ইসির সীমানা অনুযায়ী ১২ ফেব্রুয়ারিই পাবনার দুটি আসনে নির্বাচন

ইসির সীমানা অনুযায়ী ১২ ফেব্রুয়ারিই পাবনার দুটি আসনে নির্বাচন
নিজস্ব প্রতিবেদক

পাবনা-১ ও পাবনা-২ সংসদীয় আসনে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে আর কোনো আইনি বাধা নেই বলে আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। আদালত জানিয়েছেন, গত ৪ সেপ্টেম্বর সীমানা পুনর্নির্ধারণ করে নির্বাচন কমিশনের জারি করা গেজেট অনুযায়ীই নির্বাচন হবে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী– এর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন।
আদেশ অনুযায়ী, সাঁথিয়া উপজেলা থাকবে পাবনা-১ আসনে এবং সুজানগর ও বেড়া উপজেলা মিলিয়ে হবে পাবনা-২ আসন।
এর ফলে পাবনা-১ আসন থেকে বেড়া উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বাদ দিয়ে পাবনা-২ আসনের সঙ্গে যুক্ত করার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের গেজেটকে অবৈধ ঘোষণা করে দেওয়া হাইকোর্টের রায় স্থগিত হয়ে গেল।
আদালতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ছিলেন ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক। জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার ইমরান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী এবং বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী।
এর আগে গত ১৮ ডিসেম্বর হাইকোর্ট পাবনা-১ আসন থেকে বেড়া উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বাদ দিয়ে পাবনা-২ আসনের সঙ্গে যুক্ত করার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের গেজেটের অংশটুকু আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করে আগের সীমানা পুনর্বহালের নির্দেশ দেন। ওই রায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন লিভ টু আপিল করলে গত ৫ জানুয়ারি আপিল বিভাগ ২৪ ডিসেম্বরের সীমানা-সংক্রান্ত গেজেটের কার্যক্রম স্থগিত করেন। পরে নির্বাচন কমিশন পাবনা-১ ও ২ আসনের নির্বাচন সাময়িকভাবে স্থগিত রাখে।
এর মধ্যে গত ১৩ জানুয়ারি পাবনা-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন আপিল বিভাগে আবেদন করে যথাসময়ে নির্বাচন ও নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশনা চান।

পাবনা-১ ও পাবনা-২ সংসদীয় আসনে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে আর কোনো আইনি বাধা নেই বলে আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। আদালত জানিয়েছেন, গত ৪ সেপ্টেম্বর সীমানা পুনর্নির্ধারণ করে নির্বাচন কমিশনের জারি করা গেজেট অনুযায়ীই নির্বাচন হবে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী– এর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন।
আদেশ অনুযায়ী, সাঁথিয়া উপজেলা থাকবে পাবনা-১ আসনে এবং সুজানগর ও বেড়া উপজেলা মিলিয়ে হবে পাবনা-২ আসন।
এর ফলে পাবনা-১ আসন থেকে বেড়া উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বাদ দিয়ে পাবনা-২ আসনের সঙ্গে যুক্ত করার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের গেজেটকে অবৈধ ঘোষণা করে দেওয়া হাইকোর্টের রায় স্থগিত হয়ে গেল।
আদালতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ছিলেন ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক। জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার ইমরান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী এবং বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী।
এর আগে গত ১৮ ডিসেম্বর হাইকোর্ট পাবনা-১ আসন থেকে বেড়া উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বাদ দিয়ে পাবনা-২ আসনের সঙ্গে যুক্ত করার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের গেজেটের অংশটুকু আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করে আগের সীমানা পুনর্বহালের নির্দেশ দেন। ওই রায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন লিভ টু আপিল করলে গত ৫ জানুয়ারি আপিল বিভাগ ২৪ ডিসেম্বরের সীমানা-সংক্রান্ত গেজেটের কার্যক্রম স্থগিত করেন। পরে নির্বাচন কমিশন পাবনা-১ ও ২ আসনের নির্বাচন সাময়িকভাবে স্থগিত রাখে।
এর মধ্যে গত ১৩ জানুয়ারি পাবনা-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন আপিল বিভাগে আবেদন করে যথাসময়ে নির্বাচন ও নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশনা চান।

ইসির সীমানা অনুযায়ী ১২ ফেব্রুয়ারিই পাবনার দুটি আসনে নির্বাচন
নিজস্ব প্রতিবেদক

পাবনা-১ ও পাবনা-২ সংসদীয় আসনে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে আর কোনো আইনি বাধা নেই বলে আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। আদালত জানিয়েছেন, গত ৪ সেপ্টেম্বর সীমানা পুনর্নির্ধারণ করে নির্বাচন কমিশনের জারি করা গেজেট অনুযায়ীই নির্বাচন হবে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী– এর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন।
আদেশ অনুযায়ী, সাঁথিয়া উপজেলা থাকবে পাবনা-১ আসনে এবং সুজানগর ও বেড়া উপজেলা মিলিয়ে হবে পাবনা-২ আসন।
এর ফলে পাবনা-১ আসন থেকে বেড়া উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বাদ দিয়ে পাবনা-২ আসনের সঙ্গে যুক্ত করার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের গেজেটকে অবৈধ ঘোষণা করে দেওয়া হাইকোর্টের রায় স্থগিত হয়ে গেল।
আদালতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ছিলেন ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক। জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার ইমরান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী এবং বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী।
এর আগে গত ১৮ ডিসেম্বর হাইকোর্ট পাবনা-১ আসন থেকে বেড়া উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বাদ দিয়ে পাবনা-২ আসনের সঙ্গে যুক্ত করার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের গেজেটের অংশটুকু আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করে আগের সীমানা পুনর্বহালের নির্দেশ দেন। ওই রায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন লিভ টু আপিল করলে গত ৫ জানুয়ারি আপিল বিভাগ ২৪ ডিসেম্বরের সীমানা-সংক্রান্ত গেজেটের কার্যক্রম স্থগিত করেন। পরে নির্বাচন কমিশন পাবনা-১ ও ২ আসনের নির্বাচন সাময়িকভাবে স্থগিত রাখে।
এর মধ্যে গত ১৩ জানুয়ারি পাবনা-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন আপিল বিভাগে আবেদন করে যথাসময়ে নির্বাচন ও নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশনা চান।




