শিরোনাম

শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করে সাবেক বিএনপি নেতার প্রচারণা শুরু

গোপালগঞ্জ সংবাদদাতা
শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করে সাবেক বিএনপি নেতার প্রচারণা শুরু
কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে শেখ মুজিবুর রহমানের কবর জিয়ারত করেন গোপালগঞ্জ-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব। ছবি: সংগৃহীত

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কবর জিয়ারত করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটের প্রচারণা শুরু করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান হাবিব। তিনি জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে শেখ মুজিবুর রহমানের মূল সমাধি সৌধে প্রবেশে প্রশাসনের অনুমতি তিনি পাননি। পরে সমাধিসৌধের গেটে দাঁড়িয়ে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে কবর জিয়ারত করেন তিনি।

এর আগে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিব গওহরডাঙ্গা খাদেমুল ইসলাম মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা শামছুল হক ফরিদপুরীর কবর জিয়ারত করেন। সেখান থেকেই নিজের নির্বাচনী প্রতীক ফুটবল মার্কার প্রচার শুরু করেন। পরে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা পরিষদ ও পাটগাতী বাসস্ট্যান্ডে নির্বাচনী গণসংযোগ এবং প্রচারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে ভোট ও সমর্থন চান।

হাবিবুর রহমান হাবিব সাংবাদিকদের বলেন, গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন। এই আসনের মাটিতেই শায়িত আছেন স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও আলেম সমাজের উজ্জ্বল নক্ষত্র আল্লামা শামছুল হক ফরিদপুরী। এই দুই মহামানবের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা রেখেই আমি আমার নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছি। প্রশাসনের অনুমতি না পাওয়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধের ভেতরে গিয়ে তার কবর জিয়ারত করতে পারিনি। তাই গেটের বাইরে দাঁড়িয়েই বঙ্গবন্ধুর কবর জিয়ারত করেছি।

তিনি বলেন, একসময় আমি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। টুঙ্গিপাড়া ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি এবং জেলা বিএনপির সদস্যও ছিলাম। তবে আমি অনেক আগেই বিএনপির রাজনীতি ছেড়ে দিয়েছি। ডাক বিভাগের মাধ্যমে বিএনপির মহাসচিব বরাবর আমার পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি। আমাকে এখন বহিষ্কার করার বিষয়টি হাস্যকর, কারণ আমি দলে নেই।

এই স্বতন্ত্র প্রার্থী আরও বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকে টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়ার মানুষ মামলা ও গ্রেপ্তারের আতঙ্কে রয়েছেন। হয়রানির শিকার হয়ে অনেকেই এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। যারা রাজনীতি করেন, তাদের অনেকেই সাধারণ মানুষের কথা ভাবেন না। কেবল নিজের স্বার্থে নির্বাচনে অংশ নেন। আমি এলাকার মানুষের জন্য রাজনীতি করতে চাই, তাদের কল্যাণের জন্য কাজ করতে চাই। সকল অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমার রাজনীতির লক্ষ্য।

/এসআর/