ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলার দাবি ট্রাম্পের

ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলার দাবি ট্রাম্পের
সিটিজেন-ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার একটি এলাকায় ‘আঘাত’ হেনেছে, যেখানে নৌযানে মাদক বোঝাই করা ছিল। তার এ বক্তব্যে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে উঠে এলো– ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির অংশ হিসেবে দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্র স্থল অভিযান চালিয়েছে।
সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) ট্রাম্প বলেন, যেখানে তারা নৌকাগুলোতে মাদক বোঝাই করত, সেই জেটি এলাকায় বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটেছে। আমরা সবগুলো নৌকায় আঘাত হেনেছি। এখন আমরা ওই এলাকায় আঘাত হানছি, এটি বাস্তবায়ন এলাকা। যেখানে তারা কার্যক্রম চালাত, সেটি এখন আর নেই।'
রয়টার্স জানিয়েছে, ঠিক কোন স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে এবং মার্কিন সরকারের কোন সংস্থা এতে জড়িত তা তাৎক্ষণিকভাবে পরিষ্কার হয়নি।
হামলাটি সিআইএ চালিয়েছে কি না– এমন প্রশ্নে ট্রাম্প বলেন, 'আমি এটা বলতে চাই না। আমি জানি কে করেছে, কিন্তু তা বলব না।'
এদিকে সিএনএন সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) কয়েকটি সূত্রের বরাতে জানায়, চলতি মাসের শুরুতে সিআইএ ভেনেজুয়েলার উপকূলে একটি প্রত্যন্ত বন্দরে ড্রোন হামলা চালায়। যুক্তরাষ্ট্রের ধারণা, কুখ্যাত অপরাধী গোষ্ঠী ত্রেন দে অ্যারাগুয়া ওই বন্দর ব্যবহার করত মাদক গুদামজাত ও পাচারের জন্য।
এর আগেই ট্রাম্প প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন, ভেনেজুয়েলায় গোপন অভিযান চালানোর অনুমোদন তিনি সিআইএকে দিয়েছেন। গত সপ্তাহে এক রেডিও অনুষ্ঠানে তিনি দেশটিতে একটি ‘বড় স্থাপনার’ বিরুদ্ধে সম্ভাব্য অভিযানের কথাও ইঙ্গিতপূর্ণভাবে বলেছিলেন।
রয়টার্স জানিয়েছে, এসব বক্তব্যের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে তারা সিআইএ, হোয়াইট হাউস ও পেন্টাগনের কাছে প্রশ্ন পাঠিয়েছিল। তবে কেউই মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
অন্যদিকে, ট্রাম্পের এই দাবির বিষয়ে ভেনেজুয়েলা সরকারও কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। দেশটির পক্ষ থেকে স্বাধীন কোনো প্রতিবেদনও এখনো পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, ভেনেজুয়েলার জুলিয়া রাজ্যে ২৪ ডিসেম্বর রাতে প্রাইমাজোল নামের একটি রাসায়নিক কারখানায় অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ট্রাম্প যে ‘বড় স্থাপনার’ কথা বলেছিলেন, সেটি এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই– এমন গুজব সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তবে প্রাইমাজোল কর্তৃপক্ষ তা অস্বীকার করে জানায়, আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
তবে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা রয়টার্সকে বলেন, তারা বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন, আগুন দেখেছেন এবং ক্লোরিনের গন্ধও পেয়েছেন।
ভেনেজুয়েলার সরকারি সংস্থাগুলোর সংবাদসংযোগ দেখভাল করা যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের কাছে রয়টার্স মন্তব্য জানতে চাইলে সোমবার পর্যন্ত কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।
সূত্র: রয়টার্স

