মধ্যপ্রাচ্যের পথে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ‘আব্রাহাম লিঙ্কন’

মধ্যপ্রাচ্যের পথে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ‘আব্রাহাম লিঙ্কন’
সিটিজেন-ডেস্ক

সম্প্রতি সরকারবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে ইরান। দেশটির রাজধানী তেহরানসহ গোটা দেশেই ছড়িয়ে পড়ে এই আন্দোলন। ইরান সরকারের অভিযোগ, বিক্ষোভের পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইন্ধন রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বেশ কয়েকবার ইরানি বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেছেন। হুমকি দিয়েছেন হামলার।
তেহরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যা ইতোমধ্যে রওনা হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজ ও এনবিসি।
প্রথক প্রতিবেদনে পেন্টাগনের সূত্র উল্লেখ করা হয়েছে, রওনা হওয়া এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার যুদ্ধজাহাজটির নাম ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন’।
কাতার, জর্ডান, ইরাক ও সিরিয়া– ইরানের এই চার প্রতিবেশী দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। এসব ঘাঁটিতে মোটামুটি ৩ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছেন। ইরানের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় এই চার দেশের ঘাঁটিতে সেনার সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্তও নিয়েছে পেন্টাগন।
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও তীব্র মূল্যস্ফীতির প্রতিবাদে গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয়। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই এই আন্দোলন ৩১টি প্রদেশের শহর ও গ্রামে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে। দিনকে দিন এর তীব্রতা বাড়তে থাকে। বর্তমানে পুরো দেশকে কার্যত অচল করে দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।
বিক্ষোভ দমন করতে ইরান সরকার ইন্টারনেট ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ করেছে। পাশাপাশি দেশজুড়ে পুলিশ, নিরাপত্তা বাহিনী এবং সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। জনগণ ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে সংখাতে ইতোমধ্যে ১২ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্র দাবি করেছে। সেই সঙ্গে গ্রেপ্তার হয়েছেন আরও হাজার হাজার বিক্ষোভকারী।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভের শুরু থেকেই বলে আসছিলেন, জনতার বিক্ষোভ দমনে ইরান কঠোর পন্থার আশ্রয় নিলে দেশটিতে সামরিক অভিযান চালাবে যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে যদিও তিনি সুর খানিকটা নরম করেছেন, তবে অভিযানের সম্ভাব্যতা এখনও বাতিল করেননি তিনি।
সূত্র: এবিসি নিউজ, এনবিসি

সম্প্রতি সরকারবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে ইরান। দেশটির রাজধানী তেহরানসহ গোটা দেশেই ছড়িয়ে পড়ে এই আন্দোলন। ইরান সরকারের অভিযোগ, বিক্ষোভের পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইন্ধন রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বেশ কয়েকবার ইরানি বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেছেন। হুমকি দিয়েছেন হামলার।
তেহরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যা ইতোমধ্যে রওনা হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজ ও এনবিসি।
প্রথক প্রতিবেদনে পেন্টাগনের সূত্র উল্লেখ করা হয়েছে, রওনা হওয়া এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার যুদ্ধজাহাজটির নাম ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন’।
কাতার, জর্ডান, ইরাক ও সিরিয়া– ইরানের এই চার প্রতিবেশী দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। এসব ঘাঁটিতে মোটামুটি ৩ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছেন। ইরানের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় এই চার দেশের ঘাঁটিতে সেনার সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্তও নিয়েছে পেন্টাগন।
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও তীব্র মূল্যস্ফীতির প্রতিবাদে গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয়। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই এই আন্দোলন ৩১টি প্রদেশের শহর ও গ্রামে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে। দিনকে দিন এর তীব্রতা বাড়তে থাকে। বর্তমানে পুরো দেশকে কার্যত অচল করে দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।
বিক্ষোভ দমন করতে ইরান সরকার ইন্টারনেট ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ করেছে। পাশাপাশি দেশজুড়ে পুলিশ, নিরাপত্তা বাহিনী এবং সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। জনগণ ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে সংখাতে ইতোমধ্যে ১২ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্র দাবি করেছে। সেই সঙ্গে গ্রেপ্তার হয়েছেন আরও হাজার হাজার বিক্ষোভকারী।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভের শুরু থেকেই বলে আসছিলেন, জনতার বিক্ষোভ দমনে ইরান কঠোর পন্থার আশ্রয় নিলে দেশটিতে সামরিক অভিযান চালাবে যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে যদিও তিনি সুর খানিকটা নরম করেছেন, তবে অভিযানের সম্ভাব্যতা এখনও বাতিল করেননি তিনি।
সূত্র: এবিসি নিউজ, এনবিসি

মধ্যপ্রাচ্যের পথে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ‘আব্রাহাম লিঙ্কন’
সিটিজেন-ডেস্ক

সম্প্রতি সরকারবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে ইরান। দেশটির রাজধানী তেহরানসহ গোটা দেশেই ছড়িয়ে পড়ে এই আন্দোলন। ইরান সরকারের অভিযোগ, বিক্ষোভের পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইন্ধন রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বেশ কয়েকবার ইরানি বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেছেন। হুমকি দিয়েছেন হামলার।
তেহরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যা ইতোমধ্যে রওনা হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজ ও এনবিসি।
প্রথক প্রতিবেদনে পেন্টাগনের সূত্র উল্লেখ করা হয়েছে, রওনা হওয়া এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার যুদ্ধজাহাজটির নাম ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন’।
কাতার, জর্ডান, ইরাক ও সিরিয়া– ইরানের এই চার প্রতিবেশী দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। এসব ঘাঁটিতে মোটামুটি ৩ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছেন। ইরানের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় এই চার দেশের ঘাঁটিতে সেনার সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্তও নিয়েছে পেন্টাগন।
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও তীব্র মূল্যস্ফীতির প্রতিবাদে গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয়। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই এই আন্দোলন ৩১টি প্রদেশের শহর ও গ্রামে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে। দিনকে দিন এর তীব্রতা বাড়তে থাকে। বর্তমানে পুরো দেশকে কার্যত অচল করে দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।
বিক্ষোভ দমন করতে ইরান সরকার ইন্টারনেট ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ করেছে। পাশাপাশি দেশজুড়ে পুলিশ, নিরাপত্তা বাহিনী এবং সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। জনগণ ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে সংখাতে ইতোমধ্যে ১২ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্র দাবি করেছে। সেই সঙ্গে গ্রেপ্তার হয়েছেন আরও হাজার হাজার বিক্ষোভকারী।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভের শুরু থেকেই বলে আসছিলেন, জনতার বিক্ষোভ দমনে ইরান কঠোর পন্থার আশ্রয় নিলে দেশটিতে সামরিক অভিযান চালাবে যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে যদিও তিনি সুর খানিকটা নরম করেছেন, তবে অভিযানের সম্ভাব্যতা এখনও বাতিল করেননি তিনি।
সূত্র: এবিসি নিউজ, এনবিসি




