বাংলাদেশে আসতে পেরে অনেক আনন্দিত: গিলবার্তো সিলভা

বাংলাদেশে আসতে পেরে অনেক আনন্দিত: গিলবার্তো সিলভা
সিটিজেন-ডেস্ক

‘বাংলাদেশে আসতে পেরে আমি অনেক আনন্দিত’– এই কথায় ঢাকা সফর নিয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিল তারকা গিলবার্তো সিলভা। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ঢাকায় পৌঁছে তিনি জানান, এই সফর তার জন্য বিশেষ অভিজ্ঞতা এবং বাংলাদেশে প্রথমবার এসে তিনি উষ্ণ অভ্যর্থনায় মুগ্ধ।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ৪৯ বছর বয়সী সাবেক এই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার বলেন, ‘এখানে আমার প্রথমবার আসা হলো। উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য আপনাদের অনেক ধন্যবাদ। ফিফা, ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এবং কোকা-কোলার পক্ষ থেকে আপনাদের কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি আমাদের এমনভাবে আতিথেয়তা দেওয়ার জন্য। এটা সত্যিই দারুণ সময়।’
ব্রাজিলের হয়ে ৮৯ ম্যাচ খেলে ৩ গোল করা গিলবার্তো বর্তমানে ফিফার দূত হিসেবে কাজ করছেন। বিশ্বভ্রমণের অংশ হিসেবে তার সঙ্গে এবার বাংলাদেশে এসেছে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত সোনালি ট্রফি– লিওনেল মেসির ছোঁয়া ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি। বিমানবন্দরে নিজ হাতে পর্দা সরিয়ে ট্রফিটি উন্মোচন করেন গিলবার্তো।
বিশ্বকাপ ট্রফি প্রসঙ্গে গিলবার্তো বলেন, ‘এই ট্রফিটি আমাকে আজও অনুপ্রাণিত করে। যখনই এত কাছ থেকে এটি দেখি, তখন আবার নতুন করে সামনে এগিয়ে যেতে উৎসাহ পাই এবং ফুটবলকে আরও গভীরভাবে উপভোগ করতে চাই। একই সঙ্গে ফুটবলের মতো সুন্দর এই খেলাটির একজন দূত হিসেবে কাজ করার শক্তিও এটি আমাকে দেয়।’
বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য এই সফর গুরুত্বপূর্ণ অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে বলে মনে করেন তিনি। গিলবার্তো বলেন, ‘ফিফা ও আমাদের পুরো দলের পক্ষ থেকে এই ট্রফিটি এখানে নিয়ে আসতে পারাটা আমাদের জন্য সম্মানের। আমি আশা করি, এটি তরুণদের খেলাধুলায়, বিশেষ করে ফুটবলের প্রতি আগ্রহী করে তুলবে।’

