পাবনা-১ ও ২ আসনে প্রতীক বরাদ্দ ২৭ জানুয়ারি

পাবনা-১ ও ২ আসনে প্রতীক বরাদ্দ ২৭ জানুয়ারি
পাবনা সংবাদদাতা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনায় সীমানা জটিলতায় ১ ও ২ আসনে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ২৭ জানুয়ারি। এরইমধ্যে বুধবার (২১ জানুয়ারি) জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে বাকি তিনটি আসনের প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
জেলা রিটানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. শাহেদ মোস্তফা পাবনা-৩, ৪ ও ৫ আসনে ১৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন।
এদিকে, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন পাবনা-১ ও ২ আসনের জন্য নতুন তফসিল ঘোষণা করে। গত ১৫ জানুয়ারি ঘোষিত নতুন তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং বা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল ১৮ জানুয়ারি। দাখিলকৃত মনোনয়নপত্র ১৯ জানুয়ারি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে।

পাবনা-১ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন ৭ জন। যাচাই-বাছাই শেষে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীসহ ৪ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। পাবনা-২ আসনে ৫ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। তাদের সবার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ২০ থেকে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল করার সুযোগ রয়েছে। এই আপিল নিষ্পত্তি করা হবে ২৫ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬ জানুয়ারি। ২৭ জানুয়ারি প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা হবে।
উল্লেখ্য, হাইকোর্টের নির্দেশে ৬ জানুয়ারি পাবনা-১ ও ২ আসনে নির্বাচন স্থগিত রাখতে সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পরে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে পাবনা–১ আসনের এক প্রার্থী সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেন। শুনানি শেষে ১৫ জানুয়ারি ইসির সিদ্ধান্ত স্থগিত করে আগের সীমানায় নির্বাচনের আদেশ দেন আপিল বিভাগ।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনায় সীমানা জটিলতায় ১ ও ২ আসনে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ২৭ জানুয়ারি। এরইমধ্যে বুধবার (২১ জানুয়ারি) জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে বাকি তিনটি আসনের প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
জেলা রিটানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. শাহেদ মোস্তফা পাবনা-৩, ৪ ও ৫ আসনে ১৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন।
এদিকে, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন পাবনা-১ ও ২ আসনের জন্য নতুন তফসিল ঘোষণা করে। গত ১৫ জানুয়ারি ঘোষিত নতুন তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং বা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল ১৮ জানুয়ারি। দাখিলকৃত মনোনয়নপত্র ১৯ জানুয়ারি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে।

পাবনা-১ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন ৭ জন। যাচাই-বাছাই শেষে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীসহ ৪ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। পাবনা-২ আসনে ৫ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। তাদের সবার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ২০ থেকে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল করার সুযোগ রয়েছে। এই আপিল নিষ্পত্তি করা হবে ২৫ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬ জানুয়ারি। ২৭ জানুয়ারি প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা হবে।
উল্লেখ্য, হাইকোর্টের নির্দেশে ৬ জানুয়ারি পাবনা-১ ও ২ আসনে নির্বাচন স্থগিত রাখতে সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পরে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে পাবনা–১ আসনের এক প্রার্থী সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেন। শুনানি শেষে ১৫ জানুয়ারি ইসির সিদ্ধান্ত স্থগিত করে আগের সীমানায় নির্বাচনের আদেশ দেন আপিল বিভাগ।

পাবনা-১ ও ২ আসনে প্রতীক বরাদ্দ ২৭ জানুয়ারি
পাবনা সংবাদদাতা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনায় সীমানা জটিলতায় ১ ও ২ আসনে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ২৭ জানুয়ারি। এরইমধ্যে বুধবার (২১ জানুয়ারি) জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে বাকি তিনটি আসনের প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
জেলা রিটানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. শাহেদ মোস্তফা পাবনা-৩, ৪ ও ৫ আসনে ১৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন।
এদিকে, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন পাবনা-১ ও ২ আসনের জন্য নতুন তফসিল ঘোষণা করে। গত ১৫ জানুয়ারি ঘোষিত নতুন তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং বা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল ১৮ জানুয়ারি। দাখিলকৃত মনোনয়নপত্র ১৯ জানুয়ারি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে।

পাবনা-১ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন ৭ জন। যাচাই-বাছাই শেষে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীসহ ৪ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। পাবনা-২ আসনে ৫ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। তাদের সবার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ২০ থেকে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল করার সুযোগ রয়েছে। এই আপিল নিষ্পত্তি করা হবে ২৫ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬ জানুয়ারি। ২৭ জানুয়ারি প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা হবে।
উল্লেখ্য, হাইকোর্টের নির্দেশে ৬ জানুয়ারি পাবনা-১ ও ২ আসনে নির্বাচন স্থগিত রাখতে সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পরে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে পাবনা–১ আসনের এক প্রার্থী সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেন। শুনানি শেষে ১৫ জানুয়ারি ইসির সিদ্ধান্ত স্থগিত করে আগের সীমানায় নির্বাচনের আদেশ দেন আপিল বিভাগ।




