মোস্তাফিজকে বাদ দিয়ে বিশ্বকাপ দল গঠনের পরামর্শ আইসিসির

মোস্তাফিজকে বাদ দিয়ে বিশ্বকাপ দল গঠনের পরামর্শ আইসিসির
নিজস্ব প্রতিবেদক

নিরাপত্তা ইস্যুতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ ভারতে খেলতে না চেয়ে আইসিসিকে দ্বিতীয় দফা চিঠি দিয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সেই চিঠির উত্তরে আইসিসি এবার যা বলেছে তাতে বাংলাদেশের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া আরও অনিশ্চয়তায় পড়লো।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে গেলে বাংলাদেশ যে ধরনের নিরাপত্তা শঙ্কায় পড়তে পারে, তা উল্লেখ করে সম্প্রতি আইসিসির নিরাপত্তা বিভাগ থেকে একটা চিঠি দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি)।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) বাফুফে ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, ‘আইসিসির সিকিউরিটি টিম তাদের চিঠিতে তিনটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ের কথা উল্লেখ করেছে, যা ভারতে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তাঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। তিনি বলেন, ‘চিঠিতে বলা হয়েছে, তিনটি জিনিস হলে বাংলাদেশ টিমের নিরাপত্তা আশঙ্কা বাড়বে। প্রথমত, বাংলাদেশ দলে যদি মোস্তাফিজুর রহমানকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশের সমর্থকরা যদি জাতীয় জার্সি পরে ঘোরাফেরা করেন। আর তৃতীয়ত, বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন যত এগিয়ে আসবে, তত দলের নিরাপত্তাঝুঁকি বৃদ্ধি পাবে।’
আইসিসির এমন বক্তব্যকে ‘উদ্ভট’ ও ‘অযৌক্তিক’ আখ্যা দিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘আইসিসি যদি আশা করে আমরা আমাদের শ্রেষ্ঠ বোলারকে বাদ দিয়ে দল গড়ব, সমর্থকরা জার্সি পরতে পারবে না আর খেলার জন্য নির্বাচন পিছিয়ে দেব, তবে এর চেয়ে অবাস্তব প্রত্যাশা আর হতে পারে না।’
সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা সাফ জানিয়ে দেন, আইসিসির কোনো একক দেশের নিয়ন্ত্রণে চলা উচিত নয়।
এর আগে সংবাদমাধ্যমে জানা গেছে, বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো পাকিস্তান আয়োজন করতে রাজি আছে। এ প্রসঙ্গে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, ‘আমি পত্রিকায় দেখলাম, আমি জানি না সত্যি নাকি মিথ্যা, পাকিস্তান নাকি আমাদের টুর্নামেন্টগুলো আয়োজন করার প্রস্তাব দিয়েছে। পাকিস্তানে করেন কোনো সমস্যা নাই, সংযুক্ত আরব আমিরাতে করেন কোনো সমস্যা নাই।’
সবশেষে ক্রীড়া উপদেষ্টা বলেন, ‘যেখানে আমাদের দলের একটা প্লেয়ারের খেলার পরিবেশ নাই, এই উগ্র সাম্প্রদায়িক শক্তির কাছে মাথা নত করে ভারতের জাতীয় ক্রিকেট বোর্ড—ন্যাশনাল একটা অথরিটি, তারা যখন বলে তাকে এখানে খেলানো না হোক, এর চেয়ে বড় প্রমাণ আর কী আছে আইসিসির সামনে, বুঝলাম না। এটা তো সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করে যে আমাদের ওখানে খেলার পরিবেশ নাই। ভারতের কোনো জায়গাতে খেলার পরিবেশ নাই।’

