ট্রাম্পকে গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি বন্ধের আহ্বান

ট্রাম্পকে গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি বন্ধের আহ্বান
সিটিজেন-ডেস্ক

ভেনেজুয়েলার পর এবার ডেনমার্কের অধিভুক্ত গ্রিনল্যান্ডের দিকে নজর দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে গ্রিনল্যান্ড দখলের বিষয়ে হুমকি দেওয়া বন্ধ করতে ট্রাম্পকে প্রকাশ্যে আহ্বান জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।
ড্যানিশ সরকারের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে মেটে ফ্রেডেরিকসেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ড দখল করার প্রয়োজন রয়েছে– এ ধরনের বক্তব্যের কোনো ভিত্তি নেই। তিনি বলেন, ‘ড্যানিশ কিংডমের অন্তর্ভুক্ত তিনটি ভূখণ্ডের কোনোটিকেই দখল করার অধিকার যুক্তরাষ্ট্রের নেই।’
ট্রাম্পের সহকারী স্টেফেন মিলারের স্ত্রী ও ডানপন্থী পডকাস্টার কেটি মিলার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে যুক্তরাষ্ট্রের পতাকার রঙে আঁকা গ্রিনল্যান্ডের একটি মানচিত্র পোস্ট করেন। তাতে লেখা ছিল, ‘শিগগিরই’। এর পরই ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রীর এ প্রতিক্রিয়া আসে।
গ্রিনল্যান্ডের কৌশলগত অবস্থান ও খনিজ সম্পদের কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প আগেও একাধিকবার দ্বীপটিকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ করার ইচ্ছার কথা বলেছেন। মেটে ফ্রেডেরিকসেনের বক্তব্যের পর তিনি এ অবস্থান আরও কঠোরভাবে পুনর্ব্যক্ত করেন।
ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে ২০২৫ সালের ২৯ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের সামনে প্রায় দেড় হাজার মানুষ জড়ো হয়ে গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের চাপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান।

মেটে ফ্রেডেরিকসেন বলেন, ‘ডেনমার্ক ন্যাটোর সদস্য এবং সেই সূত্রে গ্রিনল্যান্ডও ন্যাটোর নিরাপত্তা কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত।’
তিনি বলেন, ‘ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিদ্যমান প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডে প্রবেশাধিকার পায় এবং আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদারে ডেনমার্ক সেখানে বিনিয়োগ বাড়িয়েছে।’
ড্যানিশ প্রধানমন্ত্রীর ভাষায়, ‘আমি যুক্তরাষ্ট্রকে জোরালোভাবে আহ্বান জানাচ্ছি– একটি ঐতিহাসিকভাবে ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশের বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়া বন্ধ করুন; এমন এক জনগণের বিরুদ্ধে, যারা খুব স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে তারা বিক্রির জন্য নয়।’
‘আমি যুক্তরাষ্ট্রকে জোরালোভাবে আহ্বান জানাচ্ছি– একটি ঐতিহাসিকভাবে ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশের বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়া বন্ধ করুন; এমন এক জনগণের বিরুদ্ধে, যারা খুব স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে তারা বিক্রির জন্য নয়।’ মেটে ফ্রেডেরিকসেন প্রধানমন্ত্রী ডেনমার্ক
কয়েক ঘণ্টা পর এয়ার ফোর্স ওয়ানে ট্রাম্প আবার বলেন, ‘জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ড দরকার এবং ডেনমার্ক এটি আটকাতে পারবে না।’
এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত বলেন, দুই দেশ মিত্র এবং ডেনমার্ক তার ভূখণ্ডের অখণ্ডতার প্রতি সম্মান প্রত্যাশা করে।
এমন পরিস্থিতির মধ্যেই গত শনিবার (৩ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করে নিউইয়র্কে নিয়ে যায়। পরে ট্রাম্প ঘোষণা দেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলা পরিচালনা করবে এবং মার্কিন তেল কোম্পানিগুলো সেখানে কার্যক্রম শুরু করবে।
গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের সম্ভাবনাও কখনো নাকচ করেননি ট্রাম্প। তার দাবি, গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হলে জাতীয় নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে, কারণ দ্বীপটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং আধুনিক প্রযুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় বহু খনিজ সেখানে রয়েছে।
২০২৫ সালের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডে একজন বিশেষ দূত নিয়োগ দেয়, যা ডেনমার্কে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করে।
ডেনমার্কের অধিভুক্ত গ্রিনল্যান্ডে প্রায় ৫৭ হাজার মানুষের বসবাস। ১৯৭৯ সাল থেকে সেখানে স্বায়ত্তশাসন থাকলেও প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রনীতি এখনো ডেনমার্কের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অধিকাংশ গ্রিনল্যান্ডবাসী ভবিষ্যতে স্বাধীনতা চাইলেও যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হওয়ার বিষয়ে জরিপে প্রবল বিরোধিতা দেখা গেছে।
সূত্র: বিবিসি