‘বাংলাদেশে আসতে পেরে আমি অনেক আনন্দিত’– এই কথায় ঢাকা সফর নিয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিল তারকা গিলবার্তো সিলভা। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ঢাকায় পৌঁছে তিনি জানান, এই সফর তার জন্য বিশেষ অভিজ্ঞতা এবং বাংলাদেশে প্রথমবার এসে তিনি উষ্ণ অভ্যর্থনায় মুগ্ধ।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ৪৯ বছর বয়সী সাবেক এই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার বলেন, ‘এখানে আমার প্রথমবার আসা হলো। উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য আপনাদের অনেক ধন্যবাদ। ফিফা, ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এবং কোকা-কোলার পক্ষ থেকে আপনাদের কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি আমাদের এমনভাবে আতিথেয়তা দেওয়ার জন্য। এটা সত্যিই দারুণ সময়।’
ব্রাজিলের হয়ে ৮৯ ম্যাচ খেলে ৩ গোল করা গিলবার্তো বর্তমানে ফিফার দূত হিসেবে কাজ করছেন। বিশ্বভ্রমণের অংশ হিসেবে তার সঙ্গে এবার বাংলাদেশে এসেছে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত সোনালি ট্রফি– লিওনেল মেসির ছোঁয়া ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি। বিমানবন্দরে নিজ হাতে পর্দা সরিয়ে ট্রফিটি উন্মোচন করেন গিলবার্তো।
বিশ্বকাপ ট্রফি প্রসঙ্গে গিলবার্তো বলেন, ‘এই ট্রফিটি আমাকে আজও অনুপ্রাণিত করে। যখনই এত কাছ থেকে এটি দেখি, তখন আবার নতুন করে সামনে এগিয়ে যেতে উৎসাহ পাই এবং ফুটবলকে আরও গভীরভাবে উপভোগ করতে চাই। একই সঙ্গে ফুটবলের মতো সুন্দর এই খেলাটির একজন দূত হিসেবে কাজ করার শক্তিও এটি আমাকে দেয়।’
বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য এই সফর গুরুত্বপূর্ণ অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে বলে মনে করেন তিনি। গিলবার্তো বলেন, ‘ফিফা ও আমাদের পুরো দলের পক্ষ থেকে এই ট্রফিটি এখানে নিয়ে আসতে পারাটা আমাদের জন্য সম্মানের। আমি আশা করি, এটি তরুণদের খেলাধুলায়, বিশেষ করে ফুটবলের প্রতি আগ্রহী করে তুলবে।’

বাংলাদেশে আসতে পেরে অনেক আনন্দিত: গিলবার্তো সিলভা
সিটিজেন-ডেস্ক

‘বাংলাদেশে আসতে পেরে আমি অনেক আনন্দিত’– এই কথায় ঢাকা সফর নিয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিল তারকা গিলবার্তো সিলভা। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ঢাকায় পৌঁছে তিনি জানান, এই সফর তার জন্য বিশেষ অভিজ্ঞতা এবং বাংলাদেশে প্রথমবার এসে তিনি উষ্ণ অভ্যর্থনায় মুগ্ধ।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ৪৯ বছর বয়সী সাবেক এই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার বলেন, ‘এখানে আমার প্রথমবার আসা হলো। উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য আপনাদের অনেক ধন্যবাদ। ফিফা, ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এবং কোকা-কোলার পক্ষ থেকে আপনাদের কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি আমাদের এমনভাবে আতিথেয়তা দেওয়ার জন্য। এটা সত্যিই দারুণ সময়।’
ব্রাজিলের হয়ে ৮৯ ম্যাচ খেলে ৩ গোল করা গিলবার্তো বর্তমানে ফিফার দূত হিসেবে কাজ করছেন। বিশ্বভ্রমণের অংশ হিসেবে তার সঙ্গে এবার বাংলাদেশে এসেছে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত সোনালি ট্রফি– লিওনেল মেসির ছোঁয়া ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি। বিমানবন্দরে নিজ হাতে পর্দা সরিয়ে ট্রফিটি উন্মোচন করেন গিলবার্তো।
বিশ্বকাপ ট্রফি প্রসঙ্গে গিলবার্তো বলেন, ‘এই ট্রফিটি আমাকে আজও অনুপ্রাণিত করে। যখনই এত কাছ থেকে এটি দেখি, তখন আবার নতুন করে সামনে এগিয়ে যেতে উৎসাহ পাই এবং ফুটবলকে আরও গভীরভাবে উপভোগ করতে চাই। একই সঙ্গে ফুটবলের মতো সুন্দর এই খেলাটির একজন দূত হিসেবে কাজ করার শক্তিও এটি আমাকে দেয়।’
বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য এই সফর গুরুত্বপূর্ণ অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে বলে মনে করেন তিনি। গিলবার্তো বলেন, ‘ফিফা ও আমাদের পুরো দলের পক্ষ থেকে এই ট্রফিটি এখানে নিয়ে আসতে পারাটা আমাদের জন্য সম্মানের। আমি আশা করি, এটি তরুণদের খেলাধুলায়, বিশেষ করে ফুটবলের প্রতি আগ্রহী করে তুলবে।’




