যশোরে তীব্র শীতে ২৪ ঘণ্টায় ১০ জনের মৃত্যু

যশোরে তীব্র শীতে ২৪ ঘণ্টায় ১০ জনের মৃত্যু
যশোর সংবাদদাতা

যশোরে শৈত্যপ্রবাহের মধ্যে শীতজনিতসহ বিভিন্ন রোগে অসুস্থ হয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তির পর বৃহস্পতিবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে তারা মারা যান। যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে মারা যাওয়া রোগীদের বয়স ৫৫ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে।
যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তথ্য মতে, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নানা রোগ নিয়ে ২৯০ রোগী ভর্তি হয়েছেন। যার মধ্যে শতাধিক রোগী ঠান্ডাজনিত সমস্যা নিয়ে এসেছেন। যার ৫৪ জনই শিশু।
নিহতের একজন মুন্সি মহিউদ্দিন। তার ছেলে শামছুজ্জামান জানান, ‘ঠান্ডার কারণে তার বাবার শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল। ভোর ৬টার দিকে হাসপাতালে নিয়ে আসি। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালে আনার আগেই তিনি মারা যান।’
যশোরের সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা বলেন, ‘যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে একদিনে দশজনের মৃত্যু হয়েছে। সংখ্যাটা হয়ত একটু বেশি। তবে তারা সবাই শীতের কারণে মারা যায়নি। তারা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ছিল। ফুসফুসে সংক্রমনসহ বিভিন্ন রোগে তাদের মৃত্যু হয়েছে।’
তবে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জোবায়ের আহমেদ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ঠান্ডাজনিত এবং ফুসফুস সংক্রমণজনিত কারণে ১০ জন মারা গেছেন। শীতের কারণে বয়স্কদের মধ্যে মৃত্যুর প্রবণতা বেশি।
যশোর আড়াইশ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার হুসাইন সাফায়াত জানান, আমাদের হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে জরুরি বিভাগে আড়াইশ থেকে তিনশ রোগী চিকিৎসা নেন। ভর্তি থাকেন সাড়ে চারশ থেকে পাঁচশ রোগী।
আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত দুসপ্তাহ ধরেই যশোরের তাপমাত্রা ৭ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। এ অবস্থায় জেলাজুড়ে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত নানা রোগ। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া এবং ডায়রিয়ায় বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। ফলে হাসপাতালেও বাড়ছে রোগীর সংখ্যা।

যশোরে শৈত্যপ্রবাহের মধ্যে শীতজনিতসহ বিভিন্ন রোগে অসুস্থ হয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তির পর বৃহস্পতিবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে তারা মারা যান। যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে মারা যাওয়া রোগীদের বয়স ৫৫ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে।
যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তথ্য মতে, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নানা রোগ নিয়ে ২৯০ রোগী ভর্তি হয়েছেন। যার মধ্যে শতাধিক রোগী ঠান্ডাজনিত সমস্যা নিয়ে এসেছেন। যার ৫৪ জনই শিশু।
নিহতের একজন মুন্সি মহিউদ্দিন। তার ছেলে শামছুজ্জামান জানান, ‘ঠান্ডার কারণে তার বাবার শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল। ভোর ৬টার দিকে হাসপাতালে নিয়ে আসি। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালে আনার আগেই তিনি মারা যান।’
যশোরের সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা বলেন, ‘যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে একদিনে দশজনের মৃত্যু হয়েছে। সংখ্যাটা হয়ত একটু বেশি। তবে তারা সবাই শীতের কারণে মারা যায়নি। তারা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ছিল। ফুসফুসে সংক্রমনসহ বিভিন্ন রোগে তাদের মৃত্যু হয়েছে।’
তবে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জোবায়ের আহমেদ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ঠান্ডাজনিত এবং ফুসফুস সংক্রমণজনিত কারণে ১০ জন মারা গেছেন। শীতের কারণে বয়স্কদের মধ্যে মৃত্যুর প্রবণতা বেশি।
যশোর আড়াইশ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার হুসাইন সাফায়াত জানান, আমাদের হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে জরুরি বিভাগে আড়াইশ থেকে তিনশ রোগী চিকিৎসা নেন। ভর্তি থাকেন সাড়ে চারশ থেকে পাঁচশ রোগী।
আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত দুসপ্তাহ ধরেই যশোরের তাপমাত্রা ৭ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। এ অবস্থায় জেলাজুড়ে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত নানা রোগ। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া এবং ডায়রিয়ায় বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। ফলে হাসপাতালেও বাড়ছে রোগীর সংখ্যা।

যশোরে তীব্র শীতে ২৪ ঘণ্টায় ১০ জনের মৃত্যু
যশোর সংবাদদাতা

যশোরে শৈত্যপ্রবাহের মধ্যে শীতজনিতসহ বিভিন্ন রোগে অসুস্থ হয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তির পর বৃহস্পতিবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে তারা মারা যান। যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে মারা যাওয়া রোগীদের বয়স ৫৫ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে।
যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তথ্য মতে, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নানা রোগ নিয়ে ২৯০ রোগী ভর্তি হয়েছেন। যার মধ্যে শতাধিক রোগী ঠান্ডাজনিত সমস্যা নিয়ে এসেছেন। যার ৫৪ জনই শিশু।
নিহতের একজন মুন্সি মহিউদ্দিন। তার ছেলে শামছুজ্জামান জানান, ‘ঠান্ডার কারণে তার বাবার শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল। ভোর ৬টার দিকে হাসপাতালে নিয়ে আসি। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালে আনার আগেই তিনি মারা যান।’
যশোরের সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা বলেন, ‘যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে একদিনে দশজনের মৃত্যু হয়েছে। সংখ্যাটা হয়ত একটু বেশি। তবে তারা সবাই শীতের কারণে মারা যায়নি। তারা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ছিল। ফুসফুসে সংক্রমনসহ বিভিন্ন রোগে তাদের মৃত্যু হয়েছে।’
তবে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জোবায়ের আহমেদ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ঠান্ডাজনিত এবং ফুসফুস সংক্রমণজনিত কারণে ১০ জন মারা গেছেন। শীতের কারণে বয়স্কদের মধ্যে মৃত্যুর প্রবণতা বেশি।
যশোর আড়াইশ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার হুসাইন সাফায়াত জানান, আমাদের হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে জরুরি বিভাগে আড়াইশ থেকে তিনশ রোগী চিকিৎসা নেন। ভর্তি থাকেন সাড়ে চারশ থেকে পাঁচশ রোগী।
আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত দুসপ্তাহ ধরেই যশোরের তাপমাত্রা ৭ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। এ অবস্থায় জেলাজুড়ে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত নানা রোগ। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া এবং ডায়রিয়ায় বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। ফলে হাসপাতালেও বাড়ছে রোগীর সংখ্যা।




