৪ যাত্রীর মৃত্যু; দুর্ঘটনার আগে বাসচালক ও যাত্রীর ঝগড়া

৪ যাত্রীর মৃত্যু; দুর্ঘটনার আগে বাসচালক ও যাত্রীর ঝগড়া
সিটিজেন-ডেস্ক

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে বাস, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে অগ্নিদগ্ধ হয়ে ৪ জন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার আগে বাসের এক যাত্রীর সঙ্গে চালক ও তার সহকারীর কথা–কাটাকাটি হয়। এ সময় চালক অমনোযোগী হয়ে পড়েন। সড়কে মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত রিকশা অতিক্রম করার সময় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। বাসটির যাত্রীরা জানিয়েছেন এমন তথ্য।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বানিয়াপাড়া এলাকায় বাসের সঙ্গে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষের পর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহতদের মধ্যে একজন পুরুষ, একজন নারী ও দুই শিশু। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে। তাদের ভাষ্য, নিহতদের দুজন বাসের যাত্রী, দুজন মোটরসাইকেলের। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। আহত ব্যক্তিদের দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। তাদের ১২ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বাসের যাত্রী সুমন সাংবাদিকদের বলেন, ‘দুর্ঘটনার আগে যাত্রীদের সঙ্গে বাসের চালক ও সুপারভাইজারের ঝগড়া হয়। কারণ, চালক বাসটি খুব কম গতিতে চালাচ্ছিলেন। আর সুপারভাইজার যেখানে সেখানে থামিয়ে রাস্তা থেকে লোক তুলছিলেন। ঝগড়ার মধ্যে হঠাৎ করেই চালক গতি বাড়িয়ে দেন। তখন তিনি বাসটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন আর দুর্ঘটনা ঘটে।’ বাসের অন্য যাত্রীদের কাছ থেকে একই রকম ভাষ্য পাওয়া যায়।
দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ওসি ইকবাল বাহার মজুমদার বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বাসের সঙ্গে সংঘর্ষের পর মোটরসাইকেলের জ্বালানির ট্যাংক থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। এতে পুরো বাসে আগুন ধরে যায়। ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তখন আমরা ঘটনাস্থলে চারজনের দগ্ধ মরদেহ পড়ে থাকতে দেখি। পরে হতাহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়।’

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে বাস, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে অগ্নিদগ্ধ হয়ে ৪ জন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার আগে বাসের এক যাত্রীর সঙ্গে চালক ও তার সহকারীর কথা–কাটাকাটি হয়। এ সময় চালক অমনোযোগী হয়ে পড়েন। সড়কে মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত রিকশা অতিক্রম করার সময় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। বাসটির যাত্রীরা জানিয়েছেন এমন তথ্য।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বানিয়াপাড়া এলাকায় বাসের সঙ্গে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষের পর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহতদের মধ্যে একজন পুরুষ, একজন নারী ও দুই শিশু। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে। তাদের ভাষ্য, নিহতদের দুজন বাসের যাত্রী, দুজন মোটরসাইকেলের। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। আহত ব্যক্তিদের দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। তাদের ১২ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বাসের যাত্রী সুমন সাংবাদিকদের বলেন, ‘দুর্ঘটনার আগে যাত্রীদের সঙ্গে বাসের চালক ও সুপারভাইজারের ঝগড়া হয়। কারণ, চালক বাসটি খুব কম গতিতে চালাচ্ছিলেন। আর সুপারভাইজার যেখানে সেখানে থামিয়ে রাস্তা থেকে লোক তুলছিলেন। ঝগড়ার মধ্যে হঠাৎ করেই চালক গতি বাড়িয়ে দেন। তখন তিনি বাসটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন আর দুর্ঘটনা ঘটে।’ বাসের অন্য যাত্রীদের কাছ থেকে একই রকম ভাষ্য পাওয়া যায়।
দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ওসি ইকবাল বাহার মজুমদার বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বাসের সঙ্গে সংঘর্ষের পর মোটরসাইকেলের জ্বালানির ট্যাংক থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। এতে পুরো বাসে আগুন ধরে যায়। ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তখন আমরা ঘটনাস্থলে চারজনের দগ্ধ মরদেহ পড়ে থাকতে দেখি। পরে হতাহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়।’

৪ যাত্রীর মৃত্যু; দুর্ঘটনার আগে বাসচালক ও যাত্রীর ঝগড়া
সিটিজেন-ডেস্ক

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে বাস, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে অগ্নিদগ্ধ হয়ে ৪ জন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার আগে বাসের এক যাত্রীর সঙ্গে চালক ও তার সহকারীর কথা–কাটাকাটি হয়। এ সময় চালক অমনোযোগী হয়ে পড়েন। সড়কে মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত রিকশা অতিক্রম করার সময় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। বাসটির যাত্রীরা জানিয়েছেন এমন তথ্য।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বানিয়াপাড়া এলাকায় বাসের সঙ্গে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষের পর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহতদের মধ্যে একজন পুরুষ, একজন নারী ও দুই শিশু। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে। তাদের ভাষ্য, নিহতদের দুজন বাসের যাত্রী, দুজন মোটরসাইকেলের। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। আহত ব্যক্তিদের দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। তাদের ১২ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বাসের যাত্রী সুমন সাংবাদিকদের বলেন, ‘দুর্ঘটনার আগে যাত্রীদের সঙ্গে বাসের চালক ও সুপারভাইজারের ঝগড়া হয়। কারণ, চালক বাসটি খুব কম গতিতে চালাচ্ছিলেন। আর সুপারভাইজার যেখানে সেখানে থামিয়ে রাস্তা থেকে লোক তুলছিলেন। ঝগড়ার মধ্যে হঠাৎ করেই চালক গতি বাড়িয়ে দেন। তখন তিনি বাসটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন আর দুর্ঘটনা ঘটে।’ বাসের অন্য যাত্রীদের কাছ থেকে একই রকম ভাষ্য পাওয়া যায়।
দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ওসি ইকবাল বাহার মজুমদার বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বাসের সঙ্গে সংঘর্ষের পর মোটরসাইকেলের জ্বালানির ট্যাংক থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। এতে পুরো বাসে আগুন ধরে যায়। ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তখন আমরা ঘটনাস্থলে চারজনের দগ্ধ মরদেহ পড়ে থাকতে দেখি। পরে হতাহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়।’