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার একটি এলাকায় ‘আঘাত’ হেনেছে, যেখানে নৌযানে মাদক বোঝাই করা ছিল। তার এ বক্তব্যে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে উঠে এলো– ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির অংশ হিসেবে দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্র স্থল অভিযান চালিয়েছে।
সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) ট্রাম্প বলেন, যেখানে তারা নৌকাগুলোতে মাদক বোঝাই করত, সেই জেটি এলাকায় বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটেছে। আমরা সবগুলো নৌকায় আঘাত হেনেছি। এখন আমরা ওই এলাকায় আঘাত হানছি, এটি বাস্তবায়ন এলাকা। যেখানে তারা কার্যক্রম চালাত, সেটি এখন আর নেই।'
রয়টার্স জানিয়েছে, ঠিক কোন স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে এবং মার্কিন সরকারের কোন সংস্থা এতে জড়িত তা তাৎক্ষণিকভাবে পরিষ্কার হয়নি।
হামলাটি সিআইএ চালিয়েছে কি না– এমন প্রশ্নে ট্রাম্প বলেন, 'আমি এটা বলতে চাই না। আমি জানি কে করেছে, কিন্তু তা বলব না।'
এদিকে সিএনএন সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) কয়েকটি সূত্রের বরাতে জানায়, চলতি মাসের শুরুতে সিআইএ ভেনেজুয়েলার উপকূলে একটি প্রত্যন্ত বন্দরে ড্রোন হামলা চালায়। যুক্তরাষ্ট্রের ধারণা, কুখ্যাত অপরাধী গোষ্ঠী ত্রেন দে অ্যারাগুয়া ওই বন্দর ব্যবহার করত মাদক গুদামজাত ও পাচারের জন্য।
এর আগেই ট্রাম্প প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন, ভেনেজুয়েলায় গোপন অভিযান চালানোর অনুমোদন তিনি সিআইএকে দিয়েছেন। গত সপ্তাহে এক রেডিও অনুষ্ঠানে তিনি দেশটিতে একটি ‘বড় স্থাপনার’ বিরুদ্ধে সম্ভাব্য অভিযানের কথাও ইঙ্গিতপূর্ণভাবে বলেছিলেন।
রয়টার্স জানিয়েছে, এসব বক্তব্যের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে তারা সিআইএ, হোয়াইট হাউস ও পেন্টাগনের কাছে প্রশ্ন পাঠিয়েছিল। তবে কেউই মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
অন্যদিকে, ট্রাম্পের এই দাবির বিষয়ে ভেনেজুয়েলা সরকারও কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। দেশটির পক্ষ থেকে স্বাধীন কোনো প্রতিবেদনও এখনো পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, ভেনেজুয়েলার জুলিয়া রাজ্যে ২৪ ডিসেম্বর রাতে প্রাইমাজোল নামের একটি রাসায়নিক কারখানায় অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ট্রাম্প যে ‘বড় স্থাপনার’ কথা বলেছিলেন, সেটি এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই– এমন গুজব সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তবে প্রাইমাজোল কর্তৃপক্ষ তা অস্বীকার করে জানায়, আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
তবে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা রয়টার্সকে বলেন, তারা বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন, আগুন দেখেছেন এবং ক্লোরিনের গন্ধও পেয়েছেন।
ভেনেজুয়েলার সরকারি সংস্থাগুলোর সংবাদসংযোগ দেখভাল করা যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের কাছে রয়টার্স মন্তব্য জানতে চাইলে সোমবার পর্যন্ত কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।
সূত্র: রয়টার্স

ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলার দাবি ট্রাম্পের
সিটিজেন-ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার একটি এলাকায় ‘আঘাত’ হেনেছে, যেখানে নৌযানে মাদক বোঝাই করা ছিল। তার এ বক্তব্যে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে উঠে এলো– ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির অংশ হিসেবে দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্র স্থল অভিযান চালিয়েছে।
সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) ট্রাম্প বলেন, যেখানে তারা নৌকাগুলোতে মাদক বোঝাই করত, সেই জেটি এলাকায় বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটেছে। আমরা সবগুলো নৌকায় আঘাত হেনেছি। এখন আমরা ওই এলাকায় আঘাত হানছি, এটি বাস্তবায়ন এলাকা। যেখানে তারা কার্যক্রম চালাত, সেটি এখন আর নেই।'
রয়টার্স জানিয়েছে, ঠিক কোন স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে এবং মার্কিন সরকারের কোন সংস্থা এতে জড়িত তা তাৎক্ষণিকভাবে পরিষ্কার হয়নি।
হামলাটি সিআইএ চালিয়েছে কি না– এমন প্রশ্নে ট্রাম্প বলেন, 'আমি এটা বলতে চাই না। আমি জানি কে করেছে, কিন্তু তা বলব না।'
এদিকে সিএনএন সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) কয়েকটি সূত্রের বরাতে জানায়, চলতি মাসের শুরুতে সিআইএ ভেনেজুয়েলার উপকূলে একটি প্রত্যন্ত বন্দরে ড্রোন হামলা চালায়। যুক্তরাষ্ট্রের ধারণা, কুখ্যাত অপরাধী গোষ্ঠী ত্রেন দে অ্যারাগুয়া ওই বন্দর ব্যবহার করত মাদক গুদামজাত ও পাচারের জন্য।
এর আগেই ট্রাম্প প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন, ভেনেজুয়েলায় গোপন অভিযান চালানোর অনুমোদন তিনি সিআইএকে দিয়েছেন। গত সপ্তাহে এক রেডিও অনুষ্ঠানে তিনি দেশটিতে একটি ‘বড় স্থাপনার’ বিরুদ্ধে সম্ভাব্য অভিযানের কথাও ইঙ্গিতপূর্ণভাবে বলেছিলেন।
রয়টার্স জানিয়েছে, এসব বক্তব্যের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে তারা সিআইএ, হোয়াইট হাউস ও পেন্টাগনের কাছে প্রশ্ন পাঠিয়েছিল। তবে কেউই মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
অন্যদিকে, ট্রাম্পের এই দাবির বিষয়ে ভেনেজুয়েলা সরকারও কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। দেশটির পক্ষ থেকে স্বাধীন কোনো প্রতিবেদনও এখনো পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, ভেনেজুয়েলার জুলিয়া রাজ্যে ২৪ ডিসেম্বর রাতে প্রাইমাজোল নামের একটি রাসায়নিক কারখানায় অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ট্রাম্প যে ‘বড় স্থাপনার’ কথা বলেছিলেন, সেটি এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই– এমন গুজব সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তবে প্রাইমাজোল কর্তৃপক্ষ তা অস্বীকার করে জানায়, আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
তবে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা রয়টার্সকে বলেন, তারা বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন, আগুন দেখেছেন এবং ক্লোরিনের গন্ধও পেয়েছেন।
ভেনেজুয়েলার সরকারি সংস্থাগুলোর সংবাদসংযোগ দেখভাল করা যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের কাছে রয়টার্স মন্তব্য জানতে চাইলে সোমবার পর্যন্ত কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।
সূত্র: রয়টার্স




