হাদি হত্যাকাণ্ড: দায় স্বীকার করে ফয়সাল ও সঞ্জয়ের জবানবন্দি

হাদি হত্যাকাণ্ড: দায় স্বীকার করে ফয়সাল ও সঞ্জয়ের জবানবন্দি
সিটিজেন-ডেস্ক

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার মামলায় প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদকে ভারতে পালাতে সহায়তার অভিযোগে গ্রেপ্তার সঞ্জয় চিসিম ও মো. ফয়সাল আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম আদালতে তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এদিন তাদের আদালতে হাজির করা হলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ জবানবন্দি গ্রহণের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলে জুমার নামাজ শেষে নির্বাচনী প্রচারণা শেষ করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যাওয়ার পথে দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে পল্টন মডেল থানাধীন বক্স কালভার্ট এলাকায় পৌঁছালে হাদিকে বহনকারী অটোরিকশাকে লক্ষ্য করে মোটরসাইকেলে থাকা দুষ্কৃতকারীরা গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। এতে গুরুতর আহত হন শরিফ ওসমান হাদি।
পরে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর পল্টন থানায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে হত্যা ও হত্যাচেষ্টাসহ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করেন। হাদির মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।
মামলার এজাহারে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, হত্যাচেষ্টা, বিপজ্জনক অস্ত্র ব্যবহার করে গুরুতর আঘাত এবং দুষ্কর্মে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে। তদন্তে উঠে আসে, হত্যার পর প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদকে ভারতে পালাতে সহায়তা করেন গ্রেপ্তার সঞ্জয় চিসিম ও মো. ফয়সাল।

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার মামলায় প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদকে ভারতে পালাতে সহায়তার অভিযোগে গ্রেপ্তার সঞ্জয় চিসিম ও মো. ফয়সাল আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম আদালতে তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এদিন তাদের আদালতে হাজির করা হলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ জবানবন্দি গ্রহণের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলে জুমার নামাজ শেষে নির্বাচনী প্রচারণা শেষ করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যাওয়ার পথে দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে পল্টন মডেল থানাধীন বক্স কালভার্ট এলাকায় পৌঁছালে হাদিকে বহনকারী অটোরিকশাকে লক্ষ্য করে মোটরসাইকেলে থাকা দুষ্কৃতকারীরা গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। এতে গুরুতর আহত হন শরিফ ওসমান হাদি।
পরে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর পল্টন থানায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে হত্যা ও হত্যাচেষ্টাসহ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করেন। হাদির মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।
মামলার এজাহারে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, হত্যাচেষ্টা, বিপজ্জনক অস্ত্র ব্যবহার করে গুরুতর আঘাত এবং দুষ্কর্মে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে। তদন্তে উঠে আসে, হত্যার পর প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদকে ভারতে পালাতে সহায়তা করেন গ্রেপ্তার সঞ্জয় চিসিম ও মো. ফয়সাল।

হাদি হত্যাকাণ্ড: দায় স্বীকার করে ফয়সাল ও সঞ্জয়ের জবানবন্দি
সিটিজেন-ডেস্ক

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার মামলায় প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদকে ভারতে পালাতে সহায়তার অভিযোগে গ্রেপ্তার সঞ্জয় চিসিম ও মো. ফয়সাল আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম আদালতে তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এদিন তাদের আদালতে হাজির করা হলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ জবানবন্দি গ্রহণের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলে জুমার নামাজ শেষে নির্বাচনী প্রচারণা শেষ করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যাওয়ার পথে দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে পল্টন মডেল থানাধীন বক্স কালভার্ট এলাকায় পৌঁছালে হাদিকে বহনকারী অটোরিকশাকে লক্ষ্য করে মোটরসাইকেলে থাকা দুষ্কৃতকারীরা গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। এতে গুরুতর আহত হন শরিফ ওসমান হাদি।
পরে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর পল্টন থানায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে হত্যা ও হত্যাচেষ্টাসহ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করেন। হাদির মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।
মামলার এজাহারে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, হত্যাচেষ্টা, বিপজ্জনক অস্ত্র ব্যবহার করে গুরুতর আঘাত এবং দুষ্কর্মে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে। তদন্তে উঠে আসে, হত্যার পর প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদকে ভারতে পালাতে সহায়তা করেন গ্রেপ্তার সঞ্জয় চিসিম ও মো. ফয়সাল।




