তামিমকে ‘ভারতীয় দালাল’ বলায় প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের

তামিমকে ‘ভারতীয় দালাল’ বলায় প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের
সিটিজেন-স্পোর্টস-ডেস্ক

নিরাপত্তা ইস্যুতে আইপিএলের স্কোয়াড থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার পর বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় নিতে আইসিসিকে বিবেচনা করতে বলেছে বিসিবি। এই ইস্যুতে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) কথা বলেন তামিম ইকবাল। তার বক্তক্যের পর বিসিবির বর্তমান বোর্ডের অর্থ কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা এম নাজমুল ইসলামের পোস্ট ঘিরে তৈরী হয়েছে নতুন বিতর্ক।
তামিম ইকবালকে ‘ভারতীয় দালাল’ বলে নিজের ফেসবুকে পোস্ট দেন নাজমুল ইসলাম। তামিমের দীর্ঘ পোস্টের একটি ফটোকার্ড শেয়ার করে তিনি পোস্টে লেখেন, ‘এইবার আরও একজন পরীক্ষিত ভারতীয় দালালের আত্মপ্রকাশ বাংলার জনগণ দুচোখ ভরে দেখল।’ তিনি ওই পোস্ট পরে সরিয়ে নিলেও ততক্ষণে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

পরে আরও এক পোস্টে নাজমুল জানান, এটি তার ব্যক্তিগত মতামত। দুটি পোস্টই তিনি ফেসবুকের 'ফ্রেন্ডস' প্রাইভেসিতে করেন।

বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ককে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করায় তোপের মুখে পড়েছেন নাজমুল।শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘সাবেক জাতীয় অধিনায়ক তামিম ইকবালকে নিয়ে বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের একটি মন্তব্য ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)-এর নজরে এসেছে। আমরা এতে স্তব্ধ, বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ।’
বাংলাদেশের অভিজ্ঞ স্পিনার তাইজুল ইসলাম লিখেছেন, ‘সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে নিয়ে বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের বক্তব্যে আমি হতবাক। একজন জাতীয় দলের ক্রিকেটার সম্পর্কে বোর্ড পরিচালকের এমন শব্দচয়ন শুধু রুচিহীনই নয়, তা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য এবং আমাদের ক্রিকেট সংস্কৃতির পরিপন্থি। এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে আমি দৃঢ় প্রতিবাদ জানাচ্ছি। দায়িত্বশীল একটি পদে থেকে প্রকাশ্যে এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া বোর্ড কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্ব, নৈতিকতা ও আচরণবিধি নিয়েই গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দেয়। এ কারণে সংশ্লিষ্ট পরিচালকের প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনার পাশাপাশি তাকে যথাযথ জবাবদিহিতার আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।’
বোর্ড কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল অবস্থান নেওয়ার আহবান জানিয়ে তাসকিন আহমেদ ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন লিখেছেন, ‘ক্রিকেট বাংলাদেশের প্রাণ। সেই ক্রিকেটে বড় অবদান রাখা সাবেক জাতীয় অধিনায়ককে ঘিরে সাম্প্রতিক এক মন্তব্য অনেককেই ভাবিয়েছে। দেশের একজন সাবেক ক্রিকেটারকে উদ্দেশ্য করে এ ধরনের বক্তব্য দেশের ক্রিকেটের স্বার্থে সহায়ক নয় বলেই মনে করি। আশা করি সংশ্লিষ্ট মহল বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে এবং ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীল অবস্থান নেবে।’
একই দাবি জানিয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মুমিনুল হকও। ফেসবুকে টেস্ট দলের সাবেক এই অধিনায়ক লিখেছেন, ‘সাবেক জাতীয় অধিনায়ক তামিম ইকবালকে নিয়ে বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের মন্তব্য সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য এবং দেশের ক্রিকেট সমাজের প্রতি অপমানজনক। একজন ক্রিকেটারের প্রতি এমন আচরণ বোর্ডের দায়িত্ব ও নৈতিকতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।’
‘একজন সিনিয়র ক্রিকেটারকে ন্যূনতম সম্মানও দেওয়া হয়নি; বরং তাকে জনসম্মুখে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করা হয়েছে। এত বড় দায়িত্বে বসে কোথায় এবং কীভাবে কথা বলতে হয়, তার বেসিক শিষ্টাচারও এ ধরনের মন্তব্যে দেখা যায়নি। আমি এই মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং সংশ্লিষ্ট পরিচালকের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া ও তাকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি। বিসিবিকে দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি’, আরও যোগ করেন মুমিনুল।
এছাড়া আরও ক্রিকেটাররা প্রতিবাদ করে পোস্ট করেছেন। বিসিবি পরিচালক নাজমুলের মন্তব্য নিয়ে এখনও প্রতিক্রিয়া জানাননি তামিম।
ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলার ব্যাপারে বিসিবির অবস্থান নিয়ে এক অনুষ্ঠানে তামিম অনেক কথাই বলেছেন। সেখানে তামিম এক পর্যায়ে বলেন, ‘দর্শক আবেগে অনেক কিছু বলেন। কিন্তু সবকিছু যদি আমরা ওইভাবে চিন্তা করি, তাহলে আপনি এত বড় সংস্থা চালাতে পারবেন না। কারণ, আপনার আজকের সিদ্ধান্ত আগামী ১০ বছর পর কী প্রভাব ফেলবে বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য এবং খেলোয়াড়দের জন্য কোনটা ভালো হবে, সব চিন্তা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। মোস্তাফিজকে আইপিএল থেকে সরিয়ে দেওয়া অবশ্যই দুঃখজনক, এতে কোনো সন্দেহ নেই।’

