গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সেবা সহজীকরণে ৭ দফা নির্দেশনা জারি
নিজস্ব প্রতিবেদক

আবাসিক প্লট ও ফ্ল্যাট হস্তান্তরে লিজদাতা প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন প্রথা বাতিল
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১০ নভেম্বর ২০২৫, ১৮: ৫১

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের উন্নয়নকৃত আবাসিক প্লট ও ফ্ল্যাট হস্তান্তর-পরবর্তী ব্যবস্থাপনায় সেবা সহজীকরণ এবং দুর্ভোগ ও দুর্নীতি হ্রাসে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। এ নির্দেশনায় আবাসিক প্লট ও ফ্ল্যাট ক্রয়, দান, হেবা, নামজারি, হস্তান্তর, আম-মোক্তার বা ঋণ অনুমতির ক্ষেত্রে লিজদাতা প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন গ্রহণের প্রথা বাতিল করা হয়েছে।
আজ সোমবার (১০ নভেম্বর) গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ড. মো. নুরুল আমিন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।
নতুন নির্দেশনায় বলা হয়, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং এর অধীন বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ বা সংস্থা কর্তৃক উন্নয়নকৃত আবাসিক প্লট ও ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে ক্রয়, দান, হেবা, নামজারি, হস্তান্তর, আম-মোক্তার দলিল সম্পাদন বা বাতিল এবং ঋণ গ্রহণের অনুমতির জন্য আর লিজদাতা প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন নিতে হবে না; দলিল রেজিস্ট্রেশনের সময় দলিল মূল্যের ওপর নির্ভর করে নির্ধারিত ফি (প্লটের ক্ষেত্রে ৩ শতাংশ, ফ্ল্যাট বা ভবনের ক্ষেত্রে ২ শতাংশ) সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুকূলে জমা দিতে হবে; দলিল সম্পাদনের পর ৯০ দিনের মধ্যে এর সার্টিফাইড কপি ও নামজারির রেকর্ড লিজদাতা প্রতিষ্ঠানে জমা দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা না দিলে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা যাবে; ৯৯ বছরের লিজ মেয়াদ শেষে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নবায়নকৃত বলে গণ্য হবে, এবং হস্তান্তর ফিও বাতিল হবে।
এছাড়া আরও বলা হয়েছে, আবাসিক ব্যতীত অন্যান্য (প্রাতিষ্ঠানিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প) সম্পত্তির ক্ষেত্রে বিদ্যমান অনুমোদন পদ্ধতি বহাল থাকবে; যে সকল সম্পত্তি পরিত্যক্ত, বিশেষ বিবেচনায় বরাদ্দপ্রাপ্ত বা সরকারের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট মামলায় জড়িত, তাদের ক্ষেত্রে লিজদাতা প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন বাধ্যতামূলক থাকবে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, যেসব আবাসিক প্লট বা ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে উত্তরাধিকার, ক্রয়, দান বা হেবা সূত্রে নামজারি, হস্তান্তর (বিক্রয়, দান, হেবা বা বণ্টন) দলিল সম্পাদন বা বাতিল, আম-মোক্তার দলিল সম্পাদন বা বাতিল এবং ঋণ গ্রহণের অনুমতি প্রদানের জন্য লিজদাতা প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজন হবে না, সেসব প্লট ও ফ্ল্যাটের তালিকা শীঘ্রই তফসিল আকারে প্রকাশ করা হবে। প্রকাশিত তালিকায় পরবর্তীতে কোনো ভুল বা ত্রুটি ধরা পড়লে তা সংশোধনের ক্ষমতা কর্তৃপক্ষের কাছে সংরক্ষিত থাকবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে লিজভুক্ত সম্পত্তির হস্তান্তর প্রক্রিয়া সহজ ও দুর্নীতিমুক্ত করার পাশাপাশি সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি কমবে বলে আশা করছে মন্ত্রণালয়।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের উন্নয়নকৃত আবাসিক প্লট ও ফ্ল্যাট হস্তান্তর-পরবর্তী ব্যবস্থাপনায় সেবা সহজীকরণ এবং দুর্ভোগ ও দুর্নীতি হ্রাসে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। এ নির্দেশনায় আবাসিক প্লট ও ফ্ল্যাট ক্রয়, দান, হেবা, নামজারি, হস্তান্তর, আম-মোক্তার বা ঋণ অনুমতির ক্ষেত্রে লিজদাতা প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন গ্রহণের প্রথা বাতিল করা হয়েছে।
আজ সোমবার (১০ নভেম্বর) গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ড. মো. নুরুল আমিন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।
নতুন নির্দেশনায় বলা হয়, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং এর অধীন বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ বা সংস্থা কর্তৃক উন্নয়নকৃত আবাসিক প্লট ও ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে ক্রয়, দান, হেবা, নামজারি, হস্তান্তর, আম-মোক্তার দলিল সম্পাদন বা বাতিল এবং ঋণ গ্রহণের অনুমতির জন্য আর লিজদাতা প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন নিতে হবে না; দলিল রেজিস্ট্রেশনের সময় দলিল মূল্যের ওপর নির্ভর করে নির্ধারিত ফি (প্লটের ক্ষেত্রে ৩ শতাংশ, ফ্ল্যাট বা ভবনের ক্ষেত্রে ২ শতাংশ) সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুকূলে জমা দিতে হবে; দলিল সম্পাদনের পর ৯০ দিনের মধ্যে এর সার্টিফাইড কপি ও নামজারির রেকর্ড লিজদাতা প্রতিষ্ঠানে জমা দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা না দিলে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা যাবে; ৯৯ বছরের লিজ মেয়াদ শেষে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নবায়নকৃত বলে গণ্য হবে, এবং হস্তান্তর ফিও বাতিল হবে।
এছাড়া আরও বলা হয়েছে, আবাসিক ব্যতীত অন্যান্য (প্রাতিষ্ঠানিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প) সম্পত্তির ক্ষেত্রে বিদ্যমান অনুমোদন পদ্ধতি বহাল থাকবে; যে সকল সম্পত্তি পরিত্যক্ত, বিশেষ বিবেচনায় বরাদ্দপ্রাপ্ত বা সরকারের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট মামলায় জড়িত, তাদের ক্ষেত্রে লিজদাতা প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন বাধ্যতামূলক থাকবে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, যেসব আবাসিক প্লট বা ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে উত্তরাধিকার, ক্রয়, দান বা হেবা সূত্রে নামজারি, হস্তান্তর (বিক্রয়, দান, হেবা বা বণ্টন) দলিল সম্পাদন বা বাতিল, আম-মোক্তার দলিল সম্পাদন বা বাতিল এবং ঋণ গ্রহণের অনুমতি প্রদানের জন্য লিজদাতা প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজন হবে না, সেসব প্লট ও ফ্ল্যাটের তালিকা শীঘ্রই তফসিল আকারে প্রকাশ করা হবে। প্রকাশিত তালিকায় পরবর্তীতে কোনো ভুল বা ত্রুটি ধরা পড়লে তা সংশোধনের ক্ষমতা কর্তৃপক্ষের কাছে সংরক্ষিত থাকবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে লিজভুক্ত সম্পত্তির হস্তান্তর প্রক্রিয়া সহজ ও দুর্নীতিমুক্ত করার পাশাপাশি সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি কমবে বলে আশা করছে মন্ত্রণালয়।

