রাজধানীতে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা
রাজধানীতে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা
রাজধানীতে রবিবার (৪ জানুয়ারি) মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আজ থেকে আগামী কয়েকদিন সারা দেশে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।


তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, গত কয়েক দিন ধরে তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রার ওঠানামা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

শীত বেড়ে যাওয়ায় মধ্যবিত্তরা সাশ্রয়ী দামে কাপড় কিনতে ভিড় করছেন ফুটপাত ও অস্থায়ী দোকানগুলোতে। খুলনা শহরের আহসান আহমদ রোড, সার্কিট হাউজ মাঠে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা নওগাঁয় বুধবার (৭ জানুয়ারি) দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। জেলার বদলগাছী উপজেলায় তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা চলতি শীত মৌসুমেরও সর্বনিম্ন বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

তীব্র শীতে ঘন কুয়াশায় বোরো আবাদের বীজতলা হলুদ হয়ে গেছে। এমনকি অনেক বীজতলা মরে গেছে। এতে বোরো আবাদ নিয়ে দুঃচিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।
রাজধানীতে রবিবার (৪ জানুয়ারি) মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আজ থেকে আগামী কয়েকদিন সারা দেশে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সারাদেশে জেঁকে বসেছে শীত। এই হাড় কাঁপানো শীতে গরম গরম পিঠা খেতে মন চায় সবার। নগরবাসীর এ চাহিদা পূরণে পথের ধারে প্রতিদিনই চলে পিঠা তৈরির আয়োজন। চিতই পিঠার সঙ্গে থাকে ধনেপাতা, শরিষা বা শুঁটকি ভর্তা। কেউ পছন্দ করেন খেজুর গুড় দিয়ে ভাপা পিঠা।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানায়, বর্তমানে উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের একটি বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। একই সঙ্গে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার একটি বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত।

যশোরে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগের দিন বৃহস্পতিবার যশোরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

গেল এক সপ্তাহ ধরে অব্যাহত শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। কুয়াশা ও হিমেল হাওয়া শীতের তীব্রতাকে বাড়িয়ে দিচ্ছে। ফলে গ্রাম ও শহরে জেঁকে বসেছে তীব্র শীত।

গোপালগঞ্জে চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় এ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৭ শতাংশ এবং ঘন কুয়াশায় দৃষ্টিসীমা নেমে আসে মাত্র ২০০ মিটারে।