নিরাপত্তা ইস্যুতে আইপিএলের স্কোয়াড থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার পর বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় নিতে আইসিসিকে বিবেচনা করতে বলেছে বিসিবি। এই ইস্যুতে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) কথা বলেন তামিম ইকবাল। তার বক্তক্যের পর বিসিবির বর্তমান বোর্ডের অর্থ কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা এম নাজমুল ইসলামের পোস্ট ঘিরে তৈরী হয়েছে নতুন বিতর্ক।
তামিম ইকবালকে ‘ভারতীয় দালাল’ বলে নিজের ফেসবুকে পোস্ট দেন নাজমুল ইসলাম। তামিমের দীর্ঘ পোস্টের একটি ফটোকার্ড শেয়ার করে তিনি পোস্টে লেখেন, ‘এইবার আরও একজন পরীক্ষিত ভারতীয় দালালের আত্মপ্রকাশ বাংলার জনগণ দুচোখ ভরে দেখল।’ তিনি ওই পোস্ট পরে সরিয়ে নিলেও ততক্ষণে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

পরে আরও এক পোস্টে নাজমুল জানান, এটি তার ব্যক্তিগত মতামত। দুটি পোস্টই তিনি ফেসবুকের 'ফ্রেন্ডস' প্রাইভেসিতে করেন।

বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ককে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করায় তোপের মুখে পড়েছেন নাজমুল।শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘সাবেক জাতীয় অধিনায়ক তামিম ইকবালকে নিয়ে বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের একটি মন্তব্য ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)-এর নজরে এসেছে। আমরা এতে স্তব্ধ, বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ।’
বাংলাদেশের অভিজ্ঞ স্পিনার তাইজুল ইসলাম লিখেছেন, ‘সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে নিয়ে বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের বক্তব্যে আমি হতবাক। একজন জাতীয় দলের ক্রিকেটার সম্পর্কে বোর্ড পরিচালকের এমন শব্দচয়ন শুধু রুচিহীনই নয়, তা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য এবং আমাদের ক্রিকেট সংস্কৃতির পরিপন্থি। এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে আমি দৃঢ় প্রতিবাদ জানাচ্ছি। দায়িত্বশীল একটি পদে থেকে প্রকাশ্যে এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া বোর্ড কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্ব, নৈতিকতা ও আচরণবিধি নিয়েই গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দেয়। এ কারণে সংশ্লিষ্ট পরিচালকের প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনার পাশাপাশি তাকে যথাযথ জবাবদিহিতার আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।’
বোর্ড কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল অবস্থান নেওয়ার আহবান জানিয়ে তাসকিন আহমেদ ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন লিখেছেন, ‘ক্রিকেট বাংলাদেশের প্রাণ। সেই ক্রিকেটে বড় অবদান রাখা সাবেক জাতীয় অধিনায়ককে ঘিরে সাম্প্রতিক এক মন্তব্য অনেককেই ভাবিয়েছে। দেশের একজন সাবেক ক্রিকেটারকে উদ্দেশ্য করে এ ধরনের বক্তব্য দেশের ক্রিকেটের স্বার্থে সহায়ক নয় বলেই মনে করি। আশা করি সংশ্লিষ্ট মহল বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে এবং ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীল অবস্থান নেবে।’
একই দাবি জানিয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মুমিনুল হকও। ফেসবুকে টেস্ট দলের সাবেক এই অধিনায়ক লিখেছেন, ‘সাবেক জাতীয় অধিনায়ক তামিম ইকবালকে নিয়ে বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের মন্তব্য সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য এবং দেশের ক্রিকেট সমাজের প্রতি অপমানজনক। একজন ক্রিকেটারের প্রতি এমন আচরণ বোর্ডের দায়িত্ব ও নৈতিকতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।’
‘একজন সিনিয়র ক্রিকেটারকে ন্যূনতম সম্মানও দেওয়া হয়নি; বরং তাকে জনসম্মুখে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করা হয়েছে। এত বড় দায়িত্বে বসে কোথায় এবং কীভাবে কথা বলতে হয়, তার বেসিক শিষ্টাচারও এ ধরনের মন্তব্যে দেখা যায়নি। আমি এই মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং সংশ্লিষ্ট পরিচালকের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া ও তাকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি। বিসিবিকে দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি’, আরও যোগ করেন মুমিনুল।
এছাড়া আরও ক্রিকেটাররা প্রতিবাদ করে পোস্ট করেছেন। বিসিবি পরিচালক নাজমুলের মন্তব্য নিয়ে এখনও প্রতিক্রিয়া জানাননি তামিম।
ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলার ব্যাপারে বিসিবির অবস্থান নিয়ে এক অনুষ্ঠানে তামিম অনেক কথাই বলেছেন। সেখানে তামিম এক পর্যায়ে বলেন, ‘দর্শক আবেগে অনেক কিছু বলেন। কিন্তু সবকিছু যদি আমরা ওইভাবে চিন্তা করি, তাহলে আপনি এত বড় সংস্থা চালাতে পারবেন না। কারণ, আপনার আজকের সিদ্ধান্ত আগামী ১০ বছর পর কী প্রভাব ফেলবে বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য এবং খেলোয়াড়দের জন্য কোনটা ভালো হবে, সব চিন্তা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। মোস্তাফিজকে আইপিএল থেকে সরিয়ে দেওয়া অবশ্যই দুঃখজনক, এতে কোনো সন্দেহ নেই।’

তামিমকে ‘ভারতীয় দালাল’ বলায় প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের
সিটিজেন-স্পোর্টস-ডেস্ক

নিরাপত্তা ইস্যুতে আইপিএলের স্কোয়াড থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার পর বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় নিতে আইসিসিকে বিবেচনা করতে বলেছে বিসিবি। এই ইস্যুতে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) কথা বলেন তামিম ইকবাল। তার বক্তক্যের পর বিসিবির বর্তমান বোর্ডের অর্থ কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা এম নাজমুল ইসলামের পোস্ট ঘিরে তৈরী হয়েছে নতুন বিতর্ক।
তামিম ইকবালকে ‘ভারতীয় দালাল’ বলে নিজের ফেসবুকে পোস্ট দেন নাজমুল ইসলাম। তামিমের দীর্ঘ পোস্টের একটি ফটোকার্ড শেয়ার করে তিনি পোস্টে লেখেন, ‘এইবার আরও একজন পরীক্ষিত ভারতীয় দালালের আত্মপ্রকাশ বাংলার জনগণ দুচোখ ভরে দেখল।’ তিনি ওই পোস্ট পরে সরিয়ে নিলেও ততক্ষণে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

পরে আরও এক পোস্টে নাজমুল জানান, এটি তার ব্যক্তিগত মতামত। দুটি পোস্টই তিনি ফেসবুকের 'ফ্রেন্ডস' প্রাইভেসিতে করেন।

বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ককে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করায় তোপের মুখে পড়েছেন নাজমুল।শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘সাবেক জাতীয় অধিনায়ক তামিম ইকবালকে নিয়ে বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের একটি মন্তব্য ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)-এর নজরে এসেছে। আমরা এতে স্তব্ধ, বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ।’
বাংলাদেশের অভিজ্ঞ স্পিনার তাইজুল ইসলাম লিখেছেন, ‘সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে নিয়ে বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের বক্তব্যে আমি হতবাক। একজন জাতীয় দলের ক্রিকেটার সম্পর্কে বোর্ড পরিচালকের এমন শব্দচয়ন শুধু রুচিহীনই নয়, তা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য এবং আমাদের ক্রিকেট সংস্কৃতির পরিপন্থি। এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে আমি দৃঢ় প্রতিবাদ জানাচ্ছি। দায়িত্বশীল একটি পদে থেকে প্রকাশ্যে এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া বোর্ড কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্ব, নৈতিকতা ও আচরণবিধি নিয়েই গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দেয়। এ কারণে সংশ্লিষ্ট পরিচালকের প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনার পাশাপাশি তাকে যথাযথ জবাবদিহিতার আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।’
বোর্ড কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল অবস্থান নেওয়ার আহবান জানিয়ে তাসকিন আহমেদ ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন লিখেছেন, ‘ক্রিকেট বাংলাদেশের প্রাণ। সেই ক্রিকেটে বড় অবদান রাখা সাবেক জাতীয় অধিনায়ককে ঘিরে সাম্প্রতিক এক মন্তব্য অনেককেই ভাবিয়েছে। দেশের একজন সাবেক ক্রিকেটারকে উদ্দেশ্য করে এ ধরনের বক্তব্য দেশের ক্রিকেটের স্বার্থে সহায়ক নয় বলেই মনে করি। আশা করি সংশ্লিষ্ট মহল বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে এবং ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীল অবস্থান নেবে।’
একই দাবি জানিয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মুমিনুল হকও। ফেসবুকে টেস্ট দলের সাবেক এই অধিনায়ক লিখেছেন, ‘সাবেক জাতীয় অধিনায়ক তামিম ইকবালকে নিয়ে বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের মন্তব্য সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য এবং দেশের ক্রিকেট সমাজের প্রতি অপমানজনক। একজন ক্রিকেটারের প্রতি এমন আচরণ বোর্ডের দায়িত্ব ও নৈতিকতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।’
‘একজন সিনিয়র ক্রিকেটারকে ন্যূনতম সম্মানও দেওয়া হয়নি; বরং তাকে জনসম্মুখে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করা হয়েছে। এত বড় দায়িত্বে বসে কোথায় এবং কীভাবে কথা বলতে হয়, তার বেসিক শিষ্টাচারও এ ধরনের মন্তব্যে দেখা যায়নি। আমি এই মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং সংশ্লিষ্ট পরিচালকের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া ও তাকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি। বিসিবিকে দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি’, আরও যোগ করেন মুমিনুল।
এছাড়া আরও ক্রিকেটাররা প্রতিবাদ করে পোস্ট করেছেন। বিসিবি পরিচালক নাজমুলের মন্তব্য নিয়ে এখনও প্রতিক্রিয়া জানাননি তামিম।
ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলার ব্যাপারে বিসিবির অবস্থান নিয়ে এক অনুষ্ঠানে তামিম অনেক কথাই বলেছেন। সেখানে তামিম এক পর্যায়ে বলেন, ‘দর্শক আবেগে অনেক কিছু বলেন। কিন্তু সবকিছু যদি আমরা ওইভাবে চিন্তা করি, তাহলে আপনি এত বড় সংস্থা চালাতে পারবেন না। কারণ, আপনার আজকের সিদ্ধান্ত আগামী ১০ বছর পর কী প্রভাব ফেলবে বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য এবং খেলোয়াড়দের জন্য কোনটা ভালো হবে, সব চিন্তা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। মোস্তাফিজকে আইপিএল থেকে সরিয়ে দেওয়া অবশ্যই দুঃখজনক, এতে কোনো সন্দেহ নেই।’