ভেনেজুয়েলার পর এবার ডেনমার্কের অধিভুক্ত গ্রিনল্যান্ডের দিকে নজর দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে গ্রিনল্যান্ড দখলের বিষয়ে হুমকি দেওয়া বন্ধ করতে ট্রাম্পকে প্রকাশ্যে আহ্বান জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।
ড্যানিশ সরকারের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে মেটে ফ্রেডেরিকসেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ড দখল করার প্রয়োজন রয়েছে– এ ধরনের বক্তব্যের কোনো ভিত্তি নেই। তিনি বলেন, ‘ড্যানিশ কিংডমের অন্তর্ভুক্ত তিনটি ভূখণ্ডের কোনোটিকেই দখল করার অধিকার যুক্তরাষ্ট্রের নেই।’
ট্রাম্পের সহকারী স্টেফেন মিলারের স্ত্রী ও ডানপন্থী পডকাস্টার কেটি মিলার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে যুক্তরাষ্ট্রের পতাকার রঙে আঁকা গ্রিনল্যান্ডের একটি মানচিত্র পোস্ট করেন। তাতে লেখা ছিল, ‘শিগগিরই’। এর পরই ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রীর এ প্রতিক্রিয়া আসে।
গ্রিনল্যান্ডের কৌশলগত অবস্থান ও খনিজ সম্পদের কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প আগেও একাধিকবার দ্বীপটিকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ করার ইচ্ছার কথা বলেছেন। মেটে ফ্রেডেরিকসেনের বক্তব্যের পর তিনি এ অবস্থান আরও কঠোরভাবে পুনর্ব্যক্ত করেন।
ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে ২০২৫ সালের ২৯ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের সামনে প্রায় দেড় হাজার মানুষ জড়ো হয়ে গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের চাপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান।

মেটে ফ্রেডেরিকসেন বলেন, ‘ডেনমার্ক ন্যাটোর সদস্য এবং সেই সূত্রে গ্রিনল্যান্ডও ন্যাটোর নিরাপত্তা কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত।’
তিনি বলেন, ‘ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিদ্যমান প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডে প্রবেশাধিকার পায় এবং আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদারে ডেনমার্ক সেখানে বিনিয়োগ বাড়িয়েছে।’
ড্যানিশ প্রধানমন্ত্রীর ভাষায়, ‘আমি যুক্তরাষ্ট্রকে জোরালোভাবে আহ্বান জানাচ্ছি– একটি ঐতিহাসিকভাবে ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশের বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়া বন্ধ করুন; এমন এক জনগণের বিরুদ্ধে, যারা খুব স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে তারা বিক্রির জন্য নয়।’
‘আমি যুক্তরাষ্ট্রকে জোরালোভাবে আহ্বান জানাচ্ছি– একটি ঐতিহাসিকভাবে ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশের বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়া বন্ধ করুন; এমন এক জনগণের বিরুদ্ধে, যারা খুব স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে তারা বিক্রির জন্য নয়।’ মেটে ফ্রেডেরিকসেন প্রধানমন্ত্রী ডেনমার্ক
কয়েক ঘণ্টা পর এয়ার ফোর্স ওয়ানে ট্রাম্প আবার বলেন, ‘জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ড দরকার এবং ডেনমার্ক এটি আটকাতে পারবে না।’
এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত বলেন, দুই দেশ মিত্র এবং ডেনমার্ক তার ভূখণ্ডের অখণ্ডতার প্রতি সম্মান প্রত্যাশা করে।
এমন পরিস্থিতির মধ্যেই গত শনিবার (৩ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করে নিউইয়র্কে নিয়ে যায়। পরে ট্রাম্প ঘোষণা দেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলা পরিচালনা করবে এবং মার্কিন তেল কোম্পানিগুলো সেখানে কার্যক্রম শুরু করবে।
গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের সম্ভাবনাও কখনো নাকচ করেননি ট্রাম্প। তার দাবি, গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হলে জাতীয় নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে, কারণ দ্বীপটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং আধুনিক প্রযুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় বহু খনিজ সেখানে রয়েছে।
২০২৫ সালের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডে একজন বিশেষ দূত নিয়োগ দেয়, যা ডেনমার্কে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করে।
ডেনমার্কের অধিভুক্ত গ্রিনল্যান্ডে প্রায় ৫৭ হাজার মানুষের বসবাস। ১৯৭৯ সাল থেকে সেখানে স্বায়ত্তশাসন থাকলেও প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রনীতি এখনো ডেনমার্কের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অধিকাংশ গ্রিনল্যান্ডবাসী ভবিষ্যতে স্বাধীনতা চাইলেও যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হওয়ার বিষয়ে জরিপে প্রবল বিরোধিতা দেখা গেছে।
সূত্র: বিবিসি

