চট্টগ্রামকে হারিয়ে শীর্ষে উঠলো রংপুর

চট্টগ্রামকে হারিয়ে শীর্ষে উঠলো রংপুর
স্পোর্টস ডেস্ক

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) চার ম্যাচ শেষে শীর্ষে ছিল চট্টগ্রাম রয়্যালস। রংপুর রাইডার্সও টানা দুই ম্যাচ জিতে ছিল ফুরফুরে মেজাজে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে রংপুর রাইডার্স ৫ উইকেটে হারিয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে। এই জয়ে চট্টগ্রামকে টপকে শীর্ষে উঠেছে রংপুর।
আগে ব্যাট করে চট্টগ্রাম তোলে ৫ উইকেটে ১৬৯ রান। জবাবে রংপুর ম্যাচ শেষ করে ৭ বল বাকি থাকতে।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দলীয় ১৯ রানে প্রথম উইকেট হারায় রংপুর। লিটন দাস ফেরেন ১০ রান করে। দ্বিতীয় উইকেটে ৯২ রানের জুটি গড়েন কাইল মায়ার্স ও ডাভিড মালান। মায়ার্স ২৫ বলে ৫০ রান করে আউট হলে জুটি ভাঙে। মায়ার্সের ইনিংসে ছিল ৫ চার ও ৪ ছক্কা।
মালানও (৩০ বলে ৩০) ফেরেন দ্রুতই। খুশদিল শাহ ২ চার ও ১ ছক্কায় ১২ বলে ২২ রানের ছোট ক্যামিও খেলেন। মাহমুদউল্লাহর ১৯ বলে অপরাজিত ৩০ আর নুরুল হাসান সোহানে (৩*) জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রংপুর।
চট্টগ্রামের বোলার শরিফুল ইসলাম নেন ৩ উইকেট।
তার আগে চট্টগ্রাম লড়াইয়ের পুঁজি পায় অ্যাডাম রসিংটনের ৫৮ ও হাসান নাওয়াজের ৪৬ রানে ভর করে। এছাড়া মেহেদি হাসান ১৩ ও আমের জামাল ১৯ রানে অপরাজিত ছিলেন। রংপুরের হয়ে ২টি উইকেট নেন মোস্তাফিজুর রহমান।
৫ ম্যাচ থেকে ৪ জয়ে ৮ পয়েন্ট রংপুরের। সমান ম্যাচে ৩ জয়ে ৬ পয়েন্টে দুইয়ে চট্টগ্রাম। এক ম্যাচ বেশি খেলে ৬ পয়েন্ট সিলেট টাইটান্সের। চার ম্যাচে তিন জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে চারে আছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। চার ম্যাচ থেকে ঢাকার পয়েন্ট ২, চার ম্যাচ খেলে কোন জয় না পাওয়া নোয়াখালী আছে সবার শেষে।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) চার ম্যাচ শেষে শীর্ষে ছিল চট্টগ্রাম রয়্যালস। রংপুর রাইডার্সও টানা দুই ম্যাচ জিতে ছিল ফুরফুরে মেজাজে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে রংপুর রাইডার্স ৫ উইকেটে হারিয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে। এই জয়ে চট্টগ্রামকে টপকে শীর্ষে উঠেছে রংপুর।
আগে ব্যাট করে চট্টগ্রাম তোলে ৫ উইকেটে ১৬৯ রান। জবাবে রংপুর ম্যাচ শেষ করে ৭ বল বাকি থাকতে।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দলীয় ১৯ রানে প্রথম উইকেট হারায় রংপুর। লিটন দাস ফেরেন ১০ রান করে। দ্বিতীয় উইকেটে ৯২ রানের জুটি গড়েন কাইল মায়ার্স ও ডাভিড মালান। মায়ার্স ২৫ বলে ৫০ রান করে আউট হলে জুটি ভাঙে। মায়ার্সের ইনিংসে ছিল ৫ চার ও ৪ ছক্কা।
মালানও (৩০ বলে ৩০) ফেরেন দ্রুতই। খুশদিল শাহ ২ চার ও ১ ছক্কায় ১২ বলে ২২ রানের ছোট ক্যামিও খেলেন। মাহমুদউল্লাহর ১৯ বলে অপরাজিত ৩০ আর নুরুল হাসান সোহানে (৩*) জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রংপুর।
চট্টগ্রামের বোলার শরিফুল ইসলাম নেন ৩ উইকেট।
তার আগে চট্টগ্রাম লড়াইয়ের পুঁজি পায় অ্যাডাম রসিংটনের ৫৮ ও হাসান নাওয়াজের ৪৬ রানে ভর করে। এছাড়া মেহেদি হাসান ১৩ ও আমের জামাল ১৯ রানে অপরাজিত ছিলেন। রংপুরের হয়ে ২টি উইকেট নেন মোস্তাফিজুর রহমান।
৫ ম্যাচ থেকে ৪ জয়ে ৮ পয়েন্ট রংপুরের। সমান ম্যাচে ৩ জয়ে ৬ পয়েন্টে দুইয়ে চট্টগ্রাম। এক ম্যাচ বেশি খেলে ৬ পয়েন্ট সিলেট টাইটান্সের। চার ম্যাচে তিন জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে চারে আছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। চার ম্যাচ থেকে ঢাকার পয়েন্ট ২, চার ম্যাচ খেলে কোন জয় না পাওয়া নোয়াখালী আছে সবার শেষে।