নিরাপত্তা ইস্যুতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ ভারতে খেলতে না চেয়ে আইসিসিকে দ্বিতীয় দফা চিঠি দিয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সেই চিঠির উত্তরে আইসিসি এবার যা বলেছে তাতে বাংলাদেশের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া আরও অনিশ্চয়তায় পড়লো।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে গেলে বাংলাদেশ যে ধরনের নিরাপত্তা শঙ্কায় পড়তে পারে, তা উল্লেখ করে সম্প্রতি আইসিসির নিরাপত্তা বিভাগ থেকে একটা চিঠি দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি)।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) বাফুফে ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, ‘আইসিসির সিকিউরিটি টিম তাদের চিঠিতে তিনটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ের কথা উল্লেখ করেছে, যা ভারতে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তাঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। তিনি বলেন, ‘চিঠিতে বলা হয়েছে, তিনটি জিনিস হলে বাংলাদেশ টিমের নিরাপত্তা আশঙ্কা বাড়বে। প্রথমত, বাংলাদেশ দলে যদি মোস্তাফিজুর রহমানকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশের সমর্থকরা যদি জাতীয় জার্সি পরে ঘোরাফেরা করেন। আর তৃতীয়ত, বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন যত এগিয়ে আসবে, তত দলের নিরাপত্তাঝুঁকি বৃদ্ধি পাবে।’
আইসিসির এমন বক্তব্যকে ‘উদ্ভট’ ও ‘অযৌক্তিক’ আখ্যা দিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘আইসিসি যদি আশা করে আমরা আমাদের শ্রেষ্ঠ বোলারকে বাদ দিয়ে দল গড়ব, সমর্থকরা জার্সি পরতে পারবে না আর খেলার জন্য নির্বাচন পিছিয়ে দেব, তবে এর চেয়ে অবাস্তব প্রত্যাশা আর হতে পারে না।’
সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা সাফ জানিয়ে দেন, আইসিসির কোনো একক দেশের নিয়ন্ত্রণে চলা উচিত নয়।
এর আগে সংবাদমাধ্যমে জানা গেছে, বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো পাকিস্তান আয়োজন করতে রাজি আছে। এ প্রসঙ্গে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, ‘আমি পত্রিকায় দেখলাম, আমি জানি না সত্যি নাকি মিথ্যা, পাকিস্তান নাকি আমাদের টুর্নামেন্টগুলো আয়োজন করার প্রস্তাব দিয়েছে। পাকিস্তানে করেন কোনো সমস্যা নাই, সংযুক্ত আরব আমিরাতে করেন কোনো সমস্যা নাই।’
সবশেষে ক্রীড়া উপদেষ্টা বলেন, ‘যেখানে আমাদের দলের একটা প্লেয়ারের খেলার পরিবেশ নাই, এই উগ্র সাম্প্রদায়িক শক্তির কাছে মাথা নত করে ভারতের জাতীয় ক্রিকেট বোর্ড—ন্যাশনাল একটা অথরিটি, তারা যখন বলে তাকে এখানে খেলানো না হোক, এর চেয়ে বড় প্রমাণ আর কী আছে আইসিসির সামনে, বুঝলাম না। এটা তো সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করে যে আমাদের ওখানে খেলার পরিবেশ নাই। ভারতের কোনো জায়গাতে খেলার পরিবেশ নাই।’

মোস্তাফিজকে বাদ দিয়ে বিশ্বকাপ দল গঠনের পরামর্শ আইসিসির
নিজস্ব প্রতিবেদক

নিরাপত্তা ইস্যুতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ ভারতে খেলতে না চেয়ে আইসিসিকে দ্বিতীয় দফা চিঠি দিয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সেই চিঠির উত্তরে আইসিসি এবার যা বলেছে তাতে বাংলাদেশের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া আরও অনিশ্চয়তায় পড়লো।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে গেলে বাংলাদেশ যে ধরনের নিরাপত্তা শঙ্কায় পড়তে পারে, তা উল্লেখ করে সম্প্রতি আইসিসির নিরাপত্তা বিভাগ থেকে একটা চিঠি দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি)।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) বাফুফে ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, ‘আইসিসির সিকিউরিটি টিম তাদের চিঠিতে তিনটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ের কথা উল্লেখ করেছে, যা ভারতে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তাঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। তিনি বলেন, ‘চিঠিতে বলা হয়েছে, তিনটি জিনিস হলে বাংলাদেশ টিমের নিরাপত্তা আশঙ্কা বাড়বে। প্রথমত, বাংলাদেশ দলে যদি মোস্তাফিজুর রহমানকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশের সমর্থকরা যদি জাতীয় জার্সি পরে ঘোরাফেরা করেন। আর তৃতীয়ত, বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন যত এগিয়ে আসবে, তত দলের নিরাপত্তাঝুঁকি বৃদ্ধি পাবে।’
আইসিসির এমন বক্তব্যকে ‘উদ্ভট’ ও ‘অযৌক্তিক’ আখ্যা দিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘আইসিসি যদি আশা করে আমরা আমাদের শ্রেষ্ঠ বোলারকে বাদ দিয়ে দল গড়ব, সমর্থকরা জার্সি পরতে পারবে না আর খেলার জন্য নির্বাচন পিছিয়ে দেব, তবে এর চেয়ে অবাস্তব প্রত্যাশা আর হতে পারে না।’
সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা সাফ জানিয়ে দেন, আইসিসির কোনো একক দেশের নিয়ন্ত্রণে চলা উচিত নয়।
এর আগে সংবাদমাধ্যমে জানা গেছে, বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো পাকিস্তান আয়োজন করতে রাজি আছে। এ প্রসঙ্গে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, ‘আমি পত্রিকায় দেখলাম, আমি জানি না সত্যি নাকি মিথ্যা, পাকিস্তান নাকি আমাদের টুর্নামেন্টগুলো আয়োজন করার প্রস্তাব দিয়েছে। পাকিস্তানে করেন কোনো সমস্যা নাই, সংযুক্ত আরব আমিরাতে করেন কোনো সমস্যা নাই।’
সবশেষে ক্রীড়া উপদেষ্টা বলেন, ‘যেখানে আমাদের দলের একটা প্লেয়ারের খেলার পরিবেশ নাই, এই উগ্র সাম্প্রদায়িক শক্তির কাছে মাথা নত করে ভারতের জাতীয় ক্রিকেট বোর্ড—ন্যাশনাল একটা অথরিটি, তারা যখন বলে তাকে এখানে খেলানো না হোক, এর চেয়ে বড় প্রমাণ আর কী আছে আইসিসির সামনে, বুঝলাম না। এটা তো সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করে যে আমাদের ওখানে খেলার পরিবেশ নাই। ভারতের কোনো জায়গাতে খেলার পরিবেশ নাই।’




