শুল্ক না দেওয়ায় সাবেক এমপিদের ৩১ গাড়ি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর
নিজস্ব প্রতিবেদক

শুল্ক না দেওয়ায় সাবেক এমপিদের ৩১ গাড়ি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১২ নভেম্বর ২০২৫, ১২: ১৯

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বিলুপ্ত দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সদস্যদের আমদানিকৃত ৩১টি বিলাসবহুল গাড়ি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরে হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
আজ বুধবার (১২ নভেম্বর) এ বিষয়ে একটি বিশেষ আদেশ জারি করে এনবিআর।
এর আগে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস এসব গাড়ির শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রযোজ্য হবে কি না—এ বিষয়ে নির্দেশনা চাইলে, গত বছরের ৮ ডিসেম্বর এনবিআর জানায়, আমদানিকৃত গাড়িগুলোর ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রযোজ্য নয়। আমদানিকারকরা স্বাভাবিক হারে শুল্ক-কর পরিশোধ করেই গাড়িগুলো খালাস করতে পারবেন।
শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানিকৃত ৩১টি গাড়ির মোট শুল্ক-করের পরিমাণ ২৬৯ কোটি ৬১ লাখ ৮৯ হাজার ৬০০ টাকা। এর মধ্যে একক প্রতি সর্বোচ্চ শুল্ক-কর ৯ কোটি ৪৪ লাখ ৮৩ হাজার ৩০০ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৮ কোটি ৬২ লাখ ৬৭ হাজার ৪০০ টাকা।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, আমদানিকারকরা নির্ধারিত শুল্ক-কর পরিশোধ না করায় কাস্টমস আইন ২০২৩-এর ধারা ৯৪(৩) অনুযায়ী গাড়িগুলো নিলামে তোলা হয়। কিন্তু কোনো নিলামকারী যৌক্তিক দর না দেওয়ায়, জনস্বার্থে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গাড়িগুলো নিলামে বিক্রির পরিবর্তে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তবে এনবিআর জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকরা ভবিষ্যতে এই শুল্ক ও কর পরিশোধ করলে আইনিভাবে গাড়িগুলো খালাসের সুযোগ পাবেন। সেক্ষেত্রে সরকারি যানবাহন অধিদপ্তর গাড়িগুলো কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে ফেরত দেবে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বিলুপ্ত দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সদস্যদের আমদানিকৃত ৩১টি বিলাসবহুল গাড়ি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরে হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
আজ বুধবার (১২ নভেম্বর) এ বিষয়ে একটি বিশেষ আদেশ জারি করে এনবিআর।
এর আগে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস এসব গাড়ির শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রযোজ্য হবে কি না—এ বিষয়ে নির্দেশনা চাইলে, গত বছরের ৮ ডিসেম্বর এনবিআর জানায়, আমদানিকৃত গাড়িগুলোর ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রযোজ্য নয়। আমদানিকারকরা স্বাভাবিক হারে শুল্ক-কর পরিশোধ করেই গাড়িগুলো খালাস করতে পারবেন।
শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানিকৃত ৩১টি গাড়ির মোট শুল্ক-করের পরিমাণ ২৬৯ কোটি ৬১ লাখ ৮৯ হাজার ৬০০ টাকা। এর মধ্যে একক প্রতি সর্বোচ্চ শুল্ক-কর ৯ কোটি ৪৪ লাখ ৮৩ হাজার ৩০০ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৮ কোটি ৬২ লাখ ৬৭ হাজার ৪০০ টাকা।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, আমদানিকারকরা নির্ধারিত শুল্ক-কর পরিশোধ না করায় কাস্টমস আইন ২০২৩-এর ধারা ৯৪(৩) অনুযায়ী গাড়িগুলো নিলামে তোলা হয়। কিন্তু কোনো নিলামকারী যৌক্তিক দর না দেওয়ায়, জনস্বার্থে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গাড়িগুলো নিলামে বিক্রির পরিবর্তে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তবে এনবিআর জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকরা ভবিষ্যতে এই শুল্ক ও কর পরিশোধ করলে আইনিভাবে গাড়িগুলো খালাসের সুযোগ পাবেন। সেক্ষেত্রে সরকারি যানবাহন অধিদপ্তর গাড়িগুলো কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে ফেরত দেবে।

শুল্ক না দেওয়ায় সাবেক এমপিদের ৩১ গাড়ি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১২ নভেম্বর ২০২৫, ১২: ১৯

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বিলুপ্ত দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সদস্যদের আমদানিকৃত ৩১টি বিলাসবহুল গাড়ি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরে হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
আজ বুধবার (১২ নভেম্বর) এ বিষয়ে একটি বিশেষ আদেশ জারি করে এনবিআর।
এর আগে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস এসব গাড়ির শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রযোজ্য হবে কি না—এ বিষয়ে নির্দেশনা চাইলে, গত বছরের ৮ ডিসেম্বর এনবিআর জানায়, আমদানিকৃত গাড়িগুলোর ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রযোজ্য নয়। আমদানিকারকরা স্বাভাবিক হারে শুল্ক-কর পরিশোধ করেই গাড়িগুলো খালাস করতে পারবেন।
শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানিকৃত ৩১টি গাড়ির মোট শুল্ক-করের পরিমাণ ২৬৯ কোটি ৬১ লাখ ৮৯ হাজার ৬০০ টাকা। এর মধ্যে একক প্রতি সর্বোচ্চ শুল্ক-কর ৯ কোটি ৪৪ লাখ ৮৩ হাজার ৩০০ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৮ কোটি ৬২ লাখ ৬৭ হাজার ৪০০ টাকা।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, আমদানিকারকরা নির্ধারিত শুল্ক-কর পরিশোধ না করায় কাস্টমস আইন ২০২৩-এর ধারা ৯৪(৩) অনুযায়ী গাড়িগুলো নিলামে তোলা হয়। কিন্তু কোনো নিলামকারী যৌক্তিক দর না দেওয়ায়, জনস্বার্থে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গাড়িগুলো নিলামে বিক্রির পরিবর্তে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তবে এনবিআর জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকরা ভবিষ্যতে এই শুল্ক ও কর পরিশোধ করলে আইনিভাবে গাড়িগুলো খালাসের সুযোগ পাবেন। সেক্ষেত্রে সরকারি যানবাহন অধিদপ্তর গাড়িগুলো কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে ফেরত দেবে।




