ওমরায় গিয়ে ছেলেকে দেখে আপ্লুত ওমর সানী

ওমরায় গিয়ে ছেলেকে দেখে আপ্লুত ওমর সানী
বিনোদন ডেস্ক

পারিবারিক ব্যস্ততা ও জীবিকার প্রয়োজনে ঢালিউড তারকা ওমর সানী-মৌসুমী জুটির পরিবার থাকেন বিশ্বের নানা প্রান্তে। ওমর সানী বাংলাদেশে থাকলেও ছেলে ফারদিন এহসান ব্যবসার সূত্রে গেল দুই বছর ধরে দুবাইপ্রবাসী। অন্যদিকে মৌসুমি কন্যা ফাইজাকে নিয়ে থিতু হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে। এবার সৌদি আরবে দেখা হলো বাবা ও ছেলের।
সম্প্রতি জেদ্দায় ব্যবসায়িক কাজে যান ফারদিন। কাকতালীয় বা পরিকল্পিতভাবেই হোক, একই সময়ে সেখানে উপস্থিত হন ওমর সানী। ফলে দুই বছর পর দেখা হয় বাবা-ছেলের; একসঙ্গে পালন করেন পবিত্র ওমরাহ।
ছেলের সঙ্গে এই বিশেষ মুহূর্ত সামাজিক মাধ্যমে ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন ওমর সানী। এক ভিডিওতে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায় এই অভিনেতাকে। সানী বলেন, ‘আমার ছেলে ফারদিন দুই বছরের অধিক সময় বাংলাদেশের বাইরে। ও দুবাইতে কাজ করছে। জেদ্দাতে ওর সঙ্গে দেখা হলো। লাভ ইউ বাবা। তোমার কান্না চোখ আমাকে মুগ্ধ করেছে। ভালো থাকিস বাবা। তুই যেন সবসময় সুখে শান্তিতে থাকিস বাবা। আমার এই ফিলিংস বলে বোঝাতে পারবো না।’
ছেলের জন্য দোয়া চেয়ে তিনি আরও বলেন, ‘ওর জন্য দোয়া করবেন। ও ওমরাহর জন্য আসছে। ও যেন নিরাপদে থাকে, আল্লাহ যেন তাকে সবসময় সুস্থ ও শান্তিতে রাখে।’
এ ঘটনায় মৌসুমীর প্রতিক্রিয়ার কথা জানিয়ে সানী বলেন, ‘ফারদিন এবং আমার একটি ছবি দিয়েছিলাম ওর মা মৌসুমীকে। সে বললো, আমাদের একসাথে দেখে অঝোরে কান্না করছে। আমাদেরকে সে অনেক বেশি মিস করছে।’
দুই বছর পর বাবা-ছেলের দেখা এবং একসঙ্গে ইবাদতের বিষয়টি প্রশংসায় ভাসছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