ট্রাম্পকে গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি বন্ধের আহ্বান
সিটিজেন-ডেস্ক

ভেনেজুয়েলার পর এবার ডেনমার্কের অধিভুক্ত গ্রিনল্যান্ডের দিকে নজর দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে গ্রিনল্যান্ড দখলের বিষয়ে হুমকি দেওয়া বন্ধ করতে ট্রাম্পকে প্রকাশ্যে আহ্বান জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।
ড্যানিশ সরকারের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে মেটে ফ্রেডেরিকসেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ড দখল করার প্রয়োজন রয়েছে– এ ধরনের বক্তব্যের কোনো ভিত্তি নেই। তিনি বলেন, ‘ড্যানিশ কিংডমের অন্তর্ভুক্ত তিনটি ভূখণ্ডের কোনোটিকেই দখল করার অধিকার যুক্তরাষ্ট্রের নেই।’
ট্রাম্পের সহকারী স্টেফেন মিলারের স্ত্রী ও ডানপন্থী পডকাস্টার কেটি মিলার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে যুক্তরাষ্ট্রের পতাকার রঙে আঁকা গ্রিনল্যান্ডের একটি মানচিত্র পোস্ট করেন। তাতে লেখা ছিল, ‘শিগগিরই’। এর পরই ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রীর এ প্রতিক্রিয়া আসে।
গ্রিনল্যান্ডের কৌশলগত অবস্থান ও খনিজ সম্পদের কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প আগেও একাধিকবার দ্বীপটিকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ করার ইচ্ছার কথা বলেছেন। মেটে ফ্রেডেরিকসেনের বক্তব্যের পর তিনি এ অবস্থান আরও কঠোরভাবে পুনর্ব্যক্ত করেন।
ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে ২০২৫ সালের ২৯ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের সামনে প্রায় দেড় হাজার মানুষ জড়ো হয়ে গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের চাপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান।

মেটে ফ্রেডেরিকসেন বলেন, ‘ডেনমার্ক ন্যাটোর সদস্য এবং সেই সূত্রে গ্রিনল্যান্ডও ন্যাটোর নিরাপত্তা কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত।’
তিনি বলেন, ‘ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিদ্যমান প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডে প্রবেশাধিকার পায় এবং আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদারে ডেনমার্ক সেখানে বিনিয়োগ বাড়িয়েছে।’
ড্যানিশ প্রধানমন্ত্রীর ভাষায়, ‘আমি যুক্তরাষ্ট্রকে জোরালোভাবে আহ্বান জানাচ্ছি– একটি ঐতিহাসিকভাবে ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশের বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়া বন্ধ করুন; এমন এক জনগণের বিরুদ্ধে, যারা খুব স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে তারা বিক্রির জন্য নয়।’
‘আমি যুক্তরাষ্ট্রকে জোরালোভাবে আহ্বান জানাচ্ছি– একটি ঐতিহাসিকভাবে ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশের বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়া বন্ধ করুন; এমন এক জনগণের বিরুদ্ধে, যারা খুব স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে তারা বিক্রির জন্য নয়।’ মেটে ফ্রেডেরিকসেন প্রধানমন্ত্রী ডেনমার্ক
কয়েক ঘণ্টা পর এয়ার ফোর্স ওয়ানে ট্রাম্প আবার বলেন, ‘জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ড দরকার এবং ডেনমার্ক এটি আটকাতে পারবে না।’
এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত বলেন, দুই দেশ মিত্র এবং ডেনমার্ক তার ভূখণ্ডের অখণ্ডতার প্রতি সম্মান প্রত্যাশা করে।
এমন পরিস্থিতির মধ্যেই গত শনিবার (৩ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করে নিউইয়র্কে নিয়ে যায়। পরে ট্রাম্প ঘোষণা দেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলা পরিচালনা করবে এবং মার্কিন তেল কোম্পানিগুলো সেখানে কার্যক্রম শুরু করবে।
গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের সম্ভাবনাও কখনো নাকচ করেননি ট্রাম্প। তার দাবি, গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হলে জাতীয় নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে, কারণ দ্বীপটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং আধুনিক প্রযুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় বহু খনিজ সেখানে রয়েছে।
২০২৫ সালের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডে একজন বিশেষ দূত নিয়োগ দেয়, যা ডেনমার্কে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করে।
ডেনমার্কের অধিভুক্ত গ্রিনল্যান্ডে প্রায় ৫৭ হাজার মানুষের বসবাস। ১৯৭৯ সাল থেকে সেখানে স্বায়ত্তশাসন থাকলেও প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রনীতি এখনো ডেনমার্কের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অধিকাংশ গ্রিনল্যান্ডবাসী ভবিষ্যতে স্বাধীনতা চাইলেও যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হওয়ার বিষয়ে জরিপে প্রবল বিরোধিতা দেখা গেছে।
সূত্র: বিবিসি




