বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে যা বললেন বিসিসিআই সচিব

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে যা বললেন বিসিসিআই সচিব
সিটিজেন-স্পোর্টস-ডেস্ক

নিরাপত্তার ইস্যু দেখিয়ে কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়া হয়। এরপর বিশ্বকাপে অংশ নিতে ভারতে না যাওয়ার কথা জানিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আইসিসিকে চিঠি দিয়েছে। এই ইস্যু নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেয়নি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। অবশেষে বাংলাদেশের বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে কথা বলেছেন বিসিসিআইয়ের এক কর্মকর্তা।
শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) সেন্টার অব এক্সেলেন্সের কার্যক্রম পর্যালোচনায় বসে বিসিসিআই। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিসিসিআিইয়ের সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া। এছাড়া ছিলেন বিসিসিআিই সভাপতি মিঠুন মানহাস, সহ-সভাপতি রাজীব শুক্লা ও স্টোর অব এক্সেলেন্সের প্রধান ভিভিএস লহ্মণ।
মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে সংবাদ মাধ্যমের সামনে কথা বলেন দেবজিৎ সাইকিয়া। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিসিসিআই সচিব বলেন, ‘আজকের বৈঠকের মূল বিষয় ছিল সেন্টার অব এক্সলেন্স এবং অন্যান্য ক্রিকেট সংক্রান্ত বিষয়। বাংলাদেশ বিশ্বকাপে অংশ নেবে নাকি নেবে না সেটা আমাদের এক্তিয়ারে পড়ে না। এই বিষয়ে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।’
এদিকে বাংলাদেশ ইস্যু নিয়ে তৎপর ভারতীয় সরকার। সূত্রের বরাতে টাইমস অব ইন্ডিয়া বলছে, দেশের (ভারত) কেন্দ্রীয় সরকার প্রতি মুহূর্তের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) সঙ্গেও নিয়মতি যোগাযোগ রাখছে। তবে বাংলাদেশ সরকার নিজেদের চূড়ান্ত অবস্থান স্পষ্ট না করা পর্যন্ত ভারত কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাবে না।
ওই প্রতিবেদনে সূত্র জানিয়েছে, ‘এটা একটি বহুজাতিক টুর্নামেন্ট। অলিম্পিক চার্টার অনুযায়ী ভারত সব অংশগ্রহণকারী দেশকে স্বাগত জানায়। বাংলাদেশ যদি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়াতে চায় বা ভেন্যু পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়, সেটি পুরোপুরি তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। প্রথম সিদ্ধান্তটা ঢাকাকেই নিতে হবে।’
প্রসঙ্গত, নিরাপত্তা শঙ্কায় আগামী ফেব্রুয়ারিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না যাওয়ার কথা জানিয়ে শ্রীলঙ্কায় ম্যাচগুলো সরিয়ে নিতে আইসিসিকে বিবেচনা করার দাবি জানায় বিসিবি। আইসিসি প্রথম চিঠির উত্তরে জানায়, ইভেন্টের এক মাস আগে ভেন্যু পরিবর্তন করা কঠিন, তবে তারা নিরাপত্তা ইস্যুটি আরও সুনির্দিষ্ট করে বিসিবির কাছে জানতে চেয়ে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেয়। বিসিবি ভারতে খেলতে না যাওয়ার ব্যাপারে অনড় থেকে দ্বিতীয়বার চিঠি দিয়েছে আইসিসিকে।