চট্টগ্রামকে হারিয়ে শীর্ষে উঠলো রংপুর
স্পোর্টস ডেস্ক

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) চার ম্যাচ শেষে শীর্ষে ছিল চট্টগ্রাম রয়্যালস। রংপুর রাইডার্সও টানা দুই ম্যাচ জিতে ছিল ফুরফুরে মেজাজে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে রংপুর রাইডার্স ৫ উইকেটে হারিয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে। এই জয়ে চট্টগ্রামকে টপকে শীর্ষে উঠেছে রংপুর।
আগে ব্যাট করে চট্টগ্রাম তোলে ৫ উইকেটে ১৬৯ রান। জবাবে রংপুর ম্যাচ শেষ করে ৭ বল বাকি থাকতে।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দলীয় ১৯ রানে প্রথম উইকেট হারায় রংপুর। লিটন দাস ফেরেন ১০ রান করে। দ্বিতীয় উইকেটে ৯২ রানের জুটি গড়েন কাইল মায়ার্স ও ডাভিড মালান। মায়ার্স ২৫ বলে ৫০ রান করে আউট হলে জুটি ভাঙে। মায়ার্সের ইনিংসে ছিল ৫ চার ও ৪ ছক্কা।
মালানও (৩০ বলে ৩০) ফেরেন দ্রুতই। খুশদিল শাহ ২ চার ও ১ ছক্কায় ১২ বলে ২২ রানের ছোট ক্যামিও খেলেন। মাহমুদউল্লাহর ১৯ বলে অপরাজিত ৩০ আর নুরুল হাসান সোহানে (৩*) জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রংপুর।
চট্টগ্রামের বোলার শরিফুল ইসলাম নেন ৩ উইকেট।
তার আগে চট্টগ্রাম লড়াইয়ের পুঁজি পায় অ্যাডাম রসিংটনের ৫৮ ও হাসান নাওয়াজের ৪৬ রানে ভর করে। এছাড়া মেহেদি হাসান ১৩ ও আমের জামাল ১৯ রানে অপরাজিত ছিলেন। রংপুরের হয়ে ২টি উইকেট নেন মোস্তাফিজুর রহমান।
৫ ম্যাচ থেকে ৪ জয়ে ৮ পয়েন্ট রংপুরের। সমান ম্যাচে ৩ জয়ে ৬ পয়েন্টে দুইয়ে চট্টগ্রাম। এক ম্যাচ বেশি খেলে ৬ পয়েন্ট সিলেট টাইটান্সের। চার ম্যাচে তিন জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে চারে আছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। চার ম্যাচ থেকে ঢাকার পয়েন্ট ২, চার ম্যাচ খেলে কোন জয় না পাওয়া নোয়াখালী আছে সবার শেষে।