আবাসিক প্লট ও ফ্ল্যাট হস্তান্তরে লিজদাতা প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন প্রথা বাতিল
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১০ নভেম্বর ২০২৫, ১৮: ৫১

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের উন্নয়নকৃত আবাসিক প্লট ও ফ্ল্যাট হস্তান্তর-পরবর্তী ব্যবস্থাপনায় সেবা সহজীকরণ এবং দুর্ভোগ ও দুর্নীতি হ্রাসে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। এ নির্দেশনায় আবাসিক প্লট ও ফ্ল্যাট ক্রয়, দান, হেবা, নামজারি, হস্তান্তর, আম-মোক্তার বা ঋণ অনুমতির ক্ষেত্রে লিজদাতা প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন গ্রহণের প্রথা বাতিল করা হয়েছে।
আজ সোমবার (১০ নভেম্বর) গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ড. মো. নুরুল আমিন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।
নতুন নির্দেশনায় বলা হয়, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং এর অধীন বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ বা সংস্থা কর্তৃক উন্নয়নকৃত আবাসিক প্লট ও ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে ক্রয়, দান, হেবা, নামজারি, হস্তান্তর, আম-মোক্তার দলিল সম্পাদন বা বাতিল এবং ঋণ গ্রহণের অনুমতির জন্য আর লিজদাতা প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন নিতে হবে না; দলিল রেজিস্ট্রেশনের সময় দলিল মূল্যের ওপর নির্ভর করে নির্ধারিত ফি (প্লটের ক্ষেত্রে ৩ শতাংশ, ফ্ল্যাট বা ভবনের ক্ষেত্রে ২ শতাংশ) সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুকূলে জমা দিতে হবে; দলিল সম্পাদনের পর ৯০ দিনের মধ্যে এর সার্টিফাইড কপি ও নামজারির রেকর্ড লিজদাতা প্রতিষ্ঠানে জমা দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা না দিলে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা যাবে; ৯৯ বছরের লিজ মেয়াদ শেষে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নবায়নকৃত বলে গণ্য হবে, এবং হস্তান্তর ফিও বাতিল হবে।
এছাড়া আরও বলা হয়েছে, আবাসিক ব্যতীত অন্যান্য (প্রাতিষ্ঠানিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প) সম্পত্তির ক্ষেত্রে বিদ্যমান অনুমোদন পদ্ধতি বহাল থাকবে; যে সকল সম্পত্তি পরিত্যক্ত, বিশেষ বিবেচনায় বরাদ্দপ্রাপ্ত বা সরকারের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট মামলায় জড়িত, তাদের ক্ষেত্রে লিজদাতা প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন বাধ্যতামূলক থাকবে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, যেসব আবাসিক প্লট বা ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে উত্তরাধিকার, ক্রয়, দান বা হেবা সূত্রে নামজারি, হস্তান্তর (বিক্রয়, দান, হেবা বা বণ্টন) দলিল সম্পাদন বা বাতিল, আম-মোক্তার দলিল সম্পাদন বা বাতিল এবং ঋণ গ্রহণের অনুমতি প্রদানের জন্য লিজদাতা প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজন হবে না, সেসব প্লট ও ফ্ল্যাটের তালিকা শীঘ্রই তফসিল আকারে প্রকাশ করা হবে। প্রকাশিত তালিকায় পরবর্তীতে কোনো ভুল বা ত্রুটি ধরা পড়লে তা সংশোধনের ক্ষমতা কর্তৃপক্ষের কাছে সংরক্ষিত থাকবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে লিজভুক্ত সম্পত্তির হস্তান্তর প্রক্রিয়া সহজ ও দুর্নীতিমুক্ত করার পাশাপাশি সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি কমবে বলে আশা করছে মন্ত্রণালয়।




