

মাধুরী বলেন, ‘যখন ‘মিসেস দেশপান্ডে’ ছবিটির শুটিং চলছিল, তখন প্রায় প্রতিদিন ১২ ঘণ্টারও বেশি কাজ করতাম। আমি প্রত্যেককেই নিজের মতো ভাবি। আমি ভীষণ ওয়ার্কহোলিক। কাজ ছাড়া কিছু বুঝি না আমি।’
তবে কাজের সময়সীমা নিয়ে ব্যক্তিগত পছন্দের ক্ষেত্রে সহকর্মীদের প্রতিও শ্রদ্ধাশীল মাধুরী। তার কথায়, ‘হয়তো আমি অনেকটাই আলাদা। কিন্তু কারো যদি ক্ষমতা থাকে যে তিনি নির্দিষ্ট সময়ের বেশি কাজ করতে চান না, সে কথা তিনি বলতেই পারেন। প্রত্যেকের নিজের জীবন রয়েছে এবং নিজেদের কথা বলার অধিকারও রয়েছে।’

বলিউড তারকা দীপিকা পাড়ুকোনের কাজের সময় নিয়ে করা মন্তব্যে বলিউড থেকে টলিউড পর্যন্ত চলছে তুমুল আলোচনা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তিনি কোনো পরিস্থিতিতেই দিনে আট ঘণ্টার বেশি কাজ করবেন না।
দীপিকার এই বক্তব্য দ্রুতই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং শুরু হয় পক্ষে–বিপক্ষে বিতর্ক। কেউ এটিকে পেশাদারিত্বের অভাব বলে সমালোচনা করছেন, আবার অনেকেই একে কর্মপরিবেশে ন্যায্য অধিকার দাবি হিসেবে সমর্থন দিচ্ছেন।
তবে এই বিতর্কের মাঝেই এবার নীরবতা ভাঙলেন বলিউডের 'ড্যান্সিং কুইন' খ্যাত বর্ষীয়ান অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিত। তার অকপট স্বীকারোক্তি যেন দীপিকার দাবিকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলল।
সম্প্রতি বার্তা সংস্থা এএনআই-এর সাক্ষাত্কারে মাধুরী দীক্ষিত তার কাজের প্রতি ভালোবাসা ও নিষ্ঠার কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, আসন্ন সিনেমা ‘মিসেস দেশপান্ডে’র শুটিং চলাকালীন তাকে প্রায় প্রতিদিনই ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে সেটে থাকতে হয়েছে।

মাধুরী বলেন, ‘যখন ‘মিসেস দেশপান্ডে’ ছবিটির শুটিং চলছিল, তখন প্রায় প্রতিদিন ১২ ঘণ্টারও বেশি কাজ করতাম। আমি প্রত্যেককেই নিজের মতো ভাবি। আমি ভীষণ ওয়ার্কহোলিক। কাজ ছাড়া কিছু বুঝি না আমি।’
তবে কাজের সময়সীমা নিয়ে ব্যক্তিগত পছন্দের ক্ষেত্রে সহকর্মীদের প্রতিও শ্রদ্ধাশীল মাধুরী। তার কথায়, ‘হয়তো আমি অনেকটাই আলাদা। কিন্তু কারো যদি ক্ষমতা থাকে যে তিনি নির্দিষ্ট সময়ের বেশি কাজ করতে চান না, সে কথা তিনি বলতেই পারেন। প্রত্যেকের নিজের জীবন রয়েছে এবং নিজেদের কথা বলার অধিকারও রয়েছে।’

দীপিকার বক্তব্যে তোলপাড় বলিপাড়া, যা বললেন মাধুরী
বিনোদন জার্নাল

বলিউড তারকা দীপিকা পাড়ুকোনের কাজের সময় নিয়ে করা মন্তব্যে বলিউড থেকে টলিউড পর্যন্ত চলছে তুমুল আলোচনা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তিনি কোনো পরিস্থিতিতেই দিনে আট ঘণ্টার বেশি কাজ করবেন না।
দীপিকার এই বক্তব্য দ্রুতই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং শুরু হয় পক্ষে–বিপক্ষে বিতর্ক। কেউ এটিকে পেশাদারিত্বের অভাব বলে সমালোচনা করছেন, আবার অনেকেই একে কর্মপরিবেশে ন্যায্য অধিকার দাবি হিসেবে সমর্থন দিচ্ছেন।
তবে এই বিতর্কের মাঝেই এবার নীরবতা ভাঙলেন বলিউডের 'ড্যান্সিং কুইন' খ্যাত বর্ষীয়ান অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিত। তার অকপট স্বীকারোক্তি যেন দীপিকার দাবিকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলল।
সম্প্রতি বার্তা সংস্থা এএনআই-এর সাক্ষাত্কারে মাধুরী দীক্ষিত তার কাজের প্রতি ভালোবাসা ও নিষ্ঠার কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, আসন্ন সিনেমা ‘মিসেস দেশপান্ডে’র শুটিং চলাকালীন তাকে প্রায় প্রতিদিনই ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে সেটে থাকতে হয়েছে।

মাধুরী বলেন, ‘যখন ‘মিসেস দেশপান্ডে’ ছবিটির শুটিং চলছিল, তখন প্রায় প্রতিদিন ১২ ঘণ্টারও বেশি কাজ করতাম। আমি প্রত্যেককেই নিজের মতো ভাবি। আমি ভীষণ ওয়ার্কহোলিক। কাজ ছাড়া কিছু বুঝি না আমি।’
তবে কাজের সময়সীমা নিয়ে ব্যক্তিগত পছন্দের ক্ষেত্রে সহকর্মীদের প্রতিও শ্রদ্ধাশীল মাধুরী। তার কথায়, ‘হয়তো আমি অনেকটাই আলাদা। কিন্তু কারো যদি ক্ষমতা থাকে যে তিনি নির্দিষ্ট সময়ের বেশি কাজ করতে চান না, সে কথা তিনি বলতেই পারেন। প্রত্যেকের নিজের জীবন রয়েছে এবং নিজেদের কথা বলার অধিকারও রয়েছে।’