পারিবারিক ব্যস্ততা ও জীবিকার প্রয়োজনে ঢালিউড তারকা ওমর সানী-মৌসুমী জুটির পরিবার থাকেন বিশ্বের নানা প্রান্তে। ওমর সানী বাংলাদেশে থাকলেও ছেলে ফারদিন এহসান ব্যবসার সূত্রে গেল দুই বছর ধরে দুবাইপ্রবাসী। অন্যদিকে মৌসুমি কন্যা ফাইজাকে নিয়ে থিতু হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে। এবার সৌদি আরবে দেখা হলো বাবা ও ছেলের।
সম্প্রতি জেদ্দায় ব্যবসায়িক কাজে যান ফারদিন। কাকতালীয় বা পরিকল্পিতভাবেই হোক, একই সময়ে সেখানে উপস্থিত হন ওমর সানী। ফলে দুই বছর পর দেখা হয় বাবা-ছেলের; একসঙ্গে পালন করেন পবিত্র ওমরাহ।
ছেলের সঙ্গে এই বিশেষ মুহূর্ত সামাজিক মাধ্যমে ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন ওমর সানী। এক ভিডিওতে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায় এই অভিনেতাকে। সানী বলেন, ‘আমার ছেলে ফারদিন দুই বছরের অধিক সময় বাংলাদেশের বাইরে। ও দুবাইতে কাজ করছে। জেদ্দাতে ওর সঙ্গে দেখা হলো। লাভ ইউ বাবা। তোমার কান্না চোখ আমাকে মুগ্ধ করেছে। ভালো থাকিস বাবা। তুই যেন সবসময় সুখে শান্তিতে থাকিস বাবা। আমার এই ফিলিংস বলে বোঝাতে পারবো না।’
ছেলের জন্য দোয়া চেয়ে তিনি আরও বলেন, ‘ওর জন্য দোয়া করবেন। ও ওমরাহর জন্য আসছে। ও যেন নিরাপদে থাকে, আল্লাহ যেন তাকে সবসময় সুস্থ ও শান্তিতে রাখে।’
এ ঘটনায় মৌসুমীর প্রতিক্রিয়ার কথা জানিয়ে সানী বলেন, ‘ফারদিন এবং আমার একটি ছবি দিয়েছিলাম ওর মা মৌসুমীকে। সে বললো, আমাদের একসাথে দেখে অঝোরে কান্না করছে। আমাদেরকে সে অনেক বেশি মিস করছে।’
দুই বছর পর বাবা-ছেলের দেখা এবং একসঙ্গে ইবাদতের বিষয়টি প্রশংসায় ভাসছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

ওমরায় গিয়ে ছেলেকে দেখে আপ্লুত ওমর সানী
বিনোদন ডেস্ক

পারিবারিক ব্যস্ততা ও জীবিকার প্রয়োজনে ঢালিউড তারকা ওমর সানী-মৌসুমী জুটির পরিবার থাকেন বিশ্বের নানা প্রান্তে। ওমর সানী বাংলাদেশে থাকলেও ছেলে ফারদিন এহসান ব্যবসার সূত্রে গেল দুই বছর ধরে দুবাইপ্রবাসী। অন্যদিকে মৌসুমি কন্যা ফাইজাকে নিয়ে থিতু হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে। এবার সৌদি আরবে দেখা হলো বাবা ও ছেলের।
সম্প্রতি জেদ্দায় ব্যবসায়িক কাজে যান ফারদিন। কাকতালীয় বা পরিকল্পিতভাবেই হোক, একই সময়ে সেখানে উপস্থিত হন ওমর সানী। ফলে দুই বছর পর দেখা হয় বাবা-ছেলের; একসঙ্গে পালন করেন পবিত্র ওমরাহ।
ছেলের সঙ্গে এই বিশেষ মুহূর্ত সামাজিক মাধ্যমে ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন ওমর সানী। এক ভিডিওতে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায় এই অভিনেতাকে। সানী বলেন, ‘আমার ছেলে ফারদিন দুই বছরের অধিক সময় বাংলাদেশের বাইরে। ও দুবাইতে কাজ করছে। জেদ্দাতে ওর সঙ্গে দেখা হলো। লাভ ইউ বাবা। তোমার কান্না চোখ আমাকে মুগ্ধ করেছে। ভালো থাকিস বাবা। তুই যেন সবসময় সুখে শান্তিতে থাকিস বাবা। আমার এই ফিলিংস বলে বোঝাতে পারবো না।’
ছেলের জন্য দোয়া চেয়ে তিনি আরও বলেন, ‘ওর জন্য দোয়া করবেন। ও ওমরাহর জন্য আসছে। ও যেন নিরাপদে থাকে, আল্লাহ যেন তাকে সবসময় সুস্থ ও শান্তিতে রাখে।’
এ ঘটনায় মৌসুমীর প্রতিক্রিয়ার কথা জানিয়ে সানী বলেন, ‘ফারদিন এবং আমার একটি ছবি দিয়েছিলাম ওর মা মৌসুমীকে। সে বললো, আমাদের একসাথে দেখে অঝোরে কান্না করছে। আমাদেরকে সে অনেক বেশি মিস করছে।’
দুই বছর পর বাবা-ছেলের দেখা এবং একসঙ্গে ইবাদতের বিষয়টি প্রশংসায় ভাসছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।