নিরাপত্তার ইস্যু দেখিয়ে কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়া হয়। এরপর বিশ্বকাপে অংশ নিতে ভারতে না যাওয়ার কথা জানিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আইসিসিকে চিঠি দিয়েছে। এই ইস্যু নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেয়নি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। অবশেষে বাংলাদেশের বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে কথা বলেছেন বিসিসিআইয়ের এক কর্মকর্তা।
শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) সেন্টার অব এক্সেলেন্সের কার্যক্রম পর্যালোচনায় বসে বিসিসিআই। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিসিসিআিইয়ের সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া। এছাড়া ছিলেন বিসিসিআিই সভাপতি মিঠুন মানহাস, সহ-সভাপতি রাজীব শুক্লা ও স্টোর অব এক্সেলেন্সের প্রধান ভিভিএস লহ্মণ।
মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে সংবাদ মাধ্যমের সামনে কথা বলেন দেবজিৎ সাইকিয়া। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিসিসিআই সচিব বলেন, ‘আজকের বৈঠকের মূল বিষয় ছিল সেন্টার অব এক্সলেন্স এবং অন্যান্য ক্রিকেট সংক্রান্ত বিষয়। বাংলাদেশ বিশ্বকাপে অংশ নেবে নাকি নেবে না সেটা আমাদের এক্তিয়ারে পড়ে না। এই বিষয়ে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।’
এদিকে বাংলাদেশ ইস্যু নিয়ে তৎপর ভারতীয় সরকার। সূত্রের বরাতে টাইমস অব ইন্ডিয়া বলছে, দেশের (ভারত) কেন্দ্রীয় সরকার প্রতি মুহূর্তের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) সঙ্গেও নিয়মতি যোগাযোগ রাখছে। তবে বাংলাদেশ সরকার নিজেদের চূড়ান্ত অবস্থান স্পষ্ট না করা পর্যন্ত ভারত কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাবে না।
ওই প্রতিবেদনে সূত্র জানিয়েছে, ‘এটা একটি বহুজাতিক টুর্নামেন্ট। অলিম্পিক চার্টার অনুযায়ী ভারত সব অংশগ্রহণকারী দেশকে স্বাগত জানায়। বাংলাদেশ যদি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়াতে চায় বা ভেন্যু পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়, সেটি পুরোপুরি তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। প্রথম সিদ্ধান্তটা ঢাকাকেই নিতে হবে।’
প্রসঙ্গত, নিরাপত্তা শঙ্কায় আগামী ফেব্রুয়ারিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না যাওয়ার কথা জানিয়ে শ্রীলঙ্কায় ম্যাচগুলো সরিয়ে নিতে আইসিসিকে বিবেচনা করার দাবি জানায় বিসিবি। আইসিসি প্রথম চিঠির উত্তরে জানায়, ইভেন্টের এক মাস আগে ভেন্যু পরিবর্তন করা কঠিন, তবে তারা নিরাপত্তা ইস্যুটি আরও সুনির্দিষ্ট করে বিসিবির কাছে জানতে চেয়ে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেয়। বিসিবি ভারতে খেলতে না যাওয়ার ব্যাপারে অনড় থেকে দ্বিতীয়বার চিঠি দিয়েছে আইসিসিকে।

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে যা বললেন বিসিসিআই সচিব
সিটিজেন-স্পোর্টস-ডেস্ক

নিরাপত্তার ইস্যু দেখিয়ে কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়া হয়। এরপর বিশ্বকাপে অংশ নিতে ভারতে না যাওয়ার কথা জানিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আইসিসিকে চিঠি দিয়েছে। এই ইস্যু নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেয়নি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। অবশেষে বাংলাদেশের বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে কথা বলেছেন বিসিসিআইয়ের এক কর্মকর্তা।
শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) সেন্টার অব এক্সেলেন্সের কার্যক্রম পর্যালোচনায় বসে বিসিসিআই। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিসিসিআিইয়ের সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া। এছাড়া ছিলেন বিসিসিআিই সভাপতি মিঠুন মানহাস, সহ-সভাপতি রাজীব শুক্লা ও স্টোর অব এক্সেলেন্সের প্রধান ভিভিএস লহ্মণ।
মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে সংবাদ মাধ্যমের সামনে কথা বলেন দেবজিৎ সাইকিয়া। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিসিসিআই সচিব বলেন, ‘আজকের বৈঠকের মূল বিষয় ছিল সেন্টার অব এক্সলেন্স এবং অন্যান্য ক্রিকেট সংক্রান্ত বিষয়। বাংলাদেশ বিশ্বকাপে অংশ নেবে নাকি নেবে না সেটা আমাদের এক্তিয়ারে পড়ে না। এই বিষয়ে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।’
এদিকে বাংলাদেশ ইস্যু নিয়ে তৎপর ভারতীয় সরকার। সূত্রের বরাতে টাইমস অব ইন্ডিয়া বলছে, দেশের (ভারত) কেন্দ্রীয় সরকার প্রতি মুহূর্তের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) সঙ্গেও নিয়মতি যোগাযোগ রাখছে। তবে বাংলাদেশ সরকার নিজেদের চূড়ান্ত অবস্থান স্পষ্ট না করা পর্যন্ত ভারত কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাবে না।
ওই প্রতিবেদনে সূত্র জানিয়েছে, ‘এটা একটি বহুজাতিক টুর্নামেন্ট। অলিম্পিক চার্টার অনুযায়ী ভারত সব অংশগ্রহণকারী দেশকে স্বাগত জানায়। বাংলাদেশ যদি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়াতে চায় বা ভেন্যু পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়, সেটি পুরোপুরি তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। প্রথম সিদ্ধান্তটা ঢাকাকেই নিতে হবে।’
প্রসঙ্গত, নিরাপত্তা শঙ্কায় আগামী ফেব্রুয়ারিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না যাওয়ার কথা জানিয়ে শ্রীলঙ্কায় ম্যাচগুলো সরিয়ে নিতে আইসিসিকে বিবেচনা করার দাবি জানায় বিসিবি। আইসিসি প্রথম চিঠির উত্তরে জানায়, ইভেন্টের এক মাস আগে ভেন্যু পরিবর্তন করা কঠিন, তবে তারা নিরাপত্তা ইস্যুটি আরও সুনির্দিষ্ট করে বিসিবির কাছে জানতে চেয়ে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেয়। বিসিবি ভারতে খেলতে না যাওয়ার ব্যাপারে অনড় থেকে দ্বিতীয়বার চিঠি দিয়েছে আইসিসিকে।




